সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে থানার একটি কক্ষের ভেতরে উল্টে থাকা প্লাস্টিকের চেয়ার এবং দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, কয়েকজন কিশোর ওই কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় চেয়ার ও দরজা ভাঙচুর করে। পরে থানার সামনে উত্তেজনা তৈরি হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হ্যান্ডমাইকে বক্তব্য দিয়ে অভিভাবক ও স্বজনদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
তবে দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক রেজুয়ানুল হক বলেন, থানার কোনো কক্ষের দরজা বা আসবাব ভাঙচুর হয়নি। তাঁর ভাষ্য, রাতে অভিভাবকদের ডেকে এনে তাঁদের জিম্মায় কিশোরদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একাধিক অভিভাবক দাবি করেন, আটক কিশোরদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধসংক্রান্ত কোনো রেকর্ড নেই এবং তারা সহপাঠীদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে আড্ডা দিচ্ছিল।
আড়ও পড়ুন,মাছের ড্রামভর্তি ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
পরে সন্ধ্যার পর আড্ডাস্থলে না বসার মুচলেকা নিয়ে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। থানায় কোনো ঘটনা ঘটেনি দাবি করে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ঘটনাটিকে ‘ভুল–বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মতামত