প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান খাদ্য কর্মসূচির খাবারের সঠিক মান ও পুষ্টি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। খাবারের মানে কোনো ধরনের ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মাহমুদা হাবিবার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। বৈঠকে দেশের সব শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সব শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্যও সুপারিশ করেছে কমিটি। সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের খাতভিত্তিক বাজেট ও ব্যয় বিভাজন নিয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন,চার বছরের মধ্যে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
এর মধ্যে ছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট। এ সময় ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছরের খাতভিত্তিক বাজেট বিভাজন ও ব্যয় পরিকল্পনা পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ করা বাজেট যথাযথভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে চালুর জন্যও সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় চালু থাকা অবস্থায় সব সদস্যকে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়। বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। পরে কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, অধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
মতামত