রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন রোগী।নতুন দুই মৃত্যু ও ১ হাজার ২৩২ জনের হাসপাতালে ভর্তির ফলে চলতি ২০২৬ সালে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে।আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন।হাসপাতালের দৃশ্য, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, মশারি ব্যবহার, চিকিৎসকদের রোগী দেখার দৃশ্য, আড়ও পড়ুন,ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রামশার প্রজননস্থল।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।এর আগের ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময়ে নতুন করে ৭৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৩ জন। চলতি বছরে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আড়ও পড়ুন,শরতের সৌন্দর্যে বিচিত্রা কেঁউ, পাতায় যেন রঙের মেলাএ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।একদিনে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড এবং একই সময়ে ৭ জনের মৃত্যু—দুই তথ্যই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির তীব্রতা নতুন করে সামনে আনছে।চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭১ জনে পৌঁছেছে। আর একদিনে ১ হাজার ৭৫৩ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাই তুলে ধরছে।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তৈরি সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিও ও টেলিভিশনের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতন করতে দেশব্যাপী প্রচার কার্যক্রম জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,জামিন পেয়েও মুক্তি মিলল না মিষ্টি সুভাষ নতুন মামলায় গ্রেপ্তাররিজভী জানান উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে মশারি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ডেঙ্গুর সংক্রমণ থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এ ছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্কাউট গার্ল গাইড এবং শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে যুক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।রেডিও ও টেলিভিশনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার ও বিএনপির নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে। একই সঙ্গে মানুষ কীভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে সে বিষয়েও প্রচার চালানো হবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন স্কুল মাদরাসা কলেজ ও হাটবাজারে আবর্জনা রাখার জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কমিটিগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে দলীয়ভাবে এসব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দলের বিভিন্ন শূন্য পদে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তবে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের কাউন্সিল নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।এদিকে আগামী ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর তা জমা দিতে হবে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি

ডেঙ্গু ঠেকাতে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর পৌরসভার দুর্গারামপুর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের আওতায় সড়কের পাশে জমে থাকা আগাছা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার ভূমি ও বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার প্রশাসকসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। তারা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করেন।পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এডিস মশার বিস্তার রোধে নাগরিকদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে।বিশেষ করে বাড়ির আঙিনা রাস্তার পাশ এবং আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। আড়ও পড়ুন,মায়ের সম্পত্তি না পেয়ে দাদা-দাদিকে মারধর করে ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগকোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় কোনো পাত্রে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।কারণ জমে থাকা স্বচ্ছ পানিই এডিস মশার প্রজননের অন্যতম অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই বাড়ি কিংবা কর্মস্থলের আশপাশে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিকদের নিয়মিতভাবে সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার এই উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন স্থানীয় পরিবেশ পরিষ্কার করা হয়েছে অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির বার্তাও দেওয়া হয়েছে।পৌরসভা কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা নাগরিকদের সম্মিলিত সহযোগিতায় এডিস মশার বিস্তার রোধ করে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

ডেঙ্গু ঠেকাতে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান