শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ই-টিন থাকলেই সবার ৫ হাজার টাকা জরিমানা নয়: এনবিআর

ই-টিন থাকলেই সবার ৫ হাজার টাকা জরিমানা নয়: এনবিআর

ই-টিন (e-TIN) থাকা সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে সবার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আয়কর আইন, ২০২৩ ও এনবিআরের নিয়ম অনুযায়ী সবার ক্ষেত্রে একই অঙ্কের বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা আরোপের কোনো বিধান নেই। মূলত বিভিন্ন প্রয়োজনে ই-টিন নেওয়ার পর পরবর্তীতে আয় করমুক্ত সীমার নিচে নেমে গেলেও নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির করদাতার ক্ষেত্রে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক থাকে। আইন অনুযায়ী, বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলে, আগের বছরগুলোতে করযোগ্য আয় থাকলে, কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক, অংশীদার, সরকারি চাকরিজীবী এবং সুনির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে ই-টিনধারীদের রিটার্ন দাখিল করতে হয়। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৬(১) অনুযায়ী, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে উপকর কমিশনার জরিমানা করতে পারেন। তবে এই জরিমানার পরিমাণ সবার জন্য এক নয়। আরও পড়ুন,২০২৭ সালজুড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপের শঙ্কাআগে আয় নিরূপণ হয়নি এমন নতুন করদাতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা হতে পারে ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, পূর্বে আয় নিরূপিত হয়ে থাকলে সর্বশেষ করের ৫০ শতাংশ অথবা ১ হাজার টাকা এর মধ্যে যেটি বেশি, সেটিই সর্বোচ্চ জরিমানার সীমা। পাশাপাশি ন্যূনতম জরিমানা ১ হাজার টাকা হতে পারে এবং ব্যর্থতা চলমান থাকলে প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। সাধারণত স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর নির্ধারিত থাকে। যাদের শুধু ই-টিন আছে কিন্তু কোনো আয় নেই বা করযোগ্য নয়, তারা প্রথমে যাচাই করে দেখবেন তাদের জন্য রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক কি না। ভবিষ্যতে আর রিটার্ন দেওয়ার প্রয়োজন না হলে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। এছাড়া এনবিআরের অফিশিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টালের (etaxnbr.gov.bd) মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইনে অতীতে রিটার্ন জমার অবস্থা যাচাই করা সম্ভব। অপ্রমাণিত তথ্যে আতঙ্কিত না হয়ে করদাতাদের নিজ নিজ কর-সংক্রান্ত অবস্থা যাচাই করে আইনসম্মত উপায়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চার ওভার পিছিয়ে ভারত জরিমানা ২০ শতাংশ

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানার মুখে পড়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। নিউ চন্ডিগড়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারায় ভারতের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ভারত চার ওভার কম বল করেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পিছিয়ে ছিল দুই ওভার। অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে দুই দলের জন্য ভিন্ন অঙ্কের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে জরিমানার এই ঘটনা ম্যাচের উত্তেজনাকে ছাপিয়ে যায়নি। সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।আরও পড়ুন,মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেট শেষ ম্যাচে অবশ্য দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় ক্যারিবীয় দল।ভারতের দেওয়া ৩৫১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শাই হোপের ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে পাঁচ উইকেটের জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর মধ্য দিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচটি নিজেদের করে নেয় তারা।তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভারত সিরিজ নিশ্চিত করেছিল। শেষ ম্যাচে জয় পেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।আগামী ৬ অক্টোবর লখনউতে শুরু হবে দুই দলের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডেতে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অন্যদিকে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবে ভারত।

 চার ওভার পিছিয়ে ভারত জরিমানা ২০ শতাংশ