শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
নিরাপত্তার কারণে স্থগিত মুর্তজা কিজিলবাশের ঢাকার কনসার্ট

নিরাপত্তার কারণে স্থগিত মুর্তজা কিজিলবাশের ঢাকার কনসার্ট

পাকিস্তানি তরুণ সংগীতশিল্পী মুর্তজা কিজিলবাশের গান শুনতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন ঢাকার সংগীতপ্রেমীরা। একই মঞ্চে বাংলাদেশের জনপ্রিয় পপতারকা হাবিব ওয়াহিদেরও গান পরিবেশনের কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত আন্তর্জাতিক শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ‘ঢাকা বিটস’ এবং ‘সেন্স ইট বাই লেটস ভাইব’ যৌথভাবে আয়োজন করছিল অনুষ্ঠানটি। মুর্তজা কিজিলবাশের ক্যারিয়ারে এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক একক কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল। দুই দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে কনসার্ট এই কনসার্ট।‘সেন্স ইট উইথ মুর্তজা কিজিলবাশ’ শিরোনামের মেগা ইভেন্টটি আগামী শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ‘ঢাকা বিটস’ এবং ‘সেন্স ইট বাই লেটস ভাইব’ যৌথভাবে আয়োজন করছিল অনুষ্ঠানটি। মুর্তজা কিজিলবাশের ক্যারিয়ারে এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক একক কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল। দুই দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে কনসার্টটিকে ঘিরে বিশেষ আয়োজনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিল আয়োজকরা।তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার কারণে শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জরুরি বিবৃতি দিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ঢাকা বিট করতে আয়োজক দলের সদস্যরা দিনরাত কাজ করেছেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যস’।আড়ও পড়ুন,রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন জায়েদ খানবিবৃতিতে আয়োজকরা জানায়, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য গত কয়েক সপ্তাহে প্রয়োজনীয় সরকারি ও প্রশাসনিক ছাড়পত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। পাশাপাশি অনুষ্ঠান সফল করতে আয়োজক দলের সদস্যরা দিনরাত কাজ করেছেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ২৫ সেপ্টেম্বরের আয়োজনটি স্থগিত করতে তারা বাধ্য হয়েছেন।কনসার্ট স্থগিত হওয়ায় দর্শকদের টিকিট নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি না হয় সে বিষয়েও পরিষ্কার তথ্য দিয়েছে আয়োজকরা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই কনসার্টের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। আগে কেনা টিকিট নতুন তারিখেও সম্পূর্ণ কার্যকর থাকবে। ফলে নতুন তারিখে যারা কনসার্টে যেতে চান তাদের নতুন করে টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না।

মামদানির সঙ্গে বৈঠকে আবাসন অভিবাসন ও নিরাপত্তা

নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনে প্রায় ৪৫ বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ। সোমবার সেখানে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে সাশ্রয়ী আবাসন অভিবাসন এবং নিউইয়র্কবাসীর নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, তিনি আশা করেন মামদানি একজন ‘দারুণ মেয়র’ হবেন। নিউইয়র্কের জন্য যা ভালো সেটিই তিনি চান বলেও সাশ্রয়ী আবাসন অভিবাসন এবং শহরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তাসহ বিস্তৃত পরিসরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।ট্রাম্প ও মামদানির রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প ও তাঁর রিপাবলিকান মিত্ররা মামদানির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে মামদানিও বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে আসছেন।তবে গ্রেসি ম্যানশনের বৈঠকে সেই রাজনৈতিক বিরোধের তুলনায় নিউইয়র্কের বাস্তব সমস্যা নিয়ে আলোচনাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।মামদানি জানান, সাশ্রয়ী আবাসন অভিবাসন এবং শহরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তাসহ বিস্তৃত পরিসরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কিকুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ডে নতুন আবাসন নির্মাণের বিষয়েও দুই পক্ষের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি।অভিবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় তুলে ধরেন মামদানি। বিশেষ করে নিউইয়র্কের হাইতিয়ান সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং শহরের অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোতে অভিবাসীদের ভূমিকার কথা তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলেকে ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান নিউইয়র্কের তৎকালীন মেয়র এড কোচের সঙ্গে বৈঠক করতে জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সোমবারের বৈঠকে আব ধরেন।এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও নিজের অবস্থান জানান মামদানি। নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে সংবাদমাধ্যমের সব সদস্যকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে থাকার কথা বলেন তিনি।বৈঠক শেষে দুই নেতার আচরণেও সৌহার্দ্যের পরিবেশ দেখা যায়। মামদানি বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং পরে তাঁর বাহুতে হাত রাখেন।গ্রেসি ম্যানশনে ট্রাম্পের এই সফরকে ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান নিউইয়র্কের তৎকালীন মেয়র এড কোচের সঙ্গে বৈঠক করতে সেখানে গিয়েছিলেন। এরপর ৪৫ বছরে আর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই সরকারি বাসভবনে সফর করেননি।৩৪ বছর বয়সী জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সোমবারের বৈঠকে আবাসন অভিবাসন ও নিরাপত্তার মতো ইস্যুতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টিই সামনে এসেছে।

মামদানির সঙ্গে বৈঠকে আবাসন অভিবাসন ও নিরাপত্তা

শিক্ষার মানের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ

শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাকেও বিদ্যালয়ের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।শিশুদের নিরাপত্তা, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেফগার্ডিং লিডারশিপ সামিট ২০২৬।রোববার ঢাকার লো মেরিডিয়ান হোটেলে হেইলিবারি ভালুকা ও কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে কাজ করা পেশাজীবীরা সম্মেলনে অংশ নেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।সম্মেলনের শুরুতে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা বলেন, বিদ্যালয়ের উৎকর্ষের ধারণাকে শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।আড়ও পড়ুন,চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশপ্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত মান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।সম্মেলনে বিদ্যালয় নেতৃত্বের ভূমিকা এবং শিশু সুরক্ষার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।আলোচনায় শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিকর শৃঙ্খলাবিধান, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া, অভিযোগ জানাতে অনীহা এবং কর্তৃত্বকে প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতার বিষয় উঠে আসে।আলোচকরা বলেন, শুধু নীতিমালা তৈরি করলেই শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন স্পষ্ট দায়িত্ব বণ্টন, নিরাপদে অভিযোগ জানানোর পরিবেশ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থার ধারাবাহিক পর্যালোচনা।সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়প্রধানদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।আয়োজকদের মতে, শিশু সুরক্ষা কোনো একক ব্যক্তি বা একটি নীতিমালার বিষয় নয়। বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত দায়িত্ববোধের মাধ্যমেই নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

শিক্ষার মানের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ