শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
হরমুজে ট্যাংকারে হামলা বাড়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ

হরমুজে ট্যাংকারে হামলা বাড়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির আশপাশে জ্বালানিবাহী ট্যাংকারে সর্বোচ্চ হামলার ঘটনা ঘটেছে। সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী ট্যাংকারে অন্তত ১২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্সের। মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার গত রোববার এক নোটে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে হামলা, হামলার চেষ্টা এবং জাহাজকে বিভিন্নভাবে হয়রানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে ড্রোনের ব্যবহার, নজরদারি এবং ভিএইচএফ রেডিওর মাধ্যমে জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও রয়েছে। এসব ঘটনায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি জড়িত বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আরও পড়ুন,সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর বহু ফ্লাইট বাতিলের খবরজয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ইরানের উপস্থিতি বজায় রাখা এবং এই পথে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা তিনটি সূত্র জানিয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির আশপাশে অন্তত ১২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাদের হিসাবে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এক সপ্তাহে এটিই ট্যাংকারে হামলার সর্বোচ্চ সংখ্যা। জাতিসংঘের নৌপরিবহন সংস্থা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা বা আইএমওর আলাদা তথ্যেও একই সপ্তাহে জাহাজসংশ্লিষ্ট নয়টি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, কোনো ঘটনা যাচাই করে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করতে জাতিসংঘের সংস্থাটির তুলনামূলক বেশি সময় লাগে। আইএমওর তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১৩ জুলাই শুরু হওয়া সপ্তাহে সর্বোচ্চ আটটি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। এদিকে যুদ্ধের মধ্যেও উপসাগরীয় দেশগুলো জ্বালানি রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। গত সোমবার প্রকাশিত জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রায় অর্ধেক সময় এসব দেশের জ্বালানি তেল রপ্তানির পরিমাণ যুদ্ধ শুরুর আগের মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে ট্যাংকারে হামলা এবং সরবরাহব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে এই বাড়তি রপ্তানি দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর বহু ফ্লাইট বাতিলের খবর

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয়বারের মতো হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা। হামলায় সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি বাণিজ্যিক বিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। এ ঘটনার পর রিয়াদগামী কয়েকটি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের এ ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই। এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন হামলার খবর আসে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত অন্তত তিনজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টার্মিনালের কাছে পার্ক করা সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি বাণিজ্যিক বিমানে আগুন ধরে যায়। তাদের ধারণা,আরও পড়ুন,ইরান নিয়ে সামরিক পদক্ষেপে বিরতির ঘোষণা ট্রাম্পেরক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ অথবা অন্য কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। আগুন লাগার সময় বিমানটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিমানবন্দর এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া ও আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলোর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাত্রীদের ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বলা হয়। পাশাপাশি সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়। একই সময়ে রিয়াদের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে খবর পাওয়া যায়। কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এদিকে এভিয়েশন বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত রিয়াদ বিমানবন্দরের প্রায় অর্ধেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে শুক্রবার আরও ৩১টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কথা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর বহু ফ্লাইট বাতিলের খবর

হরমুজ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ট্যাঙ্কারে হামলা

কাতারের উত্তর উপকূলের অদূরে বহুজাতিক একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস বা ইউকেএমটিও। বুধবার মদিনাত আশ শামাল থেকে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার উত্তরে সমুদ্রসীমায় ট্যাঙ্কারটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এতে কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি ইউকেএমটিও। হামলার পর ঘটনাটি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আক্রান্ত জাহাজটি কোন দেশের এবং কার মালিকানাধীন সে বিষয়েও এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কাতারের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলে হামলার ঘটনা ঘটলেও দেশটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন,যুদ্ধের তিন বছর পরও গাজাবাসীর শেষ হয়নি বেঁচে থাকার সংগ্রামবাণিজ্যিক নৌ পরিবহন বিষয়ক সাময়িকী দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে এ ধরনের হামলা তুলনামূলক বিরল। ইউকেএমটিওর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরের শুরুতেই হরমুজ প্রণালিতে ৯টি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। যা সেপ্টেম্বর মাসে হওয়া মোট হামলার প্রায় অর্ধেক। এদিকে এসব হামলার মধ্যেও কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে দৈনিক তেল রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব গড় ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বেড়ে ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হরমুজ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ট্যাঙ্কারে হামলা

পাটওয়ারীর ওপর হামলাকে পঞ্চম ঘটনা বললেন নাহিদ ইসলাম

কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও তাঁর গাড়িতে হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এ ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চম হামলার ঘটনা। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, একজন নেতাকে কতটা ভয় পেলে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা এমন আচরণ করতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। এর আগে রোববার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়ি পরিদর্শনে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেখানে তাঁর ওপর ডিম নিক্ষেপ করা হয় এবং তাঁকে বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। গাড়ি ভাঙচুরের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, মাজারের ভেতরে প্রবেশ করে পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, বিএনপি সরকার গঠনের পর পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চম হামলা। তিনি বলেন, আরও পড়ুন,সাবেক আওয়ামী লীগ এমপিদের প্রতি অবিচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন বললেন স্পিকারভয়ভীতি বা দমন-পীড়ন চালিয়ে তাঁদের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না। এ ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ধারাবাহিক হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায় এনসিপি। দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর বারবার হামলা, হেনস্তা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার ঘটনা স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশের লক্ষণ নয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে তার জবাব হামলা, ভয়ভীতি কিংবা সহিংসতার মাধ্যমে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পাটওয়ারীর ওপর একের পর এক ঘটনার পুনরাবৃত্তি গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলেও উল্লেখ করে দলটি। কুষ্টিয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি। একই সঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তাঁর সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি। এনসিপির বক্তব্য, রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীকে হামলা কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা যাবে না। প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

পাটওয়ারীর ওপর হামলাকে পঞ্চম ঘটনা বললেন নাহিদ ইসলাম

ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে হামলার পর ককপিটে ছুটে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেন দুই পাইলট

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে সহকারী পাইলটের হামলার পর ককপিটে ছুটে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া দুই অতিরিক্ত পাইলটকে এখন ওই ফ্লাইটের অন্যতম নায়ক হিসেবে দেখছেন যাত্রীরা। তবে ঘটনার তিন দিন পরও তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি ফ্লাইদুবাই। উড়োজাহাজটিতে ১৮২ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে সামনের দিকে দ্বিতীয় সারিতে বসা ড্যানিয়েল শ্লিখটার পুরো ঘটনার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন। শ্লিখটার জানান, ওই ফ্লাইটে নিয়মিত দুই পাইলটের পাশাপাশি আরও দুই পাইলট ছিলেন। তাদের তেল আবিব থেকে দুবাইয়ে উড়োজাহাজটি ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। এ ধরনের ব্যবস্থাকে বিমান চলাচলের ভাষায় ডেডহেডিং বলা হয়। ফ্লাইট চলার সময় ককপিটের ভেতর থেকে চিৎকার ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি টের পেয়ে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তারা দেখতে পান, সহকারী পাইলট ক্যাপ্টেনের ওপর হামলা করছেন এবং ককপিটের ভেতরে রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ক্যাপ্টেন কোনোভাবে ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর এক যাত্রী সহকারী পাইলটকে ধরে ককপিট থেকে বের করে আনার চেষ্টা করেন। অন্য যাত্রীরাও তাকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় অতিরিক্ত একজন পাইলট যাত্রীদের ওপর দিয়ে প্রায় লাফিয়ে ককপিটে ঢুকে পড়েন এবং উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন। পরে দ্বিতীয় অতিরিক্ত পাইলটও ককপিটে যোগ দেন। তারা দরজা বন্ধ করে দেন। শ্লিখটার বলেন, প্রথম যে পাইলট ককপিটে ঢুকেছিলেন, তিনি অত্যন্ত দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন। আরও পড়ুন,৬০তম স্বাধীনতা দিবসে ২৩ হাতি শিকারের সিদ্ধান্তে সমালোচনাতার ভাষায়, তিনি নায়কের মতো আচরণ করেছেন এবং এমনভাবে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন যেন পুরো পরিস্থিতি কীভাবে সামলাতে হবে তা তিনি জানতেন। তবে ককপিটের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ভেতরে ঠিক কী ঘটেছিল, তা আর জানতে পারেননি যাত্রীরা। এদিকে হামলার পর উড়োজাহাজটি তীব্রভাবে নিচের দিকে নেমে যায়। এতে রাডারের একটি অংশও ছিঁড়ে যায় বলে জানান শ্লিখটার। উড়োজাহাজটিকে স্থিতিশীল করতে কয়েক মিনিট সময় লাগে। তার ধারণা, এই প্রক্রিয়ায় ১০ মিনিট বা তারও বেশি সময় লেগে থাকতে পারে। পাইলটরা দ্রুত অবতরণের জন্য নিরাপদ জায়গা খুঁজতে থাকেন এবং উড়োজাহাজ থেকে মেইডে কল করা হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরও যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। কারণ, ককপিটে থাকা অতিরিক্ত দুই পাইলটের পরিচয় তারা জানতেন না। শ্লিখটার জানান, তখন তার মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এমনকি ওই দুই ব্যক্তি উড়োজাহাজটি ছিনতাই করে ইরান বা অন্য কোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারেন এমন চিন্তাও তার মাথায় এসেছিল। কারণ, উড়োজাহাজটি তখন ইরান থেকে খুব বেশি দূরে ছিল না। প্রায় ৪৫ মিনিট পর পাইলটরা ঘোষণা দেন, তারা সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। তখনই শ্লিখটার ওই দুই পাইলটের ওপর আস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে হামলার পর ককপিটে ছুটে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেন দুই পাইলট

মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় গ্রেফতার চার

রাজধানীর মিরপুরে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মিরপুরের ১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন ক্লিনিকের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন।মামলায় হানিফ মিয়া নামে একজনকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম ওষুধ সরকারি টিকা নগদ টাকা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।আড়ও পড়ুন,পুলিশের অধীনে নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটকর্তৃপক্ষ আরও দাবি করেছে লুটপাটের পর ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ভবন এবং তিনটি সেমিপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তাদের দাবি।ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ হামলার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গায় সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে একটি সাইনবোর্ডও টাঙিয়ে দেওয়া হয়।এ ছাড়া হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।ঘটনার সঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ইন্ধন থাকার অভিযোগও উঠেছে। তবে এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদসহ ঘটনার সঙ্গে অন্য কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এদিকে ঘটনার পর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় গ্রেফতার চার

মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে

মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।রোববার আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ইরানের সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়া এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতি এই সতর্কবার্তা দেয়।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের সামরিক অভিযানে কোনো আঞ্চলিক দেশ নিজেদের যুক্ত করলে তাদের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।ইরানের সামরিক সদর দপ্তর আরও বলেছে, আঞ্চলিক দেশগুলো যদি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করে তাহলে পরবর্তীতে তারা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকে সংযম বা সৌজন্য আশা করতে পারবে না।আড়ও পড়ুন,চীনা নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ায় বাড়ল নিয়ন্ত্রণবিবৃতিতে ইরান এ অঞ্চলের দেশগুলোর নীতিকে দ্বিমুখী হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, শক্তিশালী ও সার্বভৌম ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো বড় ধরনের আগ্রাসনে আঞ্চলিক সহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।ইরানের সামরিক সদর দপ্তর বলছে, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি বা অন্য কোনো সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি তারা গভীরভাবে বিবেচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভূমিকাকে সেই অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে।এদিকে ইরানের এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।তবে ইরানের এই বক্তব্যের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার কথা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে

সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতিরা। শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি দেখা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর হামলার দায় স্বীকার করে তারা। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।রিয়াদের আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি। বিমানবন্দরের মহাসড়কের কাছ থেকে দেখা যায় আগুনের শিখাও।রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করে হুতিরা।হুতিদের দাবি, রিয়াদের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তেলকেন্দ্র ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।তবে রিয়াদের ঠিক কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি হুতিরা।তাদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার জবাব হিসেবেই এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানায়, শনিবার ভোররাতে রিয়াদের দিকে ছোড়া হুতিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।একই সঙ্গে সৌদির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ ও ফারাসান,আড়ও পড়ুন,ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রেরপশ্চিমাঞ্চলের তায়িফ এবং ইয়ানবুতেও হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করেছে তারা।রিয়াদে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার সতর্কতা জারি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানান। তবে এসব শব্দ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ থেকেও হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।জুলাই থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করে আসছে হুতিরা। তবে চলমান সংঘাত শুরুর পর রিয়াদে হামলার দাবি এবারই প্রথম।হামলার আশঙ্কায় শনিবার ভোররাতে রিয়াদ ও আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।এখন পর্যন্ত হামলায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।অ্যাঙ্কর আউট:রিয়াদে হামলার এই দাবির পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

ইয়েমেনে ফের উত্তাপ, হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলা

ইয়েমেনের পশ্চিম তাইজ প্রদেশে হাউছিদের অবস্থান, ব্যারাক ও সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে দেশটির সরকারি বাহিনী।বুধবার ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মিডিয়া সেন্টার জানায়, তাইজের পশ্চিমে আল-কাদা ফ্রন্টে এ হামলা চালানো হয়। অভিযানে ইয়েমেনের চতুর্থ সামরিক অঞ্চলের বাহিনী অংশ নেয় বলে জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যায়নি। হামলার বিষয়ে হাউছিদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য আসেনি।সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আল-কাদা ফ্রন্টে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। তাইজের সঙ্গে লোহিত সাগর তীরবর্তী বন্দরনগরী মোখার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নিয়ন্ত্রণ নিতে সরকারি বাহিনী সেখানে অভিযান চালাচ্ছে।কৌশলগত অবস্থানের কারণে আল-কাদা ফ্রন্টটি দুই পক্ষের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকা তাইজকে মোখার সঙ্গে যুক্ত করেছে।আড়ও পড়ুন,হরমুজে তৃতীয় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানেরএদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও হাউছিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও সংঘাত বেড়েছে। জুলাইয়ের শুরু থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও লড়াই নতুন করে তীব্র হয়েছে।এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কয়েক বছর পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সেই স্থিতিশীলতা আবারও চাপে পড়েছে।তাইজ-মোখা যোগাযোগপথের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে আল-কাদা ফ্রন্টে লড়াই অব্যাহত থাকায় ইয়েমেনের সংঘাত পরিস্থিতি নতুন করে আন্তর্জাতিক নজরে এসেছে।

ইয়েমেনে ফের উত্তাপ, হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলা