শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত
ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই। আকাশপথে হামলার পাশাপাশি ইরানি বাহিনীকে সহায়তাকারী গুপ্তচর ও ‘স্লিপার সেল’-এর মতো গোপন হুমকিও মোকাবিলা করতে হয়েছিল দেশটিকে। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দুবাইয়ে ইউএই করেসপন্ডেন্টস কাউন্সিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় দেশটির ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রতিরক্ষা, অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ডক্টর আলী রশিদ আল নুয়াইমি এসব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কথা জানান। তিনি বলেন, হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল সরকার। শপিং মল, রেস্তোরাঁ ও সমুদ্রসৈকত খোলা রেখে জনজীবন সচল রাখা হয়। আল নুয়াইমি জানান, হামলার সময় আবুধাবির গ্যালেরিয়া মলে তাঁর উপস্থিতি এক ইসরায়েলি পরিচিতজনকে বিস্মিত করেছিল। 

আরও পড়ুন,মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

তাঁর মতে, সংঘাতের মধ্যেও এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে সামাজিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ইতিবাচক দিক তুলে ধরে। তিনি আরও জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি পৃথকভাবে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতামূলক নেটওয়ার্ক ধ্বংসের কথা জানিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতার। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাভাবিক জনজীবন বজায় রাখা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিষয় : ইরান হামলা আমিরাত

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই। আকাশপথে হামলার পাশাপাশি ইরানি বাহিনীকে সহায়তাকারী গুপ্তচর ও ‘স্লিপার সেল’-এর মতো গোপন হুমকিও মোকাবিলা করতে হয়েছিল দেশটিকে। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দুবাইয়ে ইউএই করেসপন্ডেন্টস কাউন্সিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় দেশটির ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রতিরক্ষা, অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ডক্টর আলী রশিদ আল নুয়াইমি এসব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কথা জানান। তিনি বলেন, হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল সরকার। শপিং মল, রেস্তোরাঁ ও সমুদ্রসৈকত খোলা রেখে জনজীবন সচল রাখা হয়। আল নুয়াইমি জানান, হামলার সময় আবুধাবির গ্যালেরিয়া মলে তাঁর উপস্থিতি এক ইসরায়েলি পরিচিতজনকে বিস্মিত করেছিল। 

আরও পড়ুন,মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

তাঁর মতে, সংঘাতের মধ্যেও এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে সামাজিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ইতিবাচক দিক তুলে ধরে। তিনি আরও জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি পৃথকভাবে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতামূলক নেটওয়ার্ক ধ্বংসের কথা জানিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতার। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাভাবিক জনজীবন বজায় রাখা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত
0:00 0:00
1.0x