শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
বাংলাদেশে নতুন স্মার্টফোন আনল টেকনো

বাংলাদেশে নতুন স্মার্টফোন আনল টেকনো

স্মার্টফোন ব্যবহারে স্থায়িত্ব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে বাংলাদেশের বাজারে নতুন মডেলের ফোন এনেছে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো। নতুন এই ডিভাইসটির নাম ‘স্পার্ক ৫০সি’।টেকনোর দাবি, দৈনন্দিন ব্যবহারে ফোনটির স্থায়িত্ব বাড়ানোর দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিভাইসটিতে রয়েছে এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা, যাতে প্রায় ১ দশমিক ৭ মিটার উচ্চতা থেকে পড়ে গেলেও ফোনটি সুরক্ষিত থাকার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।পানির সুরক্ষার পাশাপাশি ফোনটিতে রয়েছে ‘আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি’ সুবিধা। অর্থাৎ পানির নিচেও ছবি তোলার জন্য বিশেষ ফিচার ব্যবহার করা যাবে।ডিসপ্লের ক্ষেত্রে স্পার্ক ৫০সি-তে ব্যবহার করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ ইঞ্চির উচ্চ রিফ্রেশ রেটের পর্দা। ফোনটির প্রসেসর হিসেবে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮১।ব্যাটারির দিক থেকেও ফোনটিতে রাখা হয়েছে বড় ধারণক্ষমতা। এতে রয়েছে ৫ হাজার ২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। ফলে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের সুবিধা পাওয়ার কথা জানিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।শব্দের মান উন্নত করার জন্য ফোনটিতে রয়েছে ডুয়াল স্পিকার। পাশাপাশি দুর্বল নেটওয়ার্ক পরিস্থিতিতেও যোগাযোগের সুবিধা বাড়াতে বিশেষ সিগন্যাল বুস্টিং প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,আন্তর্জাতিক বাজারে কমল রুপা প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামছবি তোলার জন্য ফোনটির পেছনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। আর সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বেশ কিছু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সুবিধা। কথা বলার সময় আশপাশের শব্দ কমানো, ভাষা অনুবাদ এবং লেখালেখিতে সহায়তার মতো বিভিন্ন এআই ফিচার রয়েছে এতে।বাংলাদেশের বাজারে ফোনটি ৪ জিবি র‍্যামের দুটি সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। তবে সফটওয়্যারভিত্তিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে র‍্যাম সর্বোচ্চ ১২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। ৬৪ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা। আর ১২৮ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের দাম ২৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।দেশের সব অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্রে ইতোমধ্যে টেকনো স্পার্ক ৫০সি বিক্রি শুরু হয়েছে। ফলে স্থায়িত্ব বড় ব্যাটারি এবং এআই সুবিধাকে গুরুত্ব দেওয়া ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন এই ফোনটি দেশের বাজারে আরেকটি বিকল্প হিসেবে যুক্ত হলো।

কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি

চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই স্মার্টফোন পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল ও আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।স্মার্টফোনের দাম নামছে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে। আর এর সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পিপিআরসি আয়োজিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক গ্রুপ ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি একে অপরের পরিপূরক। ডিজিটাল অর্থনীতির গতি বাড়াতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল আর্থিক সেবার সুফল পুরোপুরি পাওয়া সম্ভব নয়।আমির খসরু বলেন, দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হয়েছে। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই এসব ফোন পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। আড়ও পড়ুন,ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকটতাঁর মতে, এতে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ হবে।স্মার্টফোনের মাধ্যমে কৃষকরা আবহাওয়ার তথ্য, প্রয়োজনীয় সারের মাত্রা এবং কৃষিপণ্যের বাজারদর জানতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।এদিকে ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাঁদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগকেও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অংশ হিসেবে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তবে প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবনের ধারাকে এগিয়ে নিতে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, শক্তিশালী ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাই উঠে এসেছে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে।

কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি