শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
৬৪ বছর ধরে মিষ্টির স্বাদে মুগ্ধ পটিয়ার আদর্শ মিষ্টি ভান্ডার

৬৪ বছর ধরে মিষ্টির স্বাদে মুগ্ধ পটিয়ার আদর্শ মিষ্টি ভান্ডার

৬৪ বছরের ঐতিহ্য আর মিষ্টির অনন্য স্বাদে ক্রেতাদের আকর্ষণ ধরে রেখেছে চট্টগ্রামের পটিয়ার আদর্শ মিষ্টি ভান্ডার। সময়ের পরিবর্তনে হাটের স্থান বদলেছে, বদলেছে ক্রেতাদের আনাগোনাও। তবে বদলায়নি এই দোকানের মিষ্টির প্রতি মানুষের ভালোবাসা। ছানার মিষ্টি থেকে শুরু করে রসগোল্লা, ল্যাংচা, জিলাপি ও নিমকি হরেক পদের স্বাদ নিতে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করেন মিষ্টিপ্রেমীরা। দোকানে প্রবেশ করতেই নাকে আসে মিষ্টির মনমাতানো ঘ্রাণ। সামনের আলমারিতে সাজানো থাকে লাড্ডু, নারকেলের নাড়ু, ল্যাংচা, জিলাপি ও নিমকি। বড় গামলায় রসে ডুবে থাকে রসগোল্লা। ছোট্ট দোকানটির ভেতরে রয়েছে বসে মিষ্টি খাওয়ার ব্যবস্থা। আর পেছনেই মিষ্টি তৈরির কারখানা। দোকানের সাজসজ্জা সাদামাটা হলেও ক্রেতাদের উপস্থিতিতে সব সময় প্রাণবন্ত থাকে পরিবেশ। কেউ বসে মিষ্টি খাচ্ছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের মিষ্টি প্যাকেট করে নিয়ে যাচ্ছেন। এখানকার ছানার মিষ্টির স্বাদে মুগ্ধ ক্রেতা মোহাম্মদ আলী। মিষ্টি খেতে খেতেই তিনি জানান, আরোও পড়ুন,সুদ জরিমানা ছাড়াই ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্নএ দোকানের ছানার মিষ্টি অত্যন্ত সুস্বাদু। তুলতুলে মিষ্টি মুখে দিলেই গলে যায়। এক-দুটি খেয়ে তৃপ্তি মেটে না। শুধু ছানার মিষ্টিই নয়, এখানকার নিমকির স্বাদও অন্য রকম বলে জানান তিনি। দোকানের এক পাশে বসে ক্রেতাদের আসা-যাওয়া দেখছিলেন অমল দত্ত। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে এই দোকানকে ঘিরেই তাঁর কর্মজীবন। প্রতিদিন পরিচিত-অপরিচিত নানা মানুষের আনাগোনা দেখেই কেটে যাচ্ছে তাঁর দিন। আদর্শ মিষ্টি ভান্ডারের যাত্রা শুরু হয় ৬৪ বছর আগে। দোকানটি প্রতিষ্ঠা করেন অমল দত্তের বাবা হরিমোহন দত্ত। সে সময় পটিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের বটগাছের নিচে বসত থানার হাট। হাটের দিন ক্রেতাদের ভিড়ে ব্যস্ত সময় পার করতে হতো দোকানটিকে। পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণা করে অমল দত্ত জানান, হাট বসার সময় ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খেতে হতো। পরে হাটের স্থান পরিবর্তন হলে ক্রেতাদের ভিড় কিছুটা কমে আসে। তবু দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিত স্বাদ আর ক্রেতাদের আস্থাকে সঙ্গী করে টিকে আছে পটিয়ার আদর্শ মিষ্টি ভান্ডার। ছয় দশকের বেশি সময় ধরে এই দোকান শুধু মিষ্টি বিক্রির জায়গা নয়, বরং স্থানীয় মানুষের স্মৃতি ও ভালোবাসারও একটি অংশ হয়ে রয়েছে।

‘দৃশ্যম’-এর সঙ্গে তুলনা, নতুন মালয়ালম থ্রিলারে মুগ্ধ দর্শক

মালয়ালম সিনেমার পুলিশি তদন্তনির্ভর থ্রিলার মানেই দর্শকের মনে ভেসে ওঠে ‘দৃশ্যম’-এর নাম। জিতু জোসেফ পরিচালিত সেই সিনেমার জনপ্রিয়তার কারণে নতুন কোনো মালয়ালম ক্রাইম থ্রিলার মুক্তি পেলেই শুরু হয় তুলনা। এবার সেই আলোচনায় উঠে এসেছে পরিচালক শাহাদের সিনেমা ‘প্রধমা দৃষ্টিয়া কুট্টাকার’। গত মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সিনেমাটি ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। ৯ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরও এটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পার্বতী থিরুভোথু, বিজয়ারাঘবন, সিদ্ধার্থ ভরতন, ম্যাথু থমাস, বিনয় ফোর্ট ও উন্নিমায়া প্রসাদ অভিনীত সিনেমাটি একটি জটিল পুলিশি তদন্তকে কেন্দ্র করে নির্মিত। প্রায় দুই ঘণ্টা ৩৮ মিনিটের এই ক্রাইম থ্রিলারে রহস্যের পাশাপাশি গুরুত্ব পেয়েছে মানুষের নৈতিকতা, ব্যক্তিগত দুর্বলতা এবং আইন ও বিবেকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব। গল্পের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র আলিনা। স্বামীকে হারানোর পর পুলিশের চাকরিতে যোগ দেওয়া এই নারী কর্মকর্তার জীবনে ছোট মেয়েটিই সবচেয়ে বড় অবলম্বন। নতুন কর্মস্থলে গিয়ে তাঁর পরিচয় হয় জ্যেষ্ঠ কনস্টেবল দিব্যার সঙ্গে। পাশাপাশি দাসন ও শ্রীনাথের জীবনেও চলছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের অপেক্ষা। সাধারণ জীবনযাপন করা এই পুলিশ কর্মকর্তারা সিনেমার প্রচলিত নিখুঁত ও আদর্শ পুলিশ চরিত্রের মতো নন। আরোও পড়ুন,হলিউডের ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন ‘গেম অব থ্রোনস’ অভিনেত্রীকিন্তু তাঁদের একটি ভুল এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যার পরিণতি তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপর গল্পে প্রবেশ করেন অভিজ্ঞ ও খ্যাতিমান পুলিশ কর্মকর্তা হ্যারিস মিরান। একদিকে ভুলের জালে আটকে পড়া কয়েকজন পুলিশ সদস্য, অন্যদিকে দক্ষ তদন্তকারী—এই সংঘাতই সিনেমার রহস্যকে আরও ঘনীভূত করে। সিনেমাটির বড় শক্তি হলো, এখানে কোনো চরিত্রকেই পুরোপুরি নির্ভুল বা প্রশ্নের ঊর্ধ্বে রাখা হয়নি। তদন্ত যত এগোয়, ততই বদলে যায় চরিত্রগুলোর নৈতিক অবস্থান। দর্শকও বারবার নিজের ধারণা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হন। আলিনা চরিত্রে পার্বতী থিরুভোথু আবেগ, অনভিজ্ঞতা ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দিকগুলো বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে হ্যারিস মিরান চরিত্রে বিজয়ারাঘবন তৈরি করেছেন একজন দক্ষ তদন্তকারীর দৃঢ় উপস্থিতি। কিছু জায়গায় গল্প এগিয়ে নিতে সুবিধাজনক পরিস্থিতির আশ্রয় নেওয়া হলেও দীর্ঘ দৈর্ঘ্যের সিনেমাটি অধিকাংশ সময় দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ, রহস্যের নানা স্তর এবং অপ্রত্যাশিত মোড়ের সমন্বয়ে ‘প্রধমা দৃষ্টিয়া কুট্টাকার’ মালয়ালম থ্রিলারের ভক্তদের জন্য আকর্ষণীয় একটি সংযোজন। তবে সিনেমাটি সত্যিই ‘দৃশ্যম’-এর চেয়ে ভালো কি না, তা দর্শকের ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তুলনা সরিয়ে রেখে রহস্য, তদন্ত ও নৈতিক দ্বন্দ্বের গল্প উপভোগ করতে চাইলে সিনেমাটি দেখতে পারেন নেটফ্লিক্সে।

‘দৃশ্যম’-এর সঙ্গে তুলনা, নতুন মালয়ালম থ্রিলারে মুগ্ধ দর্শক

‘নীল রং আমাতেই সাজে’ জয়ার পোস্টে মুগ্ধ ভক্তরা

নীল রঙের পোশাকে নতুন ছবি প্রকাশ করে ফের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। সম্প্রতি নিজের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। ছবি প্রকাশের পর তার চেহারা চোখের চাহনি ও সাজ নিয়ে প্রশংসায় মেতেছেন ভক্তরা।ছবিগুলোতে নীল পোশাকে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে জয়া আহসানকে। নীলের আবেশে তোলা এসব ছবিতে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তার চোখের চাহনি। অনেকেই ছবিগুলো দেখে জয়ার চিরতরুণ সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন।ছবির ক্যাপশনে জয়া আহসান লিখেছেন ‘নীল রং আমাতেই সাজে আর আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের।’ এরপরই পোস্টটির মন্তব্যঘরে ভক্তদের নানা প্রশংসাসূচক মন্তব্য দেখা যায়।আরও পড়ুন,খলনায়ক থেকে জনপ্রিয় নায়ক যেভাবে জসীম হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তিকেউ লিখেছেন ছোটবেলায় জয়া আহসানকে যেমন দেখেছেন এখনো তেমনই দেখেন। আবার কেউ তার পোশাক ও পুরো লুকের প্রশংসা করে বলেছেন তাকে দারুণ লাগছে। আরও অনেক ভক্ত তার সৌন্দর্য ও স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেছেন।বাংলাদেশের নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন জয়া আহসান। পরবর্তী সময়ে কলকাতার চলচ্চিত্রেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় এবং কাজ নির্বাচনের কারণে দুই বাংলার দর্শকদের কাছেই পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই অভিনেত্রী।অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত নিজের ছবি ও কাজের বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন জয়া। তার নতুন পোস্টগুলো প্রায়ই ভক্তদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করে। নীল পোশাকে এবারের ছবিগুলোও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

‘নীল রং আমাতেই সাজে’ জয়ার পোস্টে মুগ্ধ ভক্তরা