শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে প্রধানমন্ত্রী


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি জড়িত। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিও বাড়ে।সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত গুণী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও প্রিয়জন হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে। পারিবারিক পাঠশালার গণ্ডি পেরোনোর পর শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকারাই আদর্শ অনুসরণীয় ব্যক্তি।তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশের এই সময়ে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই শিখন ও শিক্ষণ পদ্ধতির পরিবর্তন এবং শিক্ষা সিলেবাসের আধুনিকায়ন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর না করে কেন ও কীভাবে এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে কৌতূহলী করে তুলতে হবে।

আরও পড়ুন,এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তোলাই এর লক্ষ্য।প্রযুক্তিকে শিক্ষকের বিকল্প নয় বরং শিক্ষকের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকরা ডিজিটাল লেসন প্ল্যান, প্রশ্নব্যাংক, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষণসামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে কোনো শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না। কেউ শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে ঝরে পড়লেও যেন বেকার থাকতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।শিক্ষা খাতকে সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু কর্মসংস্থানের জন্য নয়; নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনও এর অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। সত্যবাদিতা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা, দেশপ্রেম, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও অন্যের প্রতি সম্মানকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করতে হবে।

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র শিক্ষক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি জড়িত। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিও বাড়ে।সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত গুণী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও প্রিয়জন হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে। পারিবারিক পাঠশালার গণ্ডি পেরোনোর পর শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকারাই আদর্শ অনুসরণীয় ব্যক্তি।তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশের এই সময়ে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই শিখন ও শিক্ষণ পদ্ধতির পরিবর্তন এবং শিক্ষা সিলেবাসের আধুনিকায়ন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর না করে কেন ও কীভাবে এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে কৌতূহলী করে তুলতে হবে।

আরও পড়ুন,এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তোলাই এর লক্ষ্য।প্রযুক্তিকে শিক্ষকের বিকল্প নয় বরং শিক্ষকের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকরা ডিজিটাল লেসন প্ল্যান, প্রশ্নব্যাংক, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষণসামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে কোনো শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না। কেউ শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে ঝরে পড়লেও যেন বেকার থাকতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।শিক্ষা খাতকে সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু কর্মসংস্থানের জন্য নয়; নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনও এর অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। সত্যবাদিতা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা, দেশপ্রেম, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও অন্যের প্রতি সম্মানকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করতে হবে।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে প্রধানমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x