শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের আট মন্দিরের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের আট মন্দিরের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়

ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। সোমবার, ১২ অক্টোবর, বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের আটটি মন্দিরের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁকে পূজার আমন্ত্রণ জানান। আরও পড়ুন,মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশএ সময় বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়ানোর জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। জবাবে তারেক রহমান বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে সরকার যতটুকু কাজ করেছে, তা নেতারাই স্বীকার করেছেন। আরও কিছু বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা চলছে। এসব উদ্যোগ সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষ অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, জাতির সংকটের সময়ে যখন ধর্মকে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি, তখন অন্য ক্ষেত্রে কেন ধর্মকে বিবেচনায় নেওয়া হবে? দেশ স্বাধীন করার পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই সম্মিলিতভাবে অংশ নিয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাঁর মুসলমান কর্মীদের পাশাপাশি হিন্দু কর্মীরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে ধর্মের কোনো পার্থক্য ছিল না। তারেক রহমান আরও বলেন, আল্লাহ তাঁকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। নিজের অবস্থান থেকে তিনি চেষ্টা করবেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেককে তাঁর সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে।

শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি জড়িত। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিও বাড়ে।সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত গুণী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও প্রিয়জন হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে। পারিবারিক পাঠশালার গণ্ডি পেরোনোর পর শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকারাই আদর্শ অনুসরণীয় ব্যক্তি।তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশের এই সময়ে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই শিখন ও শিক্ষণ পদ্ধতির পরিবর্তন এবং শিক্ষা সিলেবাসের আধুনিকায়ন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর না করে কেন ও কীভাবে এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে কৌতূহলী করে তুলতে হবে।আরও পড়ুন,এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটিপ্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তোলাই এর লক্ষ্য।প্রযুক্তিকে শিক্ষকের বিকল্প নয় বরং শিক্ষকের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকরা ডিজিটাল লেসন প্ল্যান, প্রশ্নব্যাংক, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষণসামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে কোনো শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না। কেউ শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে ঝরে পড়লেও যেন বেকার থাকতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।শিক্ষা খাতকে সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু কর্মসংস্থানের জন্য নয়; নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনও এর অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। সত্যবাদিতা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা, দেশপ্রেম, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও অন্যের প্রতি সম্মানকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করতে হবে।

শিক্ষককে সম্মান দিলে রাষ্ট্রের মর্যাদা বাড়ে প্রধানমন্ত্রী

যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক বা ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকল্পটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে থাকা প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে তা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করে কাজ শেষ করার জন্য একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের নির্দেশ দেন। আরও পড়ুন,হেফাজতের কাছ থেকে ইসলামী মূল্যবোধ শেখার পরামর্শ জামায়াতকেপাশাপাশি প্রকল্পের কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ইনার সার্কুলার রিং রোড বাস্তবায়ন হলে ঢাকার অভ্যন্তরীণ সড়কে যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি দূরপাল্লার যানবাহনের জন্য বিকল্প চলাচলব্যবস্থা তৈরি হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পের বিভিন্ন অংশে কাজ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন বাস্তবায়নগত বিষয় সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নানাবাড়ির জেলা ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নানাবাড়ির জেলা ফেনীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার পর রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে গাড়িবহর নিয়ে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি।বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের বিষয়টি জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে এক দিনের সফরে ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।সফরে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এছাড়া রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।আড়ও পড়ুন,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের শিরোনাম ২প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ফেনীতে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।ফেনী জেলার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পারিবারিক সম্পর্কও রয়েছে। তাঁর নানা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায়।ফুলগাজীসহ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসন থেকে খালেদা জিয়া পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সামাজিক সুরক্ষা এবং কৃষকদের সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গুরুত্ব পাচ্ছে। এক দিনের সফর শেষে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার মধ্য দিয়ে শেষ হবে তাঁর ফেনী সফর।

নানাবাড়ির জেলা ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে রোববার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরদিন সোমবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে তিনি নিয়মিত সরকারি কার্যক্রমে যোগ দেন।সোমবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ। সাক্ষাতে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয় বলে জানা গেছে।এরপর দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদি।আড়ও পড়ুন,দূষিত বায়ু ও তামাকে ঝুঁকিতে ফুসফুস, সচেতনতার আহ্বানপ্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) এসব তথ্য জানিয়েছেন।এদিকে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় অগ্রাধিকার, শান্তি, গণতন্ত্র, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবিক বিষয় ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য দেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি জাতিসংঘের কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার মধ্য দিয়ে সফর-পরবর্তী সরকারি কার্যক্রমও শুরু হলো।

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু

সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ এবং অভিন্ন মানদণ্ডে সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির সুযোগ বাড়াতেও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।তিনি বলেন, দেশের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থাকলেও পর্যাপ্ত সমন্বয়ের অভাবে অনেক প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রত্যাশিত কার্যকারিতা অর্জন করতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি না পাওয়ায় তরুণরা প্রত্যাশিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।আড়ও পড়ুন,পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের শঙ্কাএ পরিস্থিতিতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বডিকে দ্রুত একটি ছোট কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার কথা বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ পরিচালনার পাশাপাশি অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হলে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও সনদের স্বীকৃতি বাড়বে।সভায় জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কাঠামো জনবল ও কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা নিরূপণ এবং স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।এ ছাড়া প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিকের আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর

শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী নেতা এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। এই সমস্যা ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সংকট চিহ্নিত করে সরকার পরিকল্পনা করেছে এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।বর্তমান গ্যাস সংকটের কারণ হিসেবে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এতে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যা এরই মধ্যে সমাধান হয়েছে বলে জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাস সরবরাহ এক থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে তারা আশা করছেন।ঘাটতি মোকাবিলায় তৃতীয় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। জিটুজি ভিত্তিতে এ টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যার সমাধানে সরকারের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সময়সীমা রয়েছে। কিছুটা সময় এদিক-সেদিক হলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে পড়ে। তাই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ নয় বরং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।একই সঙ্গে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করে সরকারকে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১ লাখ ৭২ হাজারদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দ্রুত সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তবে সরকার সংকট মোকাবিলায় সময়সীমাবদ্ধ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিন ঘণ্টার মতবিনিময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।প্রধানমন্ত্রী জানান, গ্যাস সংকটের অন্যতম কারণ ছিল ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনা। সেই সমস্যা সমাধান হওয়ায় আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফেরার আশা করছে সরকার।দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা পূরণে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। জিটুজি ভিত্তিতে এর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছাতে হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে শুধু ব্যবসায়ী সম্প্রদায় নয় বরং পুরো দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিকের আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর