রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মাজার জিয়ারত শেষে শাহপরাণের পথে মির্জা ফখরুল

মাজার জিয়ারত শেষে শাহপরাণের পথে মির্জা ফখরুল

সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাড়িবহর নিয়ে মাজার এলাকায় পৌঁছান তিনি। জিয়ারত শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১২ মিনিট পর সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।বিমানবন্দর থেকে গাড়িবহর নিয়ে তিনি পৌঁছান হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার এলাকায়। সেখানে তাকে স্বাগত জানান মাজার কর্তৃপক্ষ।মাজার জিয়ারত শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।পরে মাজার এলাকায় কিছু সময় অবস্থান শেষে তিনি হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওনা হন।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিলেটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সদস্যরা।আড়ও পড়ুন,হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১ লাখ ৭২ হাজারএ ছাড়া সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মাজার এলাকায় তার আগমন ও বিদায়ের সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে অসংখ্য মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নেন বিএনপির নেতাকর্মীরাও।এদিকে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে নগরভবনের সামনে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার কথা রয়েছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়াতে চান মির্জা ফখরুল

পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বিনিয়োগ বিমান যোগাযোগ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার। আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতিও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।রাষ্ট্রপতি বলেন পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণই উপকৃত হবে। এ জন্য ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।বাংলাদেশে পাকিস্তানি তৈরি পোশাক বিশেষ করে নারীদের পোশাকের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানি তৈরি পোশাক কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন।হাইকমিশনার জানান পাকিস্তানের তৈরি পণ্য নিয়ে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে পাকিস্তানেও বাণিজ্য মেলা আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।এদিকে ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে পাকিস্তানের উদ্যোক্তাদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন এই যোগাযোগ ব্যবসা-বাণিজ্য চিকিৎসা পর্যটন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। আড়ও পড়ুন,জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন তারেক রহমানফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।বাংলাদেশি চা পাকিস্তানের বাজারে আরও বেশি রপ্তানির সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন হাইকমিশনার।অন্যদিকে সিরামিক পণ্য পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য এবং ওষুধসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপতি।এ ছাড়া দুই দেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং বিজ্ঞান প্রকৌশল প্রযুক্তি ও চিকিৎসায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতি হাইকমিশনারকে দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বাণিজ্য শিক্ষা সংস্কৃতি প্রশিক্ষণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বহুমাত্রিক ও ফলপ্রসূ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়াতে চান মির্জা ফখরুল