শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে ধোঁয়া

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে ধোঁয়া

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ উৎপাদন কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট। পাশাপাশি আগুন নেভানোর কাজে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বিজিবির সদস্যরা। বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটির ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত কারখানার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। বাড়তে থাকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে টঙ্গী, গাজীপুর, উত্তরা, কুর্মিটোলা, রাজেন্দ্রপুর ও পূর্বাচলসহ আশপাশের বিভিন্ন স্টেশনের ২০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি বিশেষ হ্যাজম্যাট টেন্ডার ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম জানিয়েছেন, কারখানার ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি। আরোও পড়ুন,কোটি টাকার সেতু রক্ষা করা গেল না, বিচ্ছিন্ন দুই জেলার যোগাযোগভবনটিতে কাচও রয়েছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং তা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। অগ্নিকাণ্ডে কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে ভবনের কোন তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে, বুধবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন। পরিস্থিতির বিষয়ে প্রশাসন সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছে। কারখানাটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন নিহত ১ আহত ২৫

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার এস সুহি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ভেতরে প্রীতি গ্রুপের কারখানায় আগুন লাগে।খবর পেয়ে ডিইপিজেড, কালিয়াকৈর ও জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বাইপাইল সড়কে তীব্র যানজট থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, আগুন লাগার সময় কারখানার সামনে থাকা সিলিন্ডারবাহী একটি কাভার্ডভ্যানে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।আড়ও পড়ুন,পিরোজপুরে ডেঙ্গু ঠেকাতে খাল পরিষ্কার অভিযানস্থানীয়দের দাবি, একটি সিলিন্ডার ছিটকে কারখানার পাশের একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে আঘাত করে। এতে জয়নাব বেগম নামে এক পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন নিহত ১ আহত ২৫

মায়ের সম্পত্তি না পেয়ে দাদা-দাদিকে মারধর করে ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে মায়ের সম্পত্তির অংশ লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ দাদা-দাদিকে মারধর করে ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাতির বিরুদ্ধে।রোববার ভোররাতে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের পাহাড়ি জনপদ ধরাটি পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ উঠেছে ধরাটি গ্রামের গিটিস নকরেকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দা ও তার আত্মীয় অবিনাশ নকরেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, গারো সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক রীতিতে পরিবারের সম্পত্তির মালিকানা মায়ের হাতে থাকে। গিটিসের মা শাপলী নকরেক এক ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে প্রায় এক যুগ আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মেয়েরা বর্তমানে ঢাকায় থাকেন। আর বাড়িতে থাকেন গিটিসের বৃদ্ধ দাদা-দাদি সনেন্দ্র চিরান ও সীতা নকরেক।গিটিস স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছিলেন। তবে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ায় তিনি পরীক্ষায় অংশ নেননি বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।অভিযোগ রয়েছে, আড়ও পড়ুন,বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যুকয়েক দিন ধরে গিটিস মায়ের সম্পত্তির অংশ তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য দাদা-দাদিকে চাপ দিয়ে আসছিলেন। তবে গারো ভূমি আইন অনুযায়ী তিনি মায়ের সম্পত্তির অংশ পাবেন না বলে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রোববার ভোররাতে গিটিস দাদা-দাদিকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেন। পরে ওই ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।আগুনে ঘরে থাকা ধান-চাল কাপড়চোপড় বাসনকোসনসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।ঘটনার বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ চলছে বলে জানা গেছে।

মায়ের সম্পত্তি না পেয়ে দাদা-দাদিকে মারধর করে ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ