রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্ক পর্বে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিশ্ব শান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। ফলে বিশ্ববাসীর সামনে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পাবে।পাশাপাশি যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে।সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থাকবে রোহিঙ্গা সংকট।২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।আড়ও পড়ুন,রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক সেখানে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ।এর পরদিন, ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।সেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে বাংলাদেশের দাবি তুলে ধরার কথা রয়েছে।জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক অর্থনৈতিক কূটনীতি।ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামো, উৎপাদন ও প্রযুক্তি খাত, দক্ষ মানবসম্পদ এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয় তুলে ধরার কথা রয়েছে।নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর। আর ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

দশ দিনের ব্যবধান। ভেন্যু আলাদা, টুর্নামেন্টও আলাদা। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই ভারত—আর ফলও একই।দুবাইয়ের পর এবার জাপান। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের পর এশিয়ান গেমসের শেষ চারের লড়াইয়েও ভারতের কাছে হেরে সোনার পদকের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ।কারোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় নায়ক শেফালি বর্মা। মাত্র ৪৯ বলে শতরান পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।জবাবে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটাররা ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি নিগার সুলতানার দল।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।ফলে ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।দশ দিন আগে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে ১০৯ রান করেছিল নিগাররা। এবার স্কোর আরও কমে ঠেকেছে ৮১-তে।এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের ১৭৭ রান ১৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।ফলে ২২ সেপ্টেম্বর সোনার পদকের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা।আর একই দিনে ব্রোঞ্জের পদকের জন্য মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।সোনার লড়াইয়ে জায়গা না হলেও ব্রোঞ্জ জিতে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট অভিযান শেষ করার সুযোগ এখনো রয়েছে নিগার সুলতানাদের সামনে।

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

হিমবাহ গলে বাড়ছে বাংলাদেশের বন্যার ঝুঁকি

হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়া এবং দীর্ঘদিন জমাট থাকা মাটি ও বরফের স্তর বা পারমাফ্রস্ট নরম হয়ে পড়ায় বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। গবেষকদের আশঙ্কা, এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশসহ হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের আট দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে।বাংলাদেশ ছাড়াও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ভারত পাকিস্তান নেপাল ভুটান চীন আফগানিস্তান ও মিয়ানমার। হিমবাহের পরিবর্তনের প্রভাব শুধু পাহাড়ি এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়। পশ্চিমে আফগানিস্তান থেকে পূর্বে মিয়ানমার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত উজান ও ভাটি অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।গবেষকদের মতে, হিমবাহ গলে যাওয়ার পাশাপাশি পারমাফ্রস্ট নরম হয়ে পাহাড়ের ঢাল অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। এতে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে হিমবাহের পানি জমে তৈরি হওয়া হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে আকস্মিক বন্যা বা হিমবাহ হ্রদভাঙা বন্যা দেখা দিতে পারে।হিমালয় থেকে এশিয়ার ১০টি প্রধান নদী ব্যবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র ইরাবতী সালউইন মেকং ইয়াংসি হলুদ নদীসহ গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো। এসব নদীর অববাহিকায় প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বসবাস। তাদের পানীয় জল কৃষি জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গে এসব নদীর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।বাংলাদেশের জন্য গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গঙ্গা ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। আর তিব্বতে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র চীন ও ভারতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে এসে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়েছে।আইসিআইএমওডির তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় প্রায় ১১ কোটি ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। আড়ও পড়ুন,নতুন বেতন স্কেলে যেসব সরকারি কর্মচারী সুবিধা পাবেন নাএর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষ বাংলাদেশে। ফলে হিমালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি কৃষি ও নদীকেন্দ্রিক জনজীবনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।সিস্টেমিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ভারতের অংশেই প্রায় ২০০টি হিমবাহ হ্রদ বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনের প্রধান লেখক অরুশি চোপড়া বলেছেন, হিমালয় অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটবে কি না তার চেয়ে কখন ঘটবে সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।আইসিআইএমওডির ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০১০ থেকে ২০১৯ সময়ে হিমবাহ গলার হার আগের দশকের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিকে এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। স্যাটেলাইট তথ্য রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন সেন্সরের মাধ্যমে হিমবাহ ও হিমবাহ হ্রদের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং সীমান্ত পেরিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষকরা। কারণ হিমালয় থেকে নেমে আসা পানি কোনো সীমান্ত মানে না। উজানে ঘটে যাওয়া কোনো বিপর্যয়ের প্রভাব তাই কয়েকটি দেশের সীমানা পেরিয়ে ভাটির জনপদেও পৌঁছাতে পারে।

হিমবাহ গলে বাড়ছে বাংলাদেশের বন্যার ঝুঁকি

দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারল বাংলাদেশ

এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকিতে পরাজয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে জিমি-আশরাফুলরা।শুক্রবার জাপানের কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের ওপর আক্রমণের চাপ বাড়াতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া। তবে প্রথম কোয়ার্টারে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় কোরিয়ানরা। এ সময় বাংলাদেশের জালে তিনবার বল পাঠায় দক্ষিণ কোরিয়া। বিপরীতে প্রথমার্ধে গোল করার মতো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশ।তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় লাল-সবুজের দল। বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে দক্ষিণ কোরিয়া।আড়ও পড়ুন,জাপানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারত তৃতীয় কোয়ার্টারে আরও একটি গোল করে ব্যবধান ৪-০ করে তারা।শেষ কোয়ার্টারেও বাংলাদেশের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালায় কোরিয়ানরা। শেষ পর্যন্ত আরও একটি গোল করে ব্যবধান ৫-০ করে নেয় দক্ষিণ কোরিয়া।ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৫-০ গোলের ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার রক্ষণে বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামবে জিমি-আশরাফুলরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারল বাংলাদেশ

নেপালের বিপক্ষে মার্চে তিন টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ

আলোচনা হয়েছিল আগেই। এবার এলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। আগামী মার্চে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নেপাল সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।আগামী বছরের ২৬, ২৮ ও ৩০ মার্চ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তিনটি ম্যাচ।সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারানো মানুষদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হবে এই সিরিজ।বাংলাদেশ ও নেপালের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের অংশ হিসেবে সিরিজ আয়োজনের আলোচনা শুরু হয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির বৈঠকে।এর ধারাবাহিকতায় নেপালের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের পাশাপাশি দুই দেশের সার্বিক ক্রিকেটীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।আড়ও পড়ুন,সেঞ্চুরি নেই তবু ২ হাজার ৪৬০ রান নতুন বিশ্বরেকর্ডবাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বলছে, এই সিরিজ শুধু ক্রিকেটীয় লড়াই নয়, দুই দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সংহতির বার্তাও পৌঁছে দেবে। বিশেষ করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের একটি উপলক্ষ হবে এই সফর।নেপালের ক্রিকেট উন্নয়নেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এর আওতায় পুরুষ ও নারী দলের সফর বিনিময়, উচ্চ কার্যক্ষমতা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সহযোগিতার কথা রয়েছে।এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও নেপাল মুখোমুখি হয়েছে দুইবার। দুটি ম্যাচই ছিল বিশ্বকাপের আসরে। আর দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।এবার নেপালের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে দুই দল। ২৬ মার্চ প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সিরিজ, এরপর ২৮ ও ৩০ মার্চ মাঠে গড়াবে বাকি দুটি ম্যাচ।

নেপালের বিপক্ষে মার্চে তিন টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ

বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আসাদুল হকের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মোস্তাকিম নামে আরও এক বাংলাদেশি যুবক। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শ্রী উদা চন্দ্র নামে আরেক বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ।শনিবার ভোরে উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের চান্দেরহাট বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৩৩৩/এমপির কাছাকাছি ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ বসুদেবপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে। আর মোস্তাকিম উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে। একই গ্রামের মনশা চন্দ্র রায়ের ছেলে শ্রী উদা চন্দ্র গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ও শনিবার ভোরে একদল বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে আসাদুল হক মোস্তাকিম ও শ্রী উদা চন্দ্র গুলিবিদ্ধ হন।পরে বিএসএফ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মারা যান আসাদুল হক।আড়ও পড়ুন,চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক পরে রাতে মৃত্যু হয় মোস্তাকিমের।বর্তমানে দুই বাংলাদেশির মরদেহ ভারতের ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আর গুলিবিদ্ধ শ্রী উদা চন্দ্র বিএসএফের হেফাজতে রয়েছেন।দিনাজপুর ৪২ বিজিবি জানিয়েছে, নিহত আসাদুল হক চিহ্নিত চোরাকারবারি ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।ঘটনার বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাত হোসেন সীমান্তে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিএসএফের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের পাশাপাশি নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএসএফের গুলিতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু