শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে প্যারাগুয়ে ও বেলিজের দুই মন্ত্রীর ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা

তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে প্যারাগুয়ে ও বেলিজের দুই মন্ত্রীর ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা

তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার জেরে প্যারাগুয়ের যোগাযোগমন্ত্রী গুস্তাভো ভিলাতে এবং বেলিজের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিস ফনসেকার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন। সোমবার (১২ অক্টোবর) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। ঘোষণার দিন থেকেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় দুই মন্ত্রীর চীনে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে। পাশাপাশি তাঁরা হংকং ও ম্যাকাওয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। চীনের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাঁদের সঙ্গে লেনদেন, সহযোগিতা কিংবা অন্য কোনো ধরনের কার্যক্রমেও অংশ নিতে পারবে না। বেইজিংয়ের অভিযোগ, কিছু ‘চীনবিরোধী রাজনীতিক’ নিজ নিজ দেশকে তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে উৎসাহিত করেছেন। চীনের দাবি, সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রী এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন, যা দেশটির মূল স্বার্থের ক্ষতি করছে। তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ১২টি দেশের মধ্যে প্যারাগুয়ে ও বেলিজ অন্যতম। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। আরও পড়ুন,রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার জেরে ফ্লাইট বন্ধ, সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার পরামর্শতবে তাইওয়ানের সরকার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। সম্প্রতি তাইওয়ানের জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেন প্যারাগুয়ের যোগাযোগমন্ত্রী গুস্তাভো ভিলাতে। ওই পোস্টে তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের মতো অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতে তাইওয়ানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, তাইওয়ানে অবস্থিত বেলিজের দূতাবাস দুই পক্ষের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে বার্তা প্রকাশ করে। গত মাসে তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুং বেলিজ সফর করেন। এ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে বলে জানায় তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ওয়াশিংটন দ্বীপটির আত্মরক্ষার সক্ষমতা জোরদারে সহায়তা করে আসছে। চীনের সম্ভাব্য আক্রমণের আশঙ্কায় তাইওয়ান যখন প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, তখনই দুই মন্ত্রীর ওপর চীনের এই নিষেধাজ্ঞা নতুন করে আঞ্চলিক কূটনৈতিক উত্তেজনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার জেরে ফ্লাইট বন্ধ, সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার পরামর্শ

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে একের পর এক হামলার ঘটনায় দেশটিতে ভ্রমণের বিষয়ে নাগরিকদের সতর্ক করেছে বিশ্বের একাধিক দেশ। হামলার জেরে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দুটি বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের পর এবার সৌদি আরব ভ্রমণ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। এসব দেশের নির্দেশনায় নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, দেশটির নাগরিকদের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এড়িয়ে চলা উচিত। আরও পড়ুন,ইউপি নির্বাচনের পাঁচ ধাপের তারিখ চূড়ান্ত করল ইসিপাশাপাশি সৌদি আরবের অন্যান্য বিমানবন্দরে যাতায়াতের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের নাগরিকদের সৌদি আরবের রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দর এবং নাজরান, জাজান ও আসির প্রদেশে কোনো অবস্থাতেই ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পুরো সৌদি আরবে ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে বলেছে দেশটি। রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও ইরান ও সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলার হুমকির কথা উল্লেখ করে সৌদি আরব ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন নাগরিকদের। কানাডা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সৌদি আরবের যেকোনো অংশে ভ্রমণ না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে অবস্থানরত নাগরিকদের জরুরি কাজ না থাকলে দেশটি ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে তা বাতিল করতে বলেছে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরও জেদ্দা, দাম্মাম ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়া অন্যান্য বিমানবন্দরে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে।

রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার জেরে ফ্লাইট বন্ধ, সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার পরামর্শ

মাইক্রোসফট টাটাসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নিষেধাজ্ঞা

বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহারের অভিযোগে মাইক্রোসফট ও টাটাসহ আটটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস। এসব প্রতিষ্ঠানের স্থায়ীভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ এবং স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স অভিযোগ করেন, আটটি প্রতিষ্ঠান বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনি। ভ্যান্সের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান মার্কিন কর্মীদের পরিবর্তে বিদেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়োগ দিচ্ছে। বিশেষ করে মাইক্রোসফটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাঁর মতে, এই ভিসা ব্যবস্থার সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী কিথ সোন্ডারলিং জানিয়েছেন, পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম বা পিইআরএমের আওতায় ওই আট প্রতিষ্ঠানের নতুন ও চলমান আবেদন প্রক্রিয়া করা হবে না। আরও পড়ুন,বাজারে চাল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচে ক্রেতারাযুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে পিইআরএম একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এইচ-১বি ভিসা মূলত বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ দেয়। প্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে এ ভিসার ব্যবহার রয়েছে। প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রতি বছর প্রায় ৮৫ হাজার নতুন এইচ-১বি ভিসার জন্য নির্ধারিত কোটা থাকে। তবে ভিসার আবেদন, অনুমোদন এবং স্থায়ীভাবে নিয়োগের প্রক্রিয়া এক নয়। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে এর আগে বিবিসিকে জানানো হয়েছিল, গত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির এইচ-১বি ভিসার আবেদনের প্রায় ৮০ শতাংশ ছিল আগে থেকেই কর্মরত কর্মীদের জন্য। অর্থাৎ এসব আবেদন নতুন কর্মী নিয়োগের উদ্দেশ্যে করা হয়নি বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে ভ্যান্স অভিযোগ করেছেন, গত অর্থবছরে মাইক্রোসফট প্রায় ছয় হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি এইচ-১বি ভিসার জন্য ছয় হাজার আটশটি আবেদন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব তথ্য তুলে ধরে মার্কিন কর্মীদের বাদ দিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অভিযোগ করেন তিনি।

মাইক্রোসফট টাটাসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নিষেধাজ্ঞা

অনুমতিপত্র ছাড়া সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ সচিবালয়ে যথাযথ পাশ বা অনুমতিপত্র ছাড়া দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বুধবার সচিবালয়ের নিরাপত্তা শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি যথাযথ অনুমতিপত্র ছাড়াই বিভিন্ন দর্শনার্থী বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশ করছেন বলে লক্ষ্য করা গেছে। এ ধরনের অননুমোদিত প্রবেশ সচিবালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একই সঙ্গে এতে সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক পরিবেশও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এ কারণে সচিবালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে দর্শনার্থীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে আরও কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কোনো দর্শনার্থী সচিবালয়ে প্রবেশের আগে তার OTP অথবা সংশ্লিষ্ট পাশ ও অনুমতিপত্র যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে।আড়ও পড়ুন,পাহাড়ি অঞ্চলে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বানযাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট দর্শনার্থীকে সচিবালয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তাকর্মীদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পাশাপাশি অনুমতিপত্রের বৈধতা নিশ্চিত করে প্রবেশাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।কর্তৃপক্ষের এ নির্দেশনার ফলে সচিবালয়ে অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ আরও সুরক্ষিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুমতিপত্র ছাড়া সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, বন্ধ থাকবে ধরা-বেচাকেনা

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। একই সময়ে ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, কেনাবেচা ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।মা ইলিশ রক্ষায় এবারও কঠোর অবস্থানে সরকার।মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত।এই সময়ে ইলিশ ধরা তো বটেই—ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, কেনাবেচা ও বিনিময়ও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সারাদেশে চালানো হবে সমন্বিত অভিযান। বিশেষ নজর থাকবে বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে।আরও  পড়ুন, মাজার জিয়ারত শেষে শাহপরাণের পথে মির্জা ফখরুলমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।অবৈধভাবে ধরা ইলিশ যেন বাজারে ঢুকতে না পারে, সেজন্য বরফকল, আড়ত ও বাজারেও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।চাঁদপুর মোহনা ও অন্যান্য প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণেও জোর দেওয়া হবে।নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের ভিজিএফের আওতায় খাদ্য সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, বন্ধ থাকবে ধরা-বেচাকেনা