জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দিতে হচ্ছে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প খোঁজার পরিবর্তে সরাসরি জনগণের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তার দাবি, ক্ষমতায় আসার পর কয়েক মাসের মধ্যেই তৃতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ সরকারের বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরার কথা উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম।তিনি প্রশ্ন তোলেন,
আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিক্ষোভ
জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার বিভিন্ন ধরনের কর ও শুল্ক আদায় করছে। বর্তমান সংকটে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চায়। অথচ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন কেন এত জরুরি হয়ে পড়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার মতে, জনগণের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপানোর পরিবর্তে রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে নাহিদ ইসলাম বলেন, অবিলম্বে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের ওপর নতুন বোঝা না চাপিয়ে বিকল্প সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি।
মতামত