শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাবারের মান ও পুষ্টি নিশ্চিতের সুপারিশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাবারের মান ও পুষ্টি নিশ্চিতের সুপারিশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান খাদ্য কর্মসূচির খাবারের সঠিক মান ও পুষ্টি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। খাবারের মানে কোনো ধরনের ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মাহমুদা হাবিবার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। বৈঠকে দেশের সব শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সব শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্যও সুপারিশ করেছে কমিটি। সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের খাতভিত্তিক বাজেট ও ব্যয় বিভাজন নিয়ে আলোচনা হয়। আরও পড়ুন,চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যএর মধ্যে ছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট। এ সময় ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছরের খাতভিত্তিক বাজেট বিভাজন ও ব্যয় পরিকল্পনা পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ করা বাজেট যথাযথভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে চালুর জন্যও সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় চালু থাকা অবস্থায় সব সদস্যকে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়। বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। পরে কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, অধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বুকের দুধ বাড়াতে মায়ের খাবারে যেসব পুষ্টিকর উপাদান রাখবেন

শিশুর জন্মের পর তার জন্য মায়ের বুকের দুধ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারগুলোর একটি। এতে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে সহায়ক বিভিন্ন উপাদান থাকে। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও মায়ের দুধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তবে সন্তান জন্মের পর অনেক মা পর্যাপ্ত বুকের দুধ না হওয়ার সমস্যার কথা জানান। এ ক্ষেত্রে কোনো একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে মায়ের সামগ্রিক পুষ্টি ও জীবনযাপনের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।পর্যাপ্ত পানি পান করা, পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়া এবং শিশুকে চাহিদা অনুযায়ী বারবার বুকের দুধ খাওয়ানো দুধ উৎপাদন ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু নির্দিষ্ট কোনো খাবার খেলেই বুকের দুধ নিশ্চিতভাবে বেড়ে যায়—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।সুষম খাবারের অংশ হিসেবে দারুচিনি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। আদা ও রসুনও নিয়মিত খাবারের অংশ হতে পারে। তবে এগুলো সরাসরি বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ায়—এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই।মৌরি নিয়ে বুকের দুধ বাড়ানোর প্রচলিত ধারণা থাকলেও এর কার্যকারিতা নিয়ে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। আড়ও পড়ুন,খাবার দেওয়া নিয়ে ঝগড়ার পর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগএকইভাবে জিরায় আয়রনসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকলেও জিরা বা জিরা মিশ্রিত দুধ খেলেই দ্রুত বুকের দুধ বেড়ে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।বেদানা বা ডালিমে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই নতুন মায়েরা সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে এটি খেতে পারেন। পাশাপাশি সজনে ডাঁটাতেও রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ। নিয়মিত খাবারের সঙ্গে এটি রাখা যেতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, পানি পান করা, বৈচিত্র্যময় ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং শিশুকে চাহিদা অনুযায়ী ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানো।দুধ কম হচ্ছে বলে মনে হলে নিজে থেকে কোনো খাবার বা ভেষজ উপাদানের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসক বা প্রশিক্ষিত স্তন্যদান পরামর্শকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

বুকের দুধ বাড়াতে মায়ের খাবারে যেসব পুষ্টিকর উপাদান রাখবেন