বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ফ্লাইট বাতিলে ভোগান্তিতে ১৭ হাজার যাত্রী

ফ্লাইট বাতিলে ভোগান্তিতে ১৭ হাজার যাত্রী

হুতিদের হামলার কারণে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে বিধিনিষেধ আরোপের প্রভাবে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মোট ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৫০টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৬৪টি। শনিবার ১৭ অক্টোবর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বা বেবিচকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বেবিচকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্ডিগোর ২২টি ফ্লাইট। এ ছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের ৭টি, আরও পড়ুন,পাঁচ দিন পর কমতে পারে সারাদেশের তাপমাত্রাফ্লাই দুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৫টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সৌদি আরবগামী হাজারো যাত্রী অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অনেকের ভ্রমণ পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে কাজ করছে বেবিচক। সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ফ্লাইটের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আকাশপথে ভ্রমণে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদির ফ্লাইটে বিঘ্ন ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০৩টি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, আবার কিছু ফ্লাইটের যাত্রা স্থগিত রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার বেলা দুইটায় প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেবিচক। সংস্থাটির তথ্যমতে, বিঘ্নের মুখে পড়া ১০৩টি ফ্লাইটের মধ্যে ৪২টি সরাসরি এবং ৬১টি ট্রানজিট ফ্লাইট। বেবিচকের আগের দিনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ১০০টি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটেছিল। তখন ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৩৯৩। নতুন তথ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে ১০৩টি এবং যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ১৫ হাজার ৭৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৮টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট চলাচলে প্রভাব পড়েছে। আরোও পড়ুন,সুদ জরিমানা ছাড়াই ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্নঅন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৩টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট বিঘ্নের শিকার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং সৌদি আরবে হামলার ঘটনার মধ্যে ফ্লাইট চলাচলে এই বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার পর সৌদিগামী ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। অন্যদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও রিয়াদগামী কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বা বাতিল হলে আগাম তথ্য সংগ্রহ করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি কিছুটা এড়ানো সম্ভব।

সৌদির ফ্লাইটে বিঘ্ন ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে

কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি, উদ্বোধন নভেম্বরে

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময় পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। উদ্বোধনের তারিখ চূড়ান্ত হলে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে এর কার্যক্রম চালুর আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে নেওয়া হবে। সোমবার, ১২ অক্টোবর, সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে আয়োজিত এক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধনের জন্য তাঁর সময় পাওয়া যাবে। আরও পড়ুন,পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলেনি, তারপরও গুলি করা হয় তাইমকেউদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাবেন এবং ২৯ অক্টোবর দেশে ফিরবেন। এরপর তাঁর সময়সূচি বিবেচনায় নিয়ে উদ্বোধনের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে কোন কোন এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য গন্তব্য নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইনসের কান্ট্রি হেডরা এ-সংক্রান্ত সভায় উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সম্ভাব্য গন্তব্য ঠিক করা হবে। কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে এর কার্যক্রম শুরু হলে বিদেশি পর্যটকদের সরাসরি যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি পর্যটন, হোটেল ব্যবসা, পরিবহন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।তবে কক্সবাজার থেকে কোন কোন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালিত হবে এবং কবে থেকে নিয়মিত যাত্রীবাহী ফ্লাইট শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।

কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি, উদ্বোধন নভেম্বরে

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর বহু ফ্লাইট বাতিলের খবর

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয়বারের মতো হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা। হামলায় সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি বাণিজ্যিক বিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। এ ঘটনার পর রিয়াদগামী কয়েকটি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের এ ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই। এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন হামলার খবর আসে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত অন্তত তিনজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টার্মিনালের কাছে পার্ক করা সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি বাণিজ্যিক বিমানে আগুন ধরে যায়। তাদের ধারণা,আরও পড়ুন,ইরান নিয়ে সামরিক পদক্ষেপে বিরতির ঘোষণা ট্রাম্পেরক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ অথবা অন্য কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। আগুন লাগার সময় বিমানটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিমানবন্দর এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া ও আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলোর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাত্রীদের ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বলা হয়। পাশাপাশি সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়। একই সময়ে রিয়াদের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে খবর পাওয়া যায়। কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এদিকে এভিয়েশন বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত রিয়াদ বিমানবন্দরের প্রায় অর্ধেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে শুক্রবার আরও ৩১টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কথা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর বহু ফ্লাইট বাতিলের খবর

পাকিস্তানের আকাশ এড়িয়ে চীনের হোটান আকাশপথ ব্যবহারের আলোচনা, ইউরোপগামী ফ্লাইটে নতুন সম্ভাবনা

পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ইউরোপগামী ভারতীয় উড়োজাহাজগুলোকে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপথে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে ফ্লাইটের সময় ও জ্বালানি ব্যয় দুটোই বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পথ হিসেবে চীনের সিনকিয়াং অঞ্চলের হোটান এলাকার আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে ভারত।  ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী রাম মোহন নাইডু জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার পর ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক দিন পর ভারতও পাকিস্তানের উড়োজাহাজের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকেই ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোকে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বিকল্প দীর্ঘপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি থেকে ইস্তাম্বুল যেতে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করা না গেলে প্রায় ৭ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট সময় লাগতে পারে। অথচ পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করা গেলে একই যাত্রায় সময় প্রায় ৬ ঘণ্টা ৭ মিনিটে নেমে আসত। ফলে বিকল্প হিসেবে হোটানের আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়টি ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। আড়ও পড়ুন,নাশকতায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহঅতিরিক্ত জ্বালানি ও পরিচালন ব্যয়ের কারণে সংস্থাটির ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী কয়েকটি ফ্লাইটে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। হোটান হয়ে উড়োজাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়া গেলে সময় ও পরিচালন ব্যয় কমতে পারে বলে মনে করছে ভারতীয় বিমান খাত। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। হোটান চীনের সিনকিয়াং অঞ্চলে অবস্থিত, যা ভৌগোলিক ও নিরাপত্তাগত দিক থেকে চীনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত রুটে ভারতীয় বিমানকে লাদাখের দিক দিয়ে চীনা আকাশসীমায় প্রবেশ করে হোটান অতিক্রম করে মধ্য এশিয়ার দিকে যেতে হবে। এ ছাড়া অঞ্চলটির দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বিমানবন্দরের সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় নিতে হবে। ফলে বাণিজ্যিক সুবিধার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও আকাশসীমা ব্যবস্থাপনার বিষয়ও চীনের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মধ্যেই ভারত-চীন সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগও ধীরে ধীরে পুনরায় চালু হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতি হোটান আকাশপথ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছে। তবে এখন পর্যন্ত হোটান আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা কোন পর্যায়ে যায় এবং চীন ভারতীয় বিমানকে এই রুট ব্যবহারের অনুমতি দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

পাকিস্তানের আকাশ এড়িয়ে চীনের হোটান আকাশপথ ব্যবহারের আলোচনা, ইউরোপগামী ফ্লাইটে নতুন সম্ভাবনা

নিউইয়র্কের দুই বিমানবন্দরে সাময়িক ফ্লাইট বন্ধ

ফাইবার অপটিক লাইন কেটে যাওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এর ফলে নিউইয়র্ক ও ফিলাডেলফিয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়েছে।ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী গ্রিনিচ মান সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউইয়র্কের নেওয়ার্ক বিমানবন্দরে ১৬৮টি ফ্লাইট বাতিল এবং ৯৭টি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়। একই সময়ে ফিলাডেলফিয়া বিমানবন্দরে ৬৩টি ফ্লাইট বাতিল এবং ১৮৯টি ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে লাগার্ডিয়া ও ফিলাডেলফিয়া বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল আবার শুরু হয়। তবে নেওয়ার্ক ও জেএফকে বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়।কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী নিউ জার্সিতে অ্যামট্র্যাকের একটি নির্মাণ দল ভুলবশত ফাইবার লাইন কেটে ফেলায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হয়। আড়ও পড়ুন,চেয়ারের চেয়েও সরু গাড়ি, উঠল গিনেসের রেকর্ডেএর প্রভাবে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এফএএ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়।নতুন এয়ার ট্রাফিক প্রযুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এফএএ প্রধান ব্রায়ান বেডফোর্ড জানান সোমবারের এই বিপর্যয়ের পেছনে দুটি সমস্যা কাজ করেছে। প্রথমে প্রাথমিক টেলিযোগাযোগ লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। পরে পরীক্ষা করে দেখা যায় ব্যাকআপ ফাইবার লাইনটিও কেটে গেছে।বেডফোর্ড বলেন নির্মাণকাজের ভুলের কারণে ব্যাকআপ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক যোগাযোগ ব্যবস্থা দুপুরের মধ্যে সচল হওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাকআপ ফাইবার লাইন পুরোপুরি মেরামত করতে প্রায় ১৩ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।এ ঘটনায় বিমানযাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউইয়র্কের দুই বিমানবন্দরে সাময়িক ফ্লাইট বন্ধ