শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
অনিয়ম হলে বন্ধ হবে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

অনিয়ম হলে বন্ধ হবে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।তিনি বলেন বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন বর্তমানে যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অনুমোদন নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেগুলোকেও নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।আড়ও পড়ুন,বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ভারতীয় আমদানি বাড়ানোর আহ্বান মন্ত্রী জানান আগামী অক্টোবর মাস থেকে ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে স্থাপন করা হবে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব। পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্ট বিক্রি এবং রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।এ ছাড়া সেবা দিতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও রোগী হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।রোববার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।দুদক জানিয়েছে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নির্ধারিত নতুন মূল্য কার্যকর না করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে হার্টের রিং বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।এর সঙ্গে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সেবা প্রদানে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগও ছিল।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে সম্প্রতি হার্টের রিং পরানো হয়েছে—এমন কয়েকজন রোগীর ক্ষেত্রে নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী লেনদেন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।এ জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে রোগীদের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে এনফোর্সমেন্ট টিম।আড়ও পড়ুন,অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় চার গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাসপাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি থাকা হার্টের রিং পরানো রোগীদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হয়।তাদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা হয়রানির ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করেছে দুদক।তবে অভিযানেই অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন।অভিযানে সংগৃহীত তথ্য, রোগীদের বক্তব্য এবং রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করা হবে।এরপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের কাছে দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হার্টের রিংয়ের মূল্য ও রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি তাই এখন দুদকের যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে রয়েছে।

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক