শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মার্কিন কর্মীদের চাকরি সুরক্ষার যুক্তিতে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসে বাধা

মার্কিন কর্মীদের চাকরি সুরক্ষার যুক্তিতে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসে বাধা

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন কর্মীদের চাকরি ও মজুরি সুরক্ষার যুক্তিতে আটটি বড় প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী শ্রম সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম কর্মসূচির আবেদন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার ৯ অক্টোবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনির মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োগকর্তার পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে পিইআরএম একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মীকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার জন্য স্পন্সর করতে পারে। মার্কিন শ্রম দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন পিইআরএম আবেদন গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে আগে জমা দেওয়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও স্থগিত থাকবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার মার্কিন শ্রমসচিব কিথ সান্ডারলিং এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। এ সময় দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জালিয়াতিবিরোধী টাস্কফোর্সের প্রধান উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন,হরমুজে ট্যাংকারে হামলা বাড়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, কিছু প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের ভিসাব্যবস্থার অপব্যবহার করে মার্কিন নাগরিকদের চাকরির সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্তের অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সব ধরনের কাজের ভিসা বাতিল করা নয়। বরং গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় স্থায়ী শ্রম সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় আবেদন স্থগিত করা হয়েছে। মার্কিন শ্রমসচিবের দাবি অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন করেছে। এ সময়ে তারা ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন এবং ১ লাখের বেশি স্থায়ী শ্রম সার্টিফিকেশন পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পিইআরএম প্রক্রিয়ায় সাধারণত নিয়োগকর্তাকে প্রমাণ করতে হয়, সংশ্লিষ্ট পদে কাজ করার মতো পর্যাপ্ত যোগ্য মার্কিন কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না। এই শর্ত পূরণ হলে নিয়োগকর্তা বিদেশি কর্মীর গ্রিন কার্ডের আবেদন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পান।

তরঙ্গশক্তি মহড়ায় ভারতের মাটিতে মার্কিন ছয় এফ-৩৫

ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহুজাতিক প্রতিরক্ষা মহড়া ‘তরঙ্গশক্তি ২০২৬’-এ অংশ নিতে রাজস্থানের যোধপুরে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর ছয়টি এফ-৩৫ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমান। একই সঙ্গে দুই শতাধিক মার্কিন বিমানসেনাও ভারতে এসেছেন।ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মহড়ায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্য যোধপুরে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনীর পঞ্চম প্রজন্মের ছয়টি এফ-৩৫ লাইটনিং-২ ফাইটার জেট।মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ভারতীয় বিমান বাহিনীর কোনো মহড়ায় এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী অংশ নিচ্ছে। একই সঙ্গে এই মহড়ার মাধ্যমে ভারতে প্রথমবারের মতো এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের অংশগ্রহণ ঘটছে।এফ-৩৫ লাইটনিং-২ পঞ্চম প্রজন্মের বহুমুখী যুদ্ধবিমান। স্টেলথ প্রযুক্তি এবং উন্নত সেন্সর ব্যবস্থার কারণে আধুনিক সামরিক বিমানগুলোর মধ্যে এটি বিশেষভাবে আলোচিত। আকাশযুদ্ধের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক বিভিন্ন সামরিক অভিযানে ব্যবহারের জন্যও বিমানটি তৈরি করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,সিডনিতে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি গ্রেপ্তার‘তরঙ্গশক্তি ২০২৬’ মহড়ায় বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনীর সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন। এ ধরনের বহুজাতিক মহড়ার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনীর মধ্যে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনার সক্ষমতাও অনুশীলন করা হয়।মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের অংশগ্রহণকে দুই দেশের বিমান বাহিনীর সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে তুলে ধরেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি মার্কিন বিমানসেনা ও যুদ্ধবিমান ভারতে পৌঁছানোর ঘটনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।রাজস্থানের যোধপুরে বর্তমানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও বিমানসেনারা অবস্থান করছেন। মহড়াকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ও মার্কিন বিমান বাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।এদিকে ‘তরঙ্গশক্তি ২০২৬’-এ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক সামরিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। বহুজাতিক এই মহড়ায় বিভিন্ন দেশের সামরিক সদস্যদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে যৌথ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

তরঙ্গশক্তি মহড়ায় ভারতের মাটিতে মার্কিন ছয় এফ-৩৫

ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ

ইরানে দুটি সামরিক হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মতো যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘের ইরানবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান মিশন। একই সঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও এনেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।তদন্ত মিশনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা পর্যালোচনা করেছে।প্রতিবেদনে দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের শাজারেহ তায়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে ওই হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী দায়ী হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।ইরানি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের বড় অংশই ছিল স্কুলশিক্ষার্থী। জাতিসংঘের মিশন বলছে হামলাটি নির্বিচার ছিল এবং এতে বেসামরিক মানুষ ও একটি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তদন্তকারীরা বলছেন হামলার আগে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছিল যাতে দাবি করা হয় একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কমান্ডার ওই এলাকায় অবস্থান করছেন। আড়ও পড়ুন,মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতাকিন্তু হামলার আগে তথ্যটি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। স্কুলটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল এমন কোনো প্রমাণও তদন্তকারীরা পাননি।লামের্দ শহরের একটি ক্রীড়াকেন্দ্রে হামলার বিষয়েও একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের মিশন। তাদের মতে ওই হামলায় আশপাশের আবাসিক ভবন ও একটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেসামরিক মানুষ হতাহত হন। তদন্তকারীরা এটিকেও নির্বিচার হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।অন্যদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তদন্ত মিশন। তাদের অনুসন্ধানে বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক ও পরিকল্পিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে এসেছে। এর মধ্যে বেআইনি হত্যাকাণ্ড নির্যাতন নির্বিচারে আটক জোরপূর্বক গুম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।তবে ইরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেহরানের দাবি বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পেছনে বিদেশি সমর্থিত বিরোধী গোষ্ঠী এবং সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাকারীরা জড়িত ছিল।জাতিসংঘের তদন্ত মিশন জানিয়েছে বিক্ষোভে নিহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। তবে তাদের ধারণা প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় বেশি হতে পারে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এর আগে দাবি করেছেন তাদের সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও যুদ্ধের নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়েছে। ইরানও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ

পাঁচ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগের লক্ষ্য

আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ও আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ বা অ্যামচ্যাম একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে অ্যামচ্যামের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সরকার প্রস্তুততিনি জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বর্তমানে ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। তবে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যের পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়। বিনিয়োগ প্রযুক্তি কর্মসংস্থান জ্ঞান ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, অ্যামচ্যামের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে এরই মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি দেশের জাতীয় রাজস্বেও তাদের অবদান ২০ শতাংশের বেশি।বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি অ্যামচ্যামের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সরকার এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।তিনি বলেন, আড়ও পড়ুন,সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ছাড়াল সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকার রেকর্ডকোনো প্রকৃত ব্যবসায়িক সমস্যা সরকারের কাছে উত্থাপন করা হলে বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। এর উদাহরণ হিসেবে কর্টেভা বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক লাইসেন্স-সংক্রান্ত জটিলতা এক মাসের মধ্যে সমাধানের কথা তুলে ধরেন তিনি।বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় দেশ উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কৌশলগত অবস্থান তরুণ ও দক্ষ কর্মীবাহিনী বড় অভ্যন্তরীণ বাজার এবং প্রযুক্তি ডিজিটাল উদ্ভাবন স্বাস্থ্যসেবা উৎপাদন ও আর্থিক সেবাসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বিনিয়োগ আকর্ষণে শুধু সম্ভাবনা যথেষ্ট নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিনিয়োগকারীদের জন্য পূর্বানুমানযোগ্যতা সহজ ব্যবসায়িক পরিবেশ দক্ষ বাণিজ্য সুবিধা এবং স্থিতিশীল নীতিগত কাঠামো নিশ্চিত করা প্রয়োজন।এ লক্ষ্যেই ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ ডিজিটালাইজেশন এবং বাণিজ্য সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

পাঁচ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগের লক্ষ্য