বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় চুক্তি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় চুক্তি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি পরিচালনার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার ঢাকায় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের তিনটি টার্মিনালের পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলো। এর আগে পতেঙ্গা ও লালদিয়া টার্মিনাল পরিচালনা এবং উন্নয়নের জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেশি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ এ বন্দর দিয়ে পরিবহন হয়েছে। সমুদ্রপথে দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ কনটেইনার পরিবহনও হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। ফলে বন্দরের দক্ষতা, পরিচালন ব্যয় এবং পণ্য খালাসের গতির সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে চারটি কনটেইনার টার্মিনাল চালু রয়েছে। এগুলো হলো নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল এবং জেনারেল কার্গো বার্থ। এর মধ্যে নিউমুরিং ও পতেঙ্গা টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। আরও পড়ুন,শাহ আমানত বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব করার উদ্যোগলালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির আওতায় এসেছে। চুক্তি অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড ১৫ বছর এনসিটি পরিচালনা করবে। দুই পক্ষের সম্মতিতে এ মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। টার্মিনাল আধুনিকায়ন, যন্ত্রপাতি হালনাগাদ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি ১৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ কোটি ডলার এককালীন অর্থ হিসেবে বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার কথা রয়েছে। এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল। বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪৪ শতাংশ এ টার্মিনালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। গত অর্থবছরে এখানে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো হয়েছে। নতুন চুক্তিতে বছরে ন্যূনতম ১২ লাখ ৩০ হাজার একক কনটেইনার পরিচালনার শর্ত রয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে অপারেটরের আর্থিক জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। আগের ব্যবস্থায় সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হতো। বন্দরের অবকাঠামো, জেটি ও যন্ত্রপাতির মালিকানা এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব মূলত বন্দর কর্তৃপক্ষের হাতে থাকত। নতুন ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে টার্মিনাল পরিচালনা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে টার্মিনালের মালিকানা থাকছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাতে।

পাকিস্তান সৌদি তুরস্কের দীর্ঘ সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা চুক্তি

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন ভূমিকা ও ক্ষেত্রে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী।বুধবার সিএনএনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।আইএসপিআর মহাপরিচালক বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক রাজনৈতিক সামরিক ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে রিয়াদে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির এক জরুরি বৈঠকে তিন দেশ সম্মিলিত প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সম্মত সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা আরও পড়ুন,হরমুজ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ট্যাঙ্কারে হামলাসৌদি আরবে দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হয়।পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিজ নিজ দেশের আইন ও অনুমোদিত ব্যবস্থার আওতায় সামরিক প্রস্তুতি সমন্বয় এবং সক্ষমতা বাড়াতেই এই সেনা মোতায়েন করা হবে।চলতি বছরের আগস্টে পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির অন্যতম শর্ত হলো, সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।এই চুক্তির পর সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় পাকিস্তানের সামরিক ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

পাকিস্তান সৌদি তুরস্কের দীর্ঘ সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা চুক্তি

অক্টোবরে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামী অক্টোবরেই হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং অক্টোবরেই চুক্তি সম্পন্ন করার আশা করা হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ে উড়োজাহাজ পাওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকায় বিভিন্ন বিকল্প ব্যবস্থাও বিবেচনা করছে সরকার।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি উড়োজাহাজের কার্যক্ষমতা নিয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক বছরে বহরের পুরোনো উড়োজাহাজগুলো প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন দেখা দেবে। এ কারণে বহর বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। আগের ১৪টি বোয়িংয়ের চুক্তির সঙ্গে নতুন ১১টি যুক্ত হওয়ায় বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে।আড়ও পড়ুন,চাঁদাবাজি ঠেকাতে মোড়ে মোড়ে দানবাক্স চান হাসনাত ও পাটওয়ারীচুক্তি অনুযায়ী বোয়িংয়ের নতুন উড়োজাহাজগুলো একসঙ্গে দেশে আসবে না। প্রথম উড়োজাহাজ ২০৩১ সালে আসার কথা রয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে। নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহরের সক্ষমতা বাড়াতে লিজের মাধ্যমেও অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, বহরে উড়োজাহাজ বাড়ানো গেলে বর্তমানে পরিচালিত ফ্লাইটের পাশাপাশি আরও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন গন্তব্যে বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া নিউইয়র্কে পুনরায় ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে। সিডনি রুট চালুর পরিকল্পনার পাশাপাশি জাপানে বর্তমানে চালু থাকা ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে কোনো চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো চাপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। দেশের প্রয়োজন, ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো এবং এভিয়েশন খাতের স্বার্থ বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

অক্টোবরে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি

মেসির বিদায়ের আগেই স্কালোনির চুক্তি নবায়নে আলোচনা

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। চলতি আন্তর্জাতিক সূচিতে তিনটি ম্যাচ খেলবে আলবিসেলেস্তেরা। তবে এই সিরিজের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ। ৬ অক্টোবর বুয়েন্স আয়ার্সের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামবেন মেসি।মেসির বিদায়ের আবহের মধ্যেই আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য এসেছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর স্কালোনি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনার সঙ্গে চুক্তি নবায়নের বিষয়ে তাঁর সম্মতির খবর পাওয়া গেছে।আড়ও পড়ুন,অভিযোগের পর এসেক্সের হয়ে আর মাঠে নামেননি রবিনআর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাদের আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া ও কোচ লিওনেল স্কালোনির একটি ছবি প্রকাশ করে জানিয়েছে তাদের মধ্যে চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নতুন চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকা পর্যন্ত হতে পারে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি বাড়ানোর সুযোগও রাখা হতে পারে। তবে এখনো চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি।স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয় করে। এর আগে ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকাতেও শিরোপা জেতে দলটি। ফলে তাঁর অধীনে আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যই চুক্তি নবায়নের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।এদিকে মেসির জাতীয় দল থেকে বিদায়ের পর আর্জেন্টিনা দলে নতুন প্রজন্মকে আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও সামনে আসছে। ফলে মেসির শেষ ম্যাচের পাশাপাশি স্কালোনির ভবিষ্যৎ নিয়েও ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে।চুক্তি নবায়নের আলোচনা সফল হলে মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনা দলকেও স্কালোনির নেতৃত্বেই নতুন করে সাজানোর সুযোগ তৈরি হবে।

মেসির বিদায়ের আগেই স্কালোনির চুক্তি নবায়নে আলোচনা