রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরান

আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরান

ম্যাকলমোরকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই গাজা ও ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান। ফিলাডেলফিয়ায় নিজের কনসার্টে শিরান বলেন, গাজায় যা ঘটছে তা ‘বিপর্যয়কর, অযৌক্তিক ও অসমানুপাতিক’। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলাকে তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন। ম্যাকলমোরকে তাঁর ‘লুপ ট্যুর’ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় দুঃখও প্রকাশ করেন শিরান।ফিলাডেলফিয়ার মঞ্চে এবার আর শুধু গান নয়—ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়েও কথা বললেন এড শিরান।তিনি বলেন, ক্যারিয়ারে নিজেকে কোনো রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে দেখতে চাননি। তাঁর কনসার্ট হওয়া উচিত ঐক্য ও মানবতার জায়গা। কিন্তু গাজার পরিস্থিতিকে তিনি একটি মানবিক সংকট হিসেবে দেখছেন এবং এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি আর গোপন রাখতে পারছেন না।আড়ও পড়ুন,তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনীএড শিরান: ‘গাজায় যা ঘটছে, তা বিপর্যয়কর ও অসমানুপাতিক’শিরান বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলা ছিল ভয়াবহ এবং তা ইহুদি জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের যন্ত্রণাকে আরও গভীর করেছে। একই সঙ্গে গাজায় বেসামরিক মানুষ ও শিশুদের প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলে জানান তিনি। পশ্চিম তীরে পদ্ধতিগত অবিচারের অভিযোগও উপেক্ষা করা যায় না বলে মন্তব্য করেন শিরান।

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি নিয়ে বিতর্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে আলোচনা ও সমালোচনা।এক পক্ষ পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জিন্নাহকে উপমহাদেশের মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে তুলে ধরছে। অন্য পক্ষ মনে করিয়ে দিচ্ছে তাঁর ১৯৪৮ সালের ঢাকা সফরের কথা। সে সময় তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাঁর সেই বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।পরবর্তীতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সালাম বরকত রফিক জব্বারসহ অনেকে জীবন উৎসর্গ করেন। দীর্ঘ আন্দোলনের পর পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায় বাংলা।জিন্নাহ ১৮৭৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর করাচিতে জন্মগ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে ব্যারিস্টার হন এবং পরে ভারতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি মুসলিম লীগের নেতৃত্ব দেন এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।আড়ও পড়ুন,মাগুরায় খাদ্য গুদামের সংস্কারকাজ বন্ধ কারিগরি মতামতের অপেক্ষা১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর দেশটির প্রথম গভর্নর জেনারেল হন তিনি।তবে দেশভাগের রাজনীতি ও জিন্নাহর ভূমিকা নিয়েও ইতিহাসবিদদের মধ্যে নানা বিশ্লেষণ রয়েছে। কেউ দেশভাগে তাঁর নেতৃত্বকে প্রধান হিসেবে দেখেন। আবার কেউ কংগ্রেসের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্রিটিশ নীতি এবং মুসলিম লীগের কৌশলসহ বিভিন্ন কারণকে দেশভাগের সম্মিলিত প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখেছেন।ডাকসু সংগ্রহশালা সংস্কারের পর সেখানে জিন্নাহর তিনটি ছবি রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ছাত্র ইউনিয়ন ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন বলছে ভাষা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিকভাবে জিন্নাহর ছবি সংগ্রহশালায় প্রদর্শন করা হয়েছে।এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।ফলে ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি রাখার সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিহাসের উপস্থাপন ও রাজনৈতিক বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে।

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি নিয়ে বিতর্ক

গণেশ চতুর্থীতে দিশার পোশাক ঘিরে তুমুল বিতর্ক

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে আম্বানি পরিবারের আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি। উৎসবের সাজে লাল লেহেঙ্গা পরে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন অভিনেত্রী। তবে অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে পোশাক।দিশার পরনে ছিল সূক্ষ্ম কারুকাজ করা লাল ঘাগরা। সঙ্গে ছিল একই রঙের ব্লাউজ ও এক কাঁধে জড়ানো ওড়না। বড় দুল ও চুড়ির সঙ্গে খোলা চুলে উৎসবের সাজে দেখা যায় তাঁকে।অনুষ্ঠানে প্রবেশের সময় আলোকচিত্রীদের জন্য পোজ দেন দিশা। পরে তাঁর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় সমালোচনা।নেটিজেনদের একাংশের প্রশ্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কতটা মানানসই। কেউ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন গণেশ উৎসব কি এখন তারকাদের জন্য ফ্যাশন প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠছে?এক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন গণপতি উৎসবের জন্য এমন পোশাক কতটা উপযুক্ত। আরেকজন মন্তব্য করেছেন দিশা গণপতি উৎসবে গিয়েছিলেন নাকি র‍্যাম্পে হাঁটতে।সমালোচকদের যুক্তি মূলত ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পরিবেশ ও সামাজিক প্রত্যাশাকে ঘিরে। তাঁদের দাবি একজন ব্যক্তি নিজের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরতে পারেন। আড়ও পড়ুন,এমির মঞ্চে ‘উইডোজ বে’-এর দাপট, ১৪ পুরস্কারে রাতের সেরা বিজয়ীতবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই আয়োজনের পরিবেশ ও সংস্কৃতির প্রতিও সম্মান দেখানো উচিত।তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। অনেকের মতে পোশাক একজনের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অংশ এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কে কী পরবেন তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা উচিত নয়।দিশাকে ঘিরে এই বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। কয়েক সপ্তাহ আগেই অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননের একটি বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে একই ধরনের বিতর্ক হয়েছিল। এবার দিশার পোশাক নিয়ে সমালোচনা শুরু হওয়ায় সেই পুরোনো বিতর্কও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।তবে এখন পর্যন্ত নিজের পোশাক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার কোনো জবাব দেননি দিশা পাটানি।

গণেশ চতুর্থীতে দিশার পোশাক ঘিরে তুমুল বিতর্ক