শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে শঙ্কা

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে শঙ্কা

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলীয় জলপথে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তেহরানের অনুমোদিত রুটের বাইরে বা অননুমোদিত জলপথ ব্যবহার করতে গিয়ে তেলবাহী ট্যাংকারগুলো সামুদ্রিক মাইনে আঘাত হেনে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানি সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাতে আইআরআইবি জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ট্যাংকার সামুদ্রিক মাইনের সংস্পর্শে আসার পর একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।আরও পড়ুন,নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে বিচার ব্যবস্থায় লিঙ্গ-সংবেদনশীলতা জরুরিতবে বিস্ফোরণে কতটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোর মালিকানা কী কিংবা কোনো হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তাৎক্ষণিকভাবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই বিস্ফোরণের এই খবর সামনে এসেছে। এর আগে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে তেহরানের অনুমোদিত নিরাপদ রুট ছাড়া বিকল্প বা অননুমোদিত জলপথ ব্যবহার না করার জন্য প্রণালিটি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে সতর্ক করা হয়েছিল। হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে তেল পরিবহন ও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিস্ফোরণের খবরের পর আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

দুই বছর পর পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে চীনা জাহাজ

দুই বছর বিরতির পর পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে ভিড়েছে চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘ফান ঝউ-৬’। বুধবার সকাল ১০টার দিকে বন্দরের জন্য কেনা পাঁচটি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট নিয়ে জাহাজটি সরাসরি টার্মিনালে নোঙর করে।পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালের জন্য আনা পাঁচটি ইকুইপমেন্টের মধ্যে রয়েছে ৮০ টন ধারণক্ষমতার দুটি এসটিএস শিপ-টু-শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন, ৪০ টন ধারণক্ষমতার দুটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি ক্রেন এবং ৮০ টন ধারণক্ষমতার একটি মোবাইল হারবার ক্রেন।জাহাজটি গত ১৮ সেপ্টেম্বর চীনের পিংতান বন্দর থেকে এসব সরঞ্জাম নিয়ে পায়রা বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পায়রা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের উপপরিচালক ও মিডিয়া উইংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান জানান, আরও পড়ুন,৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাল্টা করভার ১২১ শতাংশক্রেনগুলো সংযোজন করা হলে কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সময় কমবে। একই সঙ্গে বন্দরের অপারেশন সক্ষমতা বাড়বে এবং দ্রুত জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করা সম্ভব হবে।বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাবনাবাদ চ্যানেলের নাব্যতা সংকট মোকাবিলায় ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি পায়রা বন্দরকে ডিজিটালাইজড বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সৈয়দ সাইফ উল ইসলাম বলেন, পায়রা বন্দর ব্যবহারের ফলে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি আমদানি ব্যয় কমবে। একই সঙ্গে যানজট ছাড়াই ব্যবসায়ীরা দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারবেন। এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ মে ৫০ হাজার টন পাথর নিয়ে এমভি জেইন এবং একই বছরের ১ নভেম্বর ৪৮ হাজার টন পাথর নিয়ে এমভি ডা হং-১৬ পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে সরাসরি পণ্য খালাস করেছিল।

দুই বছর পর পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে চীনা  জাহাজ