শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
রাউজানে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাহারায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের দাফন

রাউজানে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাহারায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের দাফন

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে চট্টগ্রামের রাউজানে। পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই তাঁর শেষবিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। জানাজা ও দাফনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে রাউজানের গহিরায় রোটনের নিজ বাড়ির উঠানে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গহিরার বক্স আলী চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল। জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে রোটনের মরদেহবাহী গাড়ি গহিরার বক্স আলী চৌধুরী বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় বিএনপির নেতারা মরদেহ গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে গভীর রাত থেকেই গহিরা ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। জানাজা ও দাফনের সময়ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা সক্রিয় ছিলেন। আরও পড়ুন,দেশে হত্যা-ধর্ষণ-ছিনতাই রোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি মামুনুল হকেরদাফনের কাজ তদারককারী প্রতিবেশী ও গহিরা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জুয়েল চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হলেও মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মানুষ হিসেবে ভালো ছিলেন। তিনি দেশের বড় মাপের রাজনীতিবিদ ছিলেন বলেও মন্তব্য করেন জুয়েল। রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জানাজায় অংশ নেন বলে জানান তিনি।  উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান কাজল বলেন, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর ভাষ্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক বিবেচনায় তাঁরা সাবেক ছাত্রলীগ নেতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেছেন। রাউজান উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহাজান সাহিল বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় রোটনের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাত মির্জা জানান, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁরা ঘরছাড়া ছিলেন এবং তাঁদের নেতা-কর্মীদের দাফন নিয়েও সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ রয়েছে। তবে মানবিক বিবেচনায় রোটনের শেষযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন।

পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলেনি, তারপরও গুলি করা হয় তাইমকে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় শিক্ষার্থী ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের যুক্তিতর্কে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ করেছে, পুলিশের গুলিতে তাইম নিহত হওয়ার সময় কেউ পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলেননি। এরপরও তাঁকে গুলি করা হয়। এমনকি তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করা এক ব্যক্তিকেও গুলি করার অভিযোগ তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার, ১২ অক্টোবর, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির যুক্তিতর্ক শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, তাইমকে উদ্ধারের চেষ্টা করা ব্যক্তিকেও পুলিশ গুলি করে। পরে প্রাণভয়ে ওই ব্যক্তি তাইমকে ঘটনাস্থলে রেখেই দৌড়ে চলে যান। এ মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার মো. ইকবাল হোসাইনের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আরও পড়ুন,প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের আট মন্দিরের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়যুক্তিতর্ক চলাকালে ট্রাইব্যুনালে একটি ভিডিও দেখানো হয়। সেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে একটি ভিডিও দেখানোর সময় ইকবাল হোসাইনকে বলতে শোনা যায়, ‘গুলি করি, মরে একটা, বাকিডি যায় না।’ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই বক্তব্য থেকে সে সময় হত্যাকাণ্ড চলার বিষয়টি সম্পর্কে ইকবালের অবগত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড বন্ধে উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগও তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। ইমাম হাসান তাইম রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের উপপরিদর্শক মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা পদচারী-সেতুর কাছে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। নারায়ণগঞ্জের সরকারি আদমজীনগর এমডব্লিউ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। মামলার ১১ আসামির মধ্যে নয়জন পলাতক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা। অন্য দুই আসামি, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং সাবেক উপপরিদর্শক মো. শাহদাত আলী কারাগারে রয়েছেন। সোমবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ২৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলেনি, তারপরও গুলি করা হয় তাইমকে

ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে’, পুলিশের বিরুদ্ধে সরব জেইন মেরি

ভারতের মুম্বাইয়ে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর শরীরে আঘাতের দাগের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন অভিনেতা আমির খানের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে জেইন মেরি। মুক্তি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। গত শনিবার মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন জেইন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ইমরান খান ও অভিনেত্রী লেখা ওয়াশিংটন। সেখান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে জেইনের হাত, আঙুল ও পায়ে আঘাতের দাগ দেখা যায়। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের এতটা ভয় দেখিয়ো না, যাতে ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে।’ ভিডিওটির ক্যাপশনে জেইন লেখেন, ‘ইন্টারনেটে রাষ্ট্রের মুখোশ খুলে দিচ্ছে সে।’ তাঁর এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আটকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন অভিনেতা ইমরান খানও।আরও পড়ুন,মহালয়ার সেই বিতর্কিত অধ্যায়, কেন উত্তমকুমারের কণ্ঠে মন ভরেনি বাঙালিরতিনি জানান, কেন তাঁদের আটক করা হয়েছিল, তা বুঝতে পারেননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ তাঁদের রাস্তা থেকে তুলে একটি ভ্যানে উঠতে বলে। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ভ্যানে ঘোরানোর পর একটি অজ্ঞাত স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনেক ভোটারের নাম বাদ পড়া এবং তালিকায় কারসাজির অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার পথেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের ভাষ্য, বোম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগস্ট ক্রান্তি ময়দান বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছিল। এদিকে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। সেখানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং তাঁর দুই সহযোগীকেও আটক করার খবর পাওয়া গেছে। ওই আন্দোলন ঘিরে বিরোধী রাজনীতিক, সাংবাদিক ও আইনজীবীসহ দুই হাজারের বেশি মানুষকে আটকের খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে’, পুলিশের বিরুদ্ধে সরব জেইন মেরি

নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের অভিযান, কেজরিওয়ালসহ এএপির একাধিক নেতা আটক

ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় দলটির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাকেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার ১০ অক্টোবর দিল্লির লোধি এস্টেটে নিজ বাড়ির সামনে থেকে কেজরিওয়ালকে আটক করা হয়। একটি বাসের ভেতর থেকে ভিডিও প্রকাশ করে কেজরিওয়াল জানান, তিনি এবং আম আদমি পার্টির অন্য নেতারা দিল্লি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। এ সময় বাসে থাকা বিক্ষোভকারীদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। এর আগে, যন্তর মন্তরে নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিতে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচির আহ্বান জানিয়েছিলেন কেজরিওয়াল। আরও পড়ুন,সোয়াবি ইন্টারচেঞ্জে পিটিআইয়ের সমাবেশ, হুঁশিয়ারি শাহবাজ সরকারেরসেই আহ্বানের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, বিক্ষোভ দমনে পুলিশের অভিযানের সময় কেজরিওয়ালকে পুলিশ সদস্যরা হেনস্তা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে আম আদমি পার্টি। দলটির দাবি, গুজরাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গোপাল রাই, সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জয় সিং ও দুর্গেশ পাঠকসহ একাধিক শীর্ষ নেতাকেও আটক করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন কিংবা পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় বিস্তারিত বক্তব্যের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও আটক হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিক্ষোভ, আটক এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা দিতে পারে।

নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের অভিযান, কেজরিওয়ালসহ এএপির একাধিক নেতা আটক

প্রতিনিধি সভা চলাকালে জাসদ কার্যালয় থেকে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ২৭ জনের মধ্যে ২৪ জন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁরা মুক্তি পান। জাসদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাকি তিনজনের মধ্যে একজনের বাবার নামের বানানে ভুল থাকায় জামিন পাওয়ার পরও তিনি বৃহস্পতিবার মুক্তি পাননি। তিনি জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে থাকা একটি দোকানের কর্মচারীর বাবা বলে জানানো হয়েছে। অন্য দুই নেতার জামিন আবেদনের শুনানি আগামী ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আরও পড়ুন,জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন রাশেদ খাঁনএর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলিস্তানে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে ২৮৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পুলিশের অভিযোগ, জাসদ কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে ঘটনাটি নিয়ে জাসদের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল। দলটির দাবি, ঢাকা মহানগর পুলিশের অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এতে সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৪০০ নেতাকর্মী অংশ নেন। জাসদের বক্তব্য অনুযায়ী, সভা চলাকালে একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে হামলা চালান। পরে পুলিশ কার্যালয় ঘেরাও করে নেতাকর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়। ওই রাতেই যাচাই-বাছাই শেষে আটক ব্যক্তিদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রতিনিধি সভা চলাকালে জাসদ কার্যালয় থেকে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ

টাকার বিনিময়ে পিচ্চি রাজাকে পালানোর সুযোগ দেয় পুলিশ

আদালত থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার পথে হাজতি পিচ্চি রাজা পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাননি। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, প্রিজন ভ্যানের তালা খুলে তাকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে কোনাবাড়ী এলাকায় পালানোর নাটক সাজানো হয় বলে জানিয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ। সোমবার গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদরদপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জিএমপি কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার। তিনি বলেন, টাকার বিনিময়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে পিচ্চি রাজাকে পালানোর সুযোগ করে দেওয়ার তথ্য তদন্তে পাওয়া গেছে। পুলিশ কমিশনার জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে ২৯ জন আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হচ্ছিল। পথে কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল এলাকার পশ্চিমে পিচ্চি রাজা পালিয়ে যান বলে প্রথমে জানানো হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ২২৪ ধারায় মামলা করা হয় এবং তদন্তভার দেওয়া হয় জিএমপির ডিবি দক্ষিণ বিভাগকে। ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এসআই প্রবীর কুমার, কনস্টেবল জাকির হোসেন, সাকিব, শাকিল হোসেন এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।আরও পড়ুন,ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্ট সদস্যের সাক্ষাৎ তদন্তে সাক্ষ্য, আলামত ও বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, আদালত থেকে ফেরার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রিজনভ্যান থামানো হয়। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার চালকের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা ও আরেক হাজতি খাইরুল বাশারকে নামান। খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনে রাখা হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর ভ্যানে ওঠেননি। পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, আগে থেকেই অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে পিচ্চি রাজাকে তুলে দেওয়া হয়। এরপর কোনাবাড়ী এলাকায় তার পালানোর ঘটনা ঘটেছে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। তদন্তের ভিত্তিতে পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা, এসআই প্রবীর কুমার এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কামাল হোসেনের বাড়ি থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে জিএমপি।

টাকার বিনিময়ে পিচ্চি রাজাকে পালানোর সুযোগ দেয় পুলিশ

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিয়াম নামে ১৯ বছর বয়সী আরও একজনকে আটক করে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সাইফুল ইসলাম তুহিন অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে যায়।পরে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর ফুটেজে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে ওই এলাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ আরও জানায়, তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুলকেও হেফাজতে নেয় পুলিশ।তুহিনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।আড়ও পড়ুন,সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবিপ্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ভাষ্য, বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নির্জন বনে অপ্রতীমের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।এতে অপ্রতীম বাধা দিলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতীমের মাথায় আঘাত করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন মোবাইল ফোন নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলের সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।তবে ফাহাদ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগত কারণে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।পাশাপাশি সিয়ামের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই চলছে।ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পৃথক ঘটনায় এক কলেজছাত্রী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার সকালে উপজেলার উনিশিয়া গ্রামের বাড়ির পেছন থেকে শরিফা ইসলাম নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সকালে পৌর এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় মিরাজুল ইসলাম খলিফা নামে এক যুবকের মরদেহ।দুই ঘটনায়ই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার উনিশিয়া গ্রাম।শনিবার সকালে বাড়ির পেছনে একটি গাছ থেকে ২০ বছর বয়সী কলেজছাত্রী শরিফা ইসলামের মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।পরে তাঁকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শরিফা কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের স্নাতক সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।পরিবারের ভাষ্য, চলতি মাসের ২৮ তারিখ থেকে তাঁর দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কলেজের বাইরের দৃশ্য, গ্রামের রাস্তা ও পুলিশের কার্যক্রম।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরিফার পড়ার টেবিলে মা-বাবার উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে পরীক্ষা ও ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে পরিবার।এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যুমৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত করছে।অন্যদিকে একই উপজেলার পৌর এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৪ বছর বয়সী মিরাজুল ইসলাম খলিফার মরদেহ।পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুরে মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রাতে আর ফেরেননি মিরাজুল।শনিবার সকালে বাড়ির পাশের পুকুরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মিরাজুল মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ কারণে পারিবারিকভাবে নানা সমস্যাও চলছিল।প্রায় এক বছর আগে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। তাঁদের দুই সন্তান বর্তমানে মায়ের কাছে রয়েছে।তবে পুকুরে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।কোটালীপাড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, মিরাজুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।অন্যদিকে শরিফা ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। দুই ঘটনাই তদন্ত করছে পুলিশ।

কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেসের নিজ কক্ষ থেকে অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।অনিক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেট জেলায়।মেসের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার থেকেই অনিকের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাতে এক সহপাঠী ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে মেসে গিয়ে তাঁর খোঁজ নিতে বলেন।পরে কক্ষের দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে অনিককে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।আড়ও পড়ুন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৭ মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ডতবে তাঁর মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সহপাঠীদের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত হতাশার কথা বললেও, এটি তাদের ধারণা মাত্র। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষক সুবাস পাল।তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনেরা আসার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।এদিকে বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ