শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ডেঙ্গু জ্বরে যে লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হবেন

ডেঙ্গু জ্বরে যে লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হবেন

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭১ হাজার ৫৩৬ জন। তাই জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।ডেঙ্গুর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ জ্বর। শরীরের তাপমাত্রা ১০১ থেকে ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি হতে পারে। এর সঙ্গে শরীর ও মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং ত্বকে লালচে দাগ বা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। তবে এসব লক্ষণ না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।জ্বর হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। এ সময় অতিরিক্ত পরিশ্রম বা দৌড়াদৌড়ি এড়িয়ে চলতে হবে। পাশাপাশি শরীরে পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করতে হবে। ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস ও খাবার স্যালাইনসহ তরল খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।ডেঙ্গুতে জ্বর ও শরীরের ব্যথা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা হয়। তবে নিজে থেকে আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক, ন্যাপ্রোক্সেন বা অ্যাসপিরিনজাতীয় ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। এসব ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বেশি জ্বর হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে।আড়ও পড়ুন,কাহালুতে ডোবা থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধারডেঙ্গু হলে শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা দেখে রোগীর অবস্থা বোঝা যায় না। রক্তচাপ, নাড়ির গতি, রক্তক্ষরণের লক্ষণ, প্রস্রাবের পরিমাণ এবং রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্লাটিলেট কম দেখলেই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।পেটে তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, কিছু খেতে বা পান করতে না পারা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, শরীর ঠাণ্ডা হয়ে আসা, রক্তক্ষরণ কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো সতর্কতামূলক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। গুরুতর ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হতে পারে।ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকেও মশারির মধ্যে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আক্রান্ত ব্যক্তিকে এডিস মশা কামড়ানোর পর সেই মশা অন্য মানুষকে কামড়ালে ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলের দিকে বেশি সক্রিয় থাকে। বাড়ির ছাদ, বারান্দার ফুলের টব, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত টায়ার বা বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এ মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সতর্কতার পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর একটি।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬ জনের

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী।স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের ডেঙ্গুবিষয়ক ড্যাশবোর্ডে বুধবার প্রকাশিত তথ্যে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।নতুন করে ছয়জনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০১ জনে। আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকাগুলোতে। সেখানে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪০৫ জন। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৭ জন এবং খুলনা বিভাগে ২৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।বরিশাল বিভাগে ১৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধিঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৯ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ১৫৬ জন ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৩ জন রংপুর বিভাগে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন দুজন। এ ছাড়া বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, আক্রান্তের পাশাপাশি ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশাবাহিত এই রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘস্থায়ীভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। একই সঙ্গে জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬ জনের

ডেঙ্গুতে সিলেট বিভাগে আরও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

সিলেট বিভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ছয়জন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে সিলেট বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ জনে।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নয়জন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। সেই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে নতুন শনাক্তের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে বিভাগজুড়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এখনো বাড়ছে।চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন হবিগঞ্জে। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৪২ জন। এরপর সুনামগঞ্জে ৭৬ জন, সিলেটে ৭৪ জন এবং মৌলভীবাজারে ৩৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া অন্য জেলা থেকে এসে সিলেট বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন আরও ১২ জন।বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৯ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।                                                                                                                     আড়ও পড়ুন,বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি নিয়ে নতুন পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরেরএর মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সাতজন এবং জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসা নিচ্ছেন। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নয়জন, লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন এবং মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন ভর্তি রয়েছেন।এ ছাড়া সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চারজন এবং মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে একজন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এদিকে চলতি বছর সিলেট বিভাগে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ১৬ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৬০ বছর বয়সী ছলিমা বেগম মারা যান।এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৪৫ বছর বয়সী কৃষ্ণ দাসের মৃত্যু হয়। আর ২ আগস্ট সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আফিয়া খানম নামে ৫৪ বছর বয়সী এক রোগীর মৃত্যু হয়।ফলে সিলেট বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

ডেঙ্গুতে সিলেট বিভাগে আরও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

পিরোজপুরে ডেঙ্গু ঠেকাতে খাল পরিষ্কার অভিযান

পিরোজপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান।রোববার দুপুরে পিরোজপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কুমারখালী কাজীবাড়ি খালে জমে থাকা দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা অপসারণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে পিরোজপুরেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। তার দাবি, পিরোজপুর হাসপাতালে এরই মধ্যে তিন হাজারের বেশি ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।তিনি বলেন, প্রাণঘাতী ডেঙ্গু থেকে মানুষকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও পৌর প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন আরও বলেন, একসময় পুলিশ লাইন সড়কের এই খাল দিয়ে নিয়মিত নৌকা চলাচল করত। আড়ও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসল করতে নেমে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যুতবে দীর্ঘদিন পরিচর্যার অভাবে খালটি এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বুদ্ধ করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কবরস্থানের সামনে থেকে পুলিশ লাইন পর্যন্ত খালের অংশ পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।কর্মসূচিতে পিরোজপুর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মাহমুদুর রহমান মামুনসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পিরোজপুরে ডেঙ্গু ঠেকাতে খাল পরিষ্কার অভিযান

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন রোগী।নতুন দুই মৃত্যু ও ১ হাজার ২৩২ জনের হাসপাতালে ভর্তির ফলে চলতি ২০২৬ সালে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে।আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন।হাসপাতালের দৃশ্য, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, মশারি ব্যবহার, চিকিৎসকদের রোগী দেখার দৃশ্য, আড়ও পড়ুন,ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রামশার প্রজননস্থল।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।এর আগের ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময়ে নতুন করে ৭৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৩ জন। চলতি বছরে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আড়ও পড়ুন,শরতের সৌন্দর্যে বিচিত্রা কেঁউ, পাতায় যেন রঙের মেলাএ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।একদিনে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড এবং একই সময়ে ৭ জনের মৃত্যু—দুই তথ্যই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির তীব্রতা নতুন করে সামনে আনছে।চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭১ জনে পৌঁছেছে। আর একদিনে ১ হাজার ৭৫৩ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাই তুলে ধরছে।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তৈরি সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিও ও টেলিভিশনের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতন করতে দেশব্যাপী প্রচার কার্যক্রম জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,জামিন পেয়েও মুক্তি মিলল না মিষ্টি সুভাষ নতুন মামলায় গ্রেপ্তাররিজভী জানান উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে মশারি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ডেঙ্গুর সংক্রমণ থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এ ছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্কাউট গার্ল গাইড এবং শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে যুক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।রেডিও ও টেলিভিশনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার ও বিএনপির নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে। একই সঙ্গে মানুষ কীভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে সে বিষয়েও প্রচার চালানো হবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন স্কুল মাদরাসা কলেজ ও হাটবাজারে আবর্জনা রাখার জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কমিটিগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে দলীয়ভাবে এসব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দলের বিভিন্ন শূন্য পদে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তবে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের কাউন্সিল নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।এদিকে আগামী ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর তা জমা দিতে হবে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি

ডেঙ্গু ঠেকাতে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর পৌরসভার দুর্গারামপুর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের আওতায় সড়কের পাশে জমে থাকা আগাছা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার ভূমি ও বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার প্রশাসকসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। তারা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করেন।পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এডিস মশার বিস্তার রোধে নাগরিকদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে।বিশেষ করে বাড়ির আঙিনা রাস্তার পাশ এবং আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। আড়ও পড়ুন,মায়ের সম্পত্তি না পেয়ে দাদা-দাদিকে মারধর করে ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগকোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় কোনো পাত্রে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।কারণ জমে থাকা স্বচ্ছ পানিই এডিস মশার প্রজননের অন্যতম অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই বাড়ি কিংবা কর্মস্থলের আশপাশে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিকদের নিয়মিতভাবে সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার এই উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন স্থানীয় পরিবেশ পরিষ্কার করা হয়েছে অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির বার্তাও দেওয়া হয়েছে।পৌরসভা কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা নাগরিকদের সম্মিলিত সহযোগিতায় এডিস মশার বিস্তার রোধ করে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

ডেঙ্গু ঠেকাতে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান