শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মৃত্যুর আগের দিনও গেয়েছিলেন গান, ৫৮ বছরেই থেমে যায় কিশোর কুমারের কিংবদন্তি কণ্ঠ

মৃত্যুর আগের দিনও গেয়েছিলেন গান, ৫৮ বছরেই থেমে যায় কিশোর কুমারের কিংবদন্তি কণ্ঠ

গানে মাতিয়েছেন অসংখ্য শ্রোতাকে, অভিনয়ে হাসিয়েছেন দর্শককে। আবার নিজের খামখেয়ালি স্বভাব ও অদ্ভুত সব কাণ্ডে হয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা কিশোর কুমার। তাঁর জীবন যেমন ছিল বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি মৃত্যুর শেষ অধ্যায় ঘিরেও রয়েছে নানা স্মৃতি, কৌতূহল ও আবেগঘন ঘটনা। মৃত্যুর আগে ছেলের জন্য অপেক্ষা, অসুস্থতার মধ্যেও রসিকতা এবং জীবনের শেষ দিনগুলোর কর্মব্যস্ততা সব মিলিয়ে কিশোর কুমারের শেষ সময় আজও ভক্তদের আলোচনায় ফিরে আসে। ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মাত্র ৫৮ বছর বয়সে মারা যান কিশোর কুমার। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর মৃত্যুর কারণ ছিল হৃদ্‌রোগ। তবে মৃত্যুর আগে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা তাঁর জীবনকে ঘিরে তৈরি করেছে বিশেষ রহস্যময় আবহ। বিশেষ করে ছেলে অমিত কুমারের স্মৃতিচারণায় উঠে আসা কিছু ঘটনা ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগায়—নিজের জীবনের শেষ সময় সম্পর্কে কি কোনো ধারণা পেয়েছিলেন এই কিংবদন্তি শিল্পী? কিশোর কুমারের মৃত্যুকে ঘিরে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি হলো কথিত ভবিষ্যদ্বাণী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে আসামে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে এক ট্যারো কার্ড পাঠকের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি নাকি কিশোরকে বলেছিলেন, তাঁর হাতে আর সাত বছর সময় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ছেলে অমিত কুমারের স্মৃতিচারণার সূত্র ধরে ঘটনাটি আবার আলোচনায় আসে। যদিও এই ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত নয়, তবু কিশোরের অকালমৃত্যুর সঙ্গে এর সময়গত সম্পর্ক নিয়ে অনেকের কৌতূহল রয়েছে।আরও পড়ুন,প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ে নিজেই পরিচালনা করলেন স্পাইডার-ম্যান তারকা টোবি ম্যাগুয়ার কিশোর কুমারের জীবনের শেষ দিনটি ছিল ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর। সে সময় তাঁর ছেলে অমিত কুমার যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনুষ্ঠানের সফরে ছিলেন। সফরের শেষ পর্যায়ে তিনি কানাডার টরন্টোতে অবস্থান করছিলেন। বাবার অনুরোধে কিছু ইংরেজি সিনেমার ভিডিও ক্যাসেট কেনার কথাও তাঁর মনে ছিল। কিন্তু তখনো তিনি জানতেন না, দেশে ফিরে বাবার সঙ্গে আর দেখা হবে না। অমিত কুমারের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, মৃত্যুর দিন তাঁর ফেরার সময় নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন কিশোর কুমার। ছেলে কখন ফিরবেন, বিমান সময়মতো পৌঁছাবে কি না এসব বিষয় নিয়ে তিনি খোঁজখবর নিচ্ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সেদিন তাঁর আচরণেও কিছুটা অস্থিরতা ছিল বলে স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে। তবে এসব ঘটনা থেকে তিনি নিজের মৃত্যুর সময় আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। কিশোর কুমারের শেষ মুহূর্তের আরেকটি আলোচিত ঘটনা তাঁর রসিকতাপ্রবণ স্বভাবকে সামনে নিয়ে আসে। মৃত্যুর দিন তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন এবং কাঁধে ব্যথার কথাও জানিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন জীবনীভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তাঁর স্ত্রী লীনা চন্দাভারকর প্রথমে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারেননি বলে স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক ডাকার প্রসঙ্গ আসে। তখন কিশোর কুমার নাকি রসিকতা করে বলেছিলেন, চিকিৎসক ডাকলে তাঁর সত্যিই হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে। কথাটি তাঁর পরিচিত হাস্যরসেরই প্রতিফলন ছিল বলে বর্ণনা করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। কিশোর কুমারের জীবনের শেষ কর্মদিবসটিও ছিল সংগীতময়। মৃত্যুর ঠিক আগের দিন, ১২ অক্টোবর, মুম্বাইয়ের মাহবুব স্টুডিওতে সংগীত পরিচালক বাপ্পি লাহিড়ীর সুরে ‘গুরু গুরু’ গানটি রেকর্ড করেছিলেন তিনি। গানটি ছিল মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবী অভিনীত ‘ওয়াক্ত কি আওয়াজ’ চলচ্চিত্রের জন্য।

ভবনের অংশ ধসে আহত কেরামত উল্লাহর মৃত্যু

নওগাঁর মান্দায় পুরোনো ভবন ভাঙার কাজ করতে গিয়ে ভবনের একাংশ ধসে গুরুতর আহত কেরামত উল্লাহ সরদার নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত কেরামত উল্লাহ সরদারের বয়স ৪০ বছর। তিনি উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের উত্তর চকরামরপুর গ্রামের মৃত অফের আলী সরদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সকালে মান্দা উপজেলার কশব ইউনিয়নের তালপাতিল গ্রামে লুৎফর রহমানের একটি পুরোনো ভবন ভাঙার কাজে যান কেরামত উল্লাহ। সকাল ১০টার দিকে কাজ করার সময় হঠাৎ ভবনের একটি অংশ ধসে তার ওপর পড়ে। আরও পড়ুন,কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণ দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডএতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। বুধবার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রোপচারের জন্য কেরামত উল্লাহকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মান্দা থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহতের বোন ময়না বিবি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মান্দা থানার পরিদর্শক তদন্ত আলেফ উদ্দিন জানান, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবনের অংশ ধসে আহত কেরামত উল্লাহর মৃত্যু

মরিয়ম আক্তারের মৃত্যু মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত বাদীপক্ষের আপসনামা ও আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালতে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের জামিন চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী মাহবুবুর রহমান। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, বাদীপক্ষ আপসনামা দিয়েছে এবং এমপি নজরুল অসুস্থ। এসব বিবেচনায় তার জামিন মঞ্জুরের আবেদন করা হয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। আইনজীবী হারুন অর রশিদ আদালতে বলেন, মামলাটি অনাপসযোগ্য ধারায় হওয়ায় আপসের সুযোগ নেই। আরও পড়ুন,ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পদায়নে লটারিমামলার তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, আপসনামায় আব্দুল হামিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাকে ও বাদীকে আটক করার আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, বাদী এ মামলায় কেবল সংবাদদাতা হিসেবে রয়েছেন এবং এ ধরনের মামলায় বাদীও আসামি হতে পারেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, বাদীপক্ষ জামিনে আপত্তি করছে না এবং তদন্তেও কোনো আপত্তি জানানো হয়নি। এমপি নজরুলের স্ত্রী জামিন পেয়েছেন উল্লেখ করে তাকেও জামিন দেওয়ার আবেদন করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মরিয়ম আক্তারের মৃত্যু মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর

উত্তরপ্রদেশে টানা বৃষ্টিতে ৫৬ জনের মৃত্যু

ভারতের উত্তরপ্রদেশে টানা প্রায় ৬০ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন। প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক হাজার ২১টি বাড়ি। পাশাপাশি ১০৭টি পশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টিজনিত ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে সীতাপুর জেলায়। সেখানে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। লখিমপুর খেরি, বাহরাইচ ও বালরামপুরে পাঁচজন করে এবং অযোধ্যা ও গোরখপুরে চারজন করে মারা গেছেন।পশুর মৃত্যুর সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হারদই জেলা। সেখানে ২৮টি পশু মারা গেছে। সীতাপুরে ১৬টি, কন্নৌজে ১৪টি, বাহরাইচ ও কানপুর দেহাতে সাতটি করে এবং উন্নাওয়ে ছয়টি পশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।বাড়িঘরের ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হারদই। জেলাটিতে ২৭২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে এবং ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক যান চলাচল।আড়ও পড়ুন,কিউবাকে ঘিরে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতিআবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় বান্দায় ২২৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার, ফতেহগড়ে ২২৪ মিলিমিটার, বাহরাইচের নানপাড়ায় ২১৭ মিলিমিটার, হারদইয়ে ২১৪ মিলিমিটার এবং কন্নৌজে ২০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।এদিকে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যাঞ্চল ও তেরাই এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে অতিভারী বৃষ্টির পাশাপাশি আকস্মিক বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।প্রবল বৃষ্টিতে লখনউসহ বিভিন্ন শহর ও জেলার সড়কে পানি জমে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। এর আগে ভারী বৃষ্টির সতর্কতায় উত্তরপ্রদেশের একাধিক জেলায় স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল।এদিকে ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিয়ে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বহুজন সমাজ পার্টির প্রধান মায়াবতী।দুর্যোগ পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে এবং সাধারণ মানুষকে আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশে টানা বৃষ্টিতে ৫৬ জনের মৃত্যু

নাগাল্যান্ডে সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান করে ১৯ জনের মৃত্যু

ভারতের নাগাল্যান্ডে সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান করে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত দুই দিনে রাজ্যের মোককচুং জেলায় আটজন এবং তুয়েনসাং জেলায় ১১ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে পুলিশ। নাগাল্যান্ড পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ভেসুপ্রা কেজো জানান সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান করার পর এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে মদই মৃত্যুর নিশ্চিত কারণ কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছে কর্তৃপক্ষ।ঘটনার পর মদের উৎস এবং সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় বিপুল পরিমাণ মদ ও বিয়ারও জব্দ করা হয়েছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী তুয়েনসাং জেলায় এর আগেও ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর কয়েকজনের মৃত্যু হয়। অসুস্থ হওয়ার আগে মৃতদের অনেকেই মদ পান করেছিলেন বলে জানা গেছে।অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে ঝাপসা দেখা তীব্র মাথাব্যথা মাথা ঘোরা বমি বমি ভাব এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এসব উপসর্গের পর কয়েকজনের মৃত্যু হয়।তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদের বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে গুয়াহাটির ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।আড়ও পড়ুন,ট্রাম্প সি বৈঠকে বাণিজ্য সমঝোতায় সামান্য অগ্রগতিপরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তদন্তে ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তদন্তের স্বার্থে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।নাগাল্যান্ডে ১৯৮৯ সালের নাগাল্যান্ড মদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ আইনের আওতায় মদ তৈরি বিক্রি সংরক্ষণ ও পান নিষিদ্ধ। আইনটি ১৯৯০ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর রয়েছে।এদিকে ঘটনার পর সাধারণ মানুষকে অপরিচিত অনুমোদনহীন বা সন্দেহজনক উৎস থেকে মদ পান না করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।মদ পান করার পর ঝাপসা দেখা মাথা ঘোরা তীব্র মাথাব্যথা শ্বাসকষ্ট কিংবা জ্ঞান হারানোর মতো কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।নাগাল্যান্ডে একসঙ্গে এত মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় অবৈধ মদ সরবরাহের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।

নাগাল্যান্ডে সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান করে ১৯ জনের মৃত্যু

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মৃতদের একজন সিলেট সদরের শাহ আলমের ৪ মাস বয়সী শিশুপুত্র আদিয়ান। শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অপরজন হবিগঞ্জ সদরের আব্দুর রউফের ১০ মাস বয়সী শিশুপুত্র ইয়াসিন। হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী এবং ১০ জন নিশ্চিত হাম রোগী।আড়ও পড়ুন,দাউদকান্দি থানায় আটক ২৮ কিশোরকে ঘিরে হট্টগোলএদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫৫ জন সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬৬ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৪ জন এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ জন ভর্তি হয়েছেন।

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬ জনের

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী।স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের ডেঙ্গুবিষয়ক ড্যাশবোর্ডে বুধবার প্রকাশিত তথ্যে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।নতুন করে ছয়জনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০১ জনে। আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকাগুলোতে। সেখানে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪০৫ জন। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৭ জন এবং খুলনা বিভাগে ২৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।বরিশাল বিভাগে ১৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধিঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৯ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ১৫৬ জন ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৩ জন রংপুর বিভাগে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন দুজন। এ ছাড়া বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, আক্রান্তের পাশাপাশি ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশাবাহিত এই রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘস্থায়ীভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। একই সঙ্গে জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬ জনের

অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তারকাদের

বয়স মাত্র ১৩ বছর। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম ভালোবাসত প্রকৃতির ছবি তুলতে। গত শুক্রবার বিকেলেও মায়ের আইফোন হাতে ছবি তুলতে বাসা থেকে বের হয়েছিল সে। কিন্তু আর ফেরেনি। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ।অপ্রতিমের এমন মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে পরিবারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।প্রকৃতির ছবি তোলার নেশা ছিল অপ্রতিমের। সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী শুক্রবার বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়।এরপর আর কোনো খোঁজ মেলেনি তার।দীর্ঘ প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় অপ্রতিমের মরদেহ।কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার।অপ্রতিমের ছবি → পরিবার → কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা → লালমাই পাহাড়ের দৃশ্য।ঘটনাটি নাড়া দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। শোবিজ অঙ্গনের একাধিক তারকা অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।অভিনেতা সিয়াম আহমেদ অপ্রতিমের ছবি দেখে নিজের সন্তানের কথা মনে পড়ার কথা জানিয়ে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আনার আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরানঅভিনেত্রী পূজা চেরীও অপ্রতিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার প্রত্যাশা—সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তবে অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—কীভাবে তার মৃত্যু হলো, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।একটি শিশুর এভাবে চলে যাওয়া পরিবারকে যেমন গভীর শোকে ডুবিয়েছে, তেমনি প্রশ্ন তুলেছে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও।এখন পরিবারের অপেক্ষা—তদন্তে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসবে এবং যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।অপ্রতিমের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে—এটাই এখন পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা

অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তারকাদের

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের ত্রাণশিবিরে বাস্তুচ্যুত মানুষের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনা। আদালত মণিপুরের মুখ্য সচিবকে ত্রাণশিবিরে মৃত্যু বিশেষ করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।আদালত জানতে চেয়েছে ৩৪টি মৃত্যুর মধ্যে কেন মাত্র ২০টি ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ কী ছিল এবং এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে বলা হয়েছে।মণিপুর রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সব ঘটনায় এফআইআর নিশ্চিত করা এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আলাদা স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ত্রাণশিবিরে থাকা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশের মধ্যে এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।মণিপুরের জাতিগত সহিংসতার ঘটনায় চলমান মামলার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেছে আদালত। আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তিরাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি জানান, বিশেষ তদন্তকারী দলের অধীনে ৩ হাজার ২০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৮৩টি মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, ৩০২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং ৩৮টি মামলায় বিচার শুরু হয়েছে। আরও ১ হাজার ১৩৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।সিবিআইয়ের তদন্তাধীন ৩১টি মামলার মধ্যে ২৮টিতে অভিযোগপত্র এবং তিনটিতে ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত করতে বিশেষ আদালতের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া মণিপুরের সহিংসতার পর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেন। সেই শিবিরগুলোর পরিস্থিতি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটি নিয়মিত প্রতিবেদন দিচ্ছে। সর্বশেষ শুনানিতে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। 

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন রোগী।নতুন দুই মৃত্যু ও ১ হাজার ২৩২ জনের হাসপাতালে ভর্তির ফলে চলতি ২০২৬ সালে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে।আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন।হাসপাতালের দৃশ্য, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, মশারি ব্যবহার, চিকিৎসকদের রোগী দেখার দৃশ্য, আড়ও পড়ুন,ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রামশার প্রজননস্থল।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।এর আগের ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময়ে নতুন করে ৭৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৩ জন। চলতি বছরে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আড়ও পড়ুন,শরতের সৌন্দর্যে বিচিত্রা কেঁউ, পাতায় যেন রঙের মেলাএ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।একদিনে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড এবং একই সময়ে ৭ জনের মৃত্যু—দুই তথ্যই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির তীব্রতা নতুন করে সামনে আনছে।চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭১ জনে পৌঁছেছে। আর একদিনে ১ হাজার ৭৫৩ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাই তুলে ধরছে।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আসাদুল হকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মোস্তাকিম নামে আরও এক বাংলাদেশি যুবক। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শ্রী উদা চন্দ্র নামে আরেক বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ।শনিবার ভোরে উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের চান্দেরহাট বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৩৩৩/এমপির কাছাকাছি ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ বসুদেবপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে। আর মোস্তাকিম উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে। একই গ্রামের মনশা চন্দ্র রায়ের ছেলে শ্রী উদা চন্দ্র গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ও শনিবার ভোরে একদল বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে আসাদুল হক মোস্তাকিম ও শ্রী উদা চন্দ্র গুলিবিদ্ধ হন।পরে বিএসএফ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মারা যান আসাদুল হক।আড়ও পড়ুন,চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক পরে রাতে মৃত্যু হয় মোস্তাকিমের।বর্তমানে দুই বাংলাদেশির মরদেহ ভারতের ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আর গুলিবিদ্ধ শ্রী উদা চন্দ্র বিএসএফের হেফাজতে রয়েছেন।দিনাজপুর ৪২ বিজিবি জানিয়েছে, নিহত আসাদুল হক চিহ্নিত চোরাকারবারি ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।ঘটনার বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাত হোসেন সীমান্তে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিএসএফের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের পাশাপাশি নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু