রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিয়াম নামে ১৯ বছর বয়সী আরও একজনকে আটক করে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সাইফুল ইসলাম তুহিন অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে যায়।পরে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর ফুটেজে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে ওই এলাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ আরও জানায়, তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুলকেও হেফাজতে নেয় পুলিশ।তুহিনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।আড়ও পড়ুন,সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবিপ্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ভাষ্য, বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নির্জন বনে অপ্রতীমের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।এতে অপ্রতীম বাধা দিলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতীমের মাথায় আঘাত করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন মোবাইল ফোন নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলের সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।তবে ফাহাদ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগত কারণে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।পাশাপাশি সিয়ামের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই চলছে।ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পৃথক ঘটনায় এক কলেজছাত্রী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার সকালে উপজেলার উনিশিয়া গ্রামের বাড়ির পেছন থেকে শরিফা ইসলাম নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সকালে পৌর এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় মিরাজুল ইসলাম খলিফা নামে এক যুবকের মরদেহ।দুই ঘটনায়ই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার উনিশিয়া গ্রাম।শনিবার সকালে বাড়ির পেছনে একটি গাছ থেকে ২০ বছর বয়সী কলেজছাত্রী শরিফা ইসলামের মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।পরে তাঁকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শরিফা কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের স্নাতক সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।পরিবারের ভাষ্য, চলতি মাসের ২৮ তারিখ থেকে তাঁর দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কলেজের বাইরের দৃশ্য, গ্রামের রাস্তা ও পুলিশের কার্যক্রম।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরিফার পড়ার টেবিলে মা-বাবার উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে পরীক্ষা ও ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে পরিবার।এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যুমৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত করছে।অন্যদিকে একই উপজেলার পৌর এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৪ বছর বয়সী মিরাজুল ইসলাম খলিফার মরদেহ।পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুরে মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রাতে আর ফেরেননি মিরাজুল।শনিবার সকালে বাড়ির পাশের পুকুরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মিরাজুল মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ কারণে পারিবারিকভাবে নানা সমস্যাও চলছিল।প্রায় এক বছর আগে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। তাঁদের দুই সন্তান বর্তমানে মায়ের কাছে রয়েছে।তবে পুকুরে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।কোটালীপাড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, মিরাজুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।অন্যদিকে শরিফা ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। দুই ঘটনাই তদন্ত করছে পুলিশ।

কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেসের নিজ কক্ষ থেকে অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।অনিক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেট জেলায়।মেসের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার থেকেই অনিকের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাতে এক সহপাঠী ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে মেসে গিয়ে তাঁর খোঁজ নিতে বলেন।পরে কক্ষের দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে অনিককে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।আড়ও পড়ুন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৭ মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ডতবে তাঁর মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সহপাঠীদের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত হতাশার কথা বললেও, এটি তাদের ধারণা মাত্র। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষক সুবাস পাল।তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনেরা আসার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।এদিকে বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ