রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের ত্রাণশিবিরে বাস্তুচ্যুত মানুষের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনা। আদালত মণিপুরের মুখ্য সচিবকে ত্রাণশিবিরে মৃত্যু বিশেষ করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।আদালত জানতে চেয়েছে ৩৪টি মৃত্যুর মধ্যে কেন মাত্র ২০টি ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ কী ছিল এবং এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে বলা হয়েছে।মণিপুর রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সব ঘটনায় এফআইআর নিশ্চিত করা এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আলাদা স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ত্রাণশিবিরে থাকা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশের মধ্যে এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।মণিপুরের জাতিগত সহিংসতার ঘটনায় চলমান মামলার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেছে আদালত। আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তিরাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি জানান, বিশেষ তদন্তকারী দলের অধীনে ৩ হাজার ২০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৮৩টি মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, ৩০২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং ৩৮টি মামলায় বিচার শুরু হয়েছে। আরও ১ হাজার ১৩৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।সিবিআইয়ের তদন্তাধীন ৩১টি মামলার মধ্যে ২৮টিতে অভিযোগপত্র এবং তিনটিতে ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত করতে বিশেষ আদালতের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া মণিপুরের সহিংসতার পর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেন। সেই শিবিরগুলোর পরিস্থিতি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটি নিয়মিত প্রতিবেদন দিচ্ছে। সর্বশেষ শুনানিতে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। 

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন রোগী।নতুন দুই মৃত্যু ও ১ হাজার ২৩২ জনের হাসপাতালে ভর্তির ফলে চলতি ২০২৬ সালে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে।আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন।হাসপাতালের দৃশ্য, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, মশারি ব্যবহার, চিকিৎসকদের রোগী দেখার দৃশ্য, আড়ও পড়ুন,ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রামশার প্রজননস্থল।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।এর আগের ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময়ে নতুন করে ৭৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৩ জন। চলতি বছরে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আড়ও পড়ুন,শরতের সৌন্দর্যে বিচিত্রা কেঁউ, পাতায় যেন রঙের মেলাএ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।একদিনে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড এবং একই সময়ে ৭ জনের মৃত্যু—দুই তথ্যই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির তীব্রতা নতুন করে সামনে আনছে।চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭১ জনে পৌঁছেছে। আর একদিনে ১ হাজার ৭৫৩ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাই তুলে ধরছে।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আসাদুল হকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মোস্তাকিম নামে আরও এক বাংলাদেশি যুবক। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শ্রী উদা চন্দ্র নামে আরেক বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ।শনিবার ভোরে উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের চান্দেরহাট বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৩৩৩/এমপির কাছাকাছি ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ বসুদেবপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে। আর মোস্তাকিম উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে। একই গ্রামের মনশা চন্দ্র রায়ের ছেলে শ্রী উদা চন্দ্র গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ও শনিবার ভোরে একদল বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে আসাদুল হক মোস্তাকিম ও শ্রী উদা চন্দ্র গুলিবিদ্ধ হন।পরে বিএসএফ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মারা যান আসাদুল হক।আড়ও পড়ুন,চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক পরে রাতে মৃত্যু হয় মোস্তাকিমের।বর্তমানে দুই বাংলাদেশির মরদেহ ভারতের ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আর গুলিবিদ্ধ শ্রী উদা চন্দ্র বিএসএফের হেফাজতে রয়েছেন।দিনাজপুর ৪২ বিজিবি জানিয়েছে, নিহত আসাদুল হক চিহ্নিত চোরাকারবারি ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।ঘটনার বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাত হোসেন সীমান্তে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিএসএফের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের পাশাপাশি নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু