শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মায়ের গর্ভেই শিশুর টিউমার ধ্বংস করলেন চীনের চিকিৎসকেরা

মায়ের গর্ভেই শিশুর টিউমার ধ্বংস করলেন চীনের চিকিৎসকেরা

মায়ের গর্ভে থাকা শিশুর বুকের মারাত্মক টিউমার অস্ত্রোপচার ছাড়াই সংকুচিত করে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন চীনের একদল চিকিৎসক। আধুনিক মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁরা গর্ভস্থ শিশুর ফুসফুসের জন্মগত ত্রুটিজনিত টিউমার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছেন। চিকিৎসকদের এ সাফল্য ভবিষ্যতে জটিল রোগে আক্রান্ত গর্ভস্থ শিশুদের চিকিৎসায় নতুন আশা জাগিয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ রোগের নাম কনজেনিটাল পালমোনারি এয়ারওয়ে ম্যালফরমেশন বা সিপিএএম। এটি ফুসফুসের একটি জন্মগত ত্রুটি। চিকিৎসকদের মতে, প্রতি ২৫ থেকে ৩৫ হাজার গর্ভধারণের মধ্যে প্রায় একটিতে এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ত্রুটি গুরুতর হয়ে ওঠে না। তবে কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে টিউমার বা অস্বাভাবিক টিস্যু দ্রুত বড় হতে পারে। এতে গর্ভস্থ শিশুর হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এমনকি শিশুর শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে গর্ভেই মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সাধারণত এ রোগের চিকিৎসায় পরিস্থিতি অনুযায়ী স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিউমারের সিস্টে জমে থাকা তরল বের করে দিতে বিশেষ নল ব্যবহার করা হয়।আরও পড়ুন,পাকিস্তান সৌদি তুরস্কের দীর্ঘ সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা চুক্তিগুরুতর পরিস্থিতিতে ‘ফিটাল লোবেক্টমি’ নামের জটিল অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এসব পদ্ধতির সঙ্গে বিভিন্ন ঝুঁকি জড়িত। সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী আলট্রাসাউন্ড ইন অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গাইনোকোলজিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে চীনের চিকিৎসকদের অভিনব চিকিৎসাপদ্ধতির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪০ বছর বয়সী এক নারীর গর্ভে থাকা শিশুর ২২ সপ্তাহের মাথায় টিউমারটি প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটার বড় হয়ে যায়। টিউমারটি শিশুর হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি করছিল। পাশাপাশি শিশুর পেটে বিপজ্জনক মাত্রায় তরল জমার লক্ষণও দেখা যায়। এ অবস্থায় চিকিৎসকেরা মায়ের পেটের ওপর দিয়ে একটি সরু সুই গর্ভস্থ শিশুর ফুসফুসের টিউমারে প্রবেশ করান। এরপর সুইয়ের মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভ শক্তি প্রয়োগ করে টিউমারের অস্বাভাবিক কোষগুলো উত্তপ্ত ও ধ্বংস করা হয়। এ প্রযুক্তিতে টিউমারের ভেতরে তাপ তৈরি করে অস্বাভাবিক টিস্যু নষ্ট করা হয়। চিকিৎসার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই টিউমারটি উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট হয়ে আসে। একই সঙ্গে শিশুর পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত তরলও পুরোপুরি দূর হয়ে যায়। ফলে গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। পরবর্তী সময়ে গর্ভধারণের ৩৭তম সপ্তাহে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের সময় তার ওজন ছিল প্রায় দুই দশমিক নয় কেজি। চিকিৎসকেরা এ পদ্ধতিকে গর্ভস্থ শিশুর সিপিএএম চিকিৎসায় মাইক্রোওয়েভ অ্যাবলেশনের প্রথম সফল প্রয়োগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রচলিত বড় অস্ত্রোপচারের তুলনায় এটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি হওয়ায় ভবিষ্যতে এর ব্যবহার নিয়ে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, একটি মাত্র ঘটনার ফলাফলের ভিত্তিতে এ চিকিৎসাপদ্ধতির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। আরও গবেষণা ও একাধিক রোগীর ক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে এর ফলাফল যাচাই করতে হবে। ভবিষ্যতে এ পদ্ধতি নিরাপদ, কার্যকর ও পুনরায় প্রয়োগযোগ্য প্রমাণিত হলে গর্ভস্থ শিশুর জটিল টিউমার চিকিৎসায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি কমিয়ে আরও অনেক শিশুর জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

সিডনিতে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ক্যাম্পবেলটাউনে একটি আবাসিক বাড়ি থেকে ৪৬ বছর বয়সী এক নারী এবং তার ১২ ও ৪ বছর বয়সী দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. শোমন আহমেদ নামে ৪৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।স্থানীয় সময় ১৮ মে রাত ৮টার কিছু আগে রেমন্ড এভিনিউয়ের ওই বাড়ি থেকে জরুরি ফোন পেয়ে পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সেখানে পৌঁছান। পরে বাড়ির ভেতর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই শোমন আহমেদকে আটক করে পুলিশ।তদন্তকারীদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৭টা ৫৫ মিনিটের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পর স্পষ্ট হবে।১৯ মে ক্যাম্পবেলটাউন লোকাল কোর্টে মামলাটি সংক্ষিপ্ত শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়। শোমন আহমেদ আদালতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না এবং তার পক্ষ থেকে জামিনের আবেদনও করা হয়নি। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে আগামী ১৫ জুলাই পরবর্তী হাজিরার দিন নির্ধারণ করেছেন।আড়ও পড়ুন,হরমুজ প্রণালী খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিনের পরিকল্পনা ইরানেরআদালতের বাইরে শোমন আহমেদের আইনজীবী জাওয়াদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তার মক্কেল মানসিকভাবে অত্যন্ত বিপর্যস্ত এবং ভেঙে পড়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে ভুক্তভোগী পরিবার ও পুরো কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির ভেতরে তিনটি মরদেহ আলাদা কক্ষে পাওয়া যায়। পুলিশের অ্যাক্টিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মোরোনি বলেন, তিনজনের শরীরেই গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড বা পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিহত নারী চাকরি করতেন এবং পরিবারের বাবা দুই সন্তানকে দেখাশোনা করতেন। বড় সন্তানটির গুরুতর স্নায়বিক সমস্যা ও শিখন অক্ষমতা ছিল বলেও জানা গেছে।প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, পরিবারটি তুলনামূলক নিরিবিলি জীবনযাপন করত এবং খুব বেশি সামাজিকভাবে মিশত না। ঘটনার পর পুরো এলাকা পুলিশ ঘিরে রাখে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যে পারিবারিক সহিংসতা সংক্রান্ত জরুরি কলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ক্যাম্পবেলটাউনের এই ঘটনা ঘিরে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সিডনিতে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে যুবক আটক

পটুয়াখালীর দুমকীতে এক শিশুকে খাবার ও আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা এবং শারীরিকভাবে হয়রানির অভিযোগে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে সোমবার বিকেলে ফুফুর বাড়িতে যাওয়ার পথে শিশুটিকে খাবার ও টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখান দেলোয়ার। পরে তাকে পাশের একটি ভিটায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।এ সময় শিশুটি সেখানে যেতে বাধা দিলে দেলোয়ারের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি শুরু হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়া এবং তার জামা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে।পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় শিপন শরীফ রাজীব শহিদুল সরোয়ার আকনসহ কয়েকজন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হলে রাত ৩টার দিকে শিশুটি তার স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে দুমকী থানায় গিয়ে মৌখিক অভিযোগ করে।অভিযোগ পাওয়ার পর ওই রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আড়ও পড়ুন,জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব: কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ল বাসভাড়াপরদিন মঙ্গলবার সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে দুমকী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়।তবে দেলোয়ার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ সাজানো হয়েছে বলে দাবি করেন।দেলোয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী ৫ আগস্টের পর তার দোকানে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। দীর্ঘদিন পর আবার ব্যবসা শুরু করার পর নতুন করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দীন জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা রাত ৩টার দিকে থানায় এসে অভিযোগ দেওয়ার পরই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। সকালে মামলা দায়েরের পর তাকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে যুবক আটক

শিক্ষার মানের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ

শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাকেও বিদ্যালয়ের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।শিশুদের নিরাপত্তা, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেফগার্ডিং লিডারশিপ সামিট ২০২৬।রোববার ঢাকার লো মেরিডিয়ান হোটেলে হেইলিবারি ভালুকা ও কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে কাজ করা পেশাজীবীরা সম্মেলনে অংশ নেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।সম্মেলনের শুরুতে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা বলেন, বিদ্যালয়ের উৎকর্ষের ধারণাকে শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।আড়ও পড়ুন,চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশপ্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত মান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।সম্মেলনে বিদ্যালয় নেতৃত্বের ভূমিকা এবং শিশু সুরক্ষার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।আলোচনায় শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিকর শৃঙ্খলাবিধান, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া, অভিযোগ জানাতে অনীহা এবং কর্তৃত্বকে প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতার বিষয় উঠে আসে।আলোচকরা বলেন, শুধু নীতিমালা তৈরি করলেই শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন স্পষ্ট দায়িত্ব বণ্টন, নিরাপদে অভিযোগ জানানোর পরিবেশ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থার ধারাবাহিক পর্যালোচনা।সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়প্রধানদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।আয়োজকদের মতে, শিশু সুরক্ষা কোনো একক ব্যক্তি বা একটি নীতিমালার বিষয় নয়। বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত দায়িত্ববোধের মাধ্যমেই নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

শিক্ষার মানের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ