শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে

সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে

দেশের মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে। আগস্ট মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। মূলত খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণেই সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বলে বিবিএসের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও কমেছে মজুরি বৃদ্ধির হার। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও সেই তুলনায় আয় বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমেছে। বুধবার ৭ অক্টোবর সেপ্টেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক বা সিপিআই এবং মজুরি হার সূচকের তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। আগস্টে এই হার ছিল ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে। আগস্টে যা ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। গ্রামীণ এলাকাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। আরও পড়ুন,জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চিঠিগ্রামে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্টের ৭ দশমিক ০১ শতাংশ থেকে বেড়ে সেপ্টেম্বরে হয়েছে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে নেমেছে। আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। শহর এলাকাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে। আগস্টে যা ছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। শহরে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও জাতীয় পর্যায়ে মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে। বিবিএসের মজুরি হার সূচক অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। আগস্টে এই হার ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। খাতভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে কৃষি খাতে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, শিল্প খাতে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। সারা দেশের ৬৪টি জেলার ১৪৩টি হাট-বাজার থেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

বকুলপুর সিজন ৩ আসছে ১৯ সেপ্টেম্বর

দীপ্ত টিভির জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল ‘বকুলপুর’ এবার আসছে তৃতীয় সিজন নিয়ে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে দর্শকদের সামনে হাজির হবে ‘বকুলপুর সিজন ৩’। এ উপলক্ষে ১৪ সেপ্টেম্বর দীপ্ত টিভির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ধারাবাহিকটির আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ‘বকুলপুর সিজন ৩’-এর অভিনয়শিল্পী চিত্রনাট্যকার পরিচালকসহ দীপ্ত টিভির কর্মকর্তারা।নতুন এই সিজনে একদিকে রয়েছে যাত্রাপালার রঙিন জীবনের নানা টানাপোড়েন। অন্যদিকে গ্রামীণ পটভূমিতে প্রেম ক্ষমতা ও বিরোধের নতুন গল্প। আগের দুই সিজনের জনপ্রিয় চরিত্রের পাশাপাশি এবার যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু নতুন চরিত্র।আহমেদ শাহাবুদ্দীনের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা হাসান রেজাউল। স্বপ্নীল প্রোডাকশন্স প্রযোজিত এই ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম সুষমা সরকার তাহমিনা সুলতানা মৌ আজাদ আবুল কালাম দীপা খন্দকার কচি খন্দকার নরেশ ভূঁইয়া শরাফ আহমেদ জীবনসহ আরও অনেকে।গল্পে দেখা যাবে আব্বাস বেগ আবারও বকুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। পরাজিত হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান দীবা। আড়ও পড়ুন,সিডনি সুইনির বিতর্কিত বিজ্ঞাপন নিয়ে রহস্যময় পোস্টবিজয় মিছিলে আব্বাসকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করতে আসে রহস্যময়ী নারী নন্দিনী ও প্রতিদ্বন্দ্বী মেহেরজান।চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর বকুলপুরের মানুষের অনুরোধে নন্দিনীর মাধ্যমে এলাকায় যাত্রা নিয়ে আসেন আব্বাস। বকুলপুরে আসে নতুন যাত্রাদল ‘দি নিউ মালঞ্চ অপেরা’। তবে এই যাত্রাদল ঠেকাতে মাঠে নামে গ্রামের প্রভাবশালী উজান দেওয়ান। আর তার সঙ্গে আব্বাসের দ্বন্দ্বের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে ছোটবোন নাইয়রী।অন্যদিকে লীলাবতী সরকারের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে মেহেরজানের। একপর্যায়ে লীলাবতীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা হলে সন্দেহের তীর যায় মেহেরজানের দিকে। কিন্তু একটি টেলিফোন কল তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সন্দেহ তৈরি হয় আসমাকে ঘিরে।এরপর আসমার ওপরও সন্ত্রাসী হামলা হলে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। এসআই ফরহাদের মনে হতে থাকে বকুলপুরকে অস্থিতিশীল করে রাখতে কাজ করছে অদৃশ্য কোনো শক্তি। কে সেই ব্যক্তি? দাদাভাই নাকি তার কোনো এজেন্ট? এই রহস্যের উত্তর মিলবে নতুন সিজনের গল্পে।‘বকুলপুর সিজন ৩’ আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে সপ্তাহের শনি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় দেখা যাবে দীপ্ত টিভি দীপ্ত প্লে ও দীপ্ত টিভির ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।

বকুলপুর সিজন ৩ আসছে ১৯ সেপ্টেম্বর