শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
৬০তম স্বাধীনতা দিবসে ২৩ হাতি শিকারের সিদ্ধান্তে সমালোচনা

৬০তম স্বাধীনতা দিবসে ২৩ হাতি শিকারের সিদ্ধান্তে সমালোচনা

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ২৩টি হাতি শিকারের অনুমতি দিয়েছে আফ্রিকার দেশ বোতসোয়ানা। দেশটির ৬০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠনের পাশাপাশি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়ান খামাও সিদ্ধান্তটির বিরোধিতা করেছেন। ২ অক্টোবরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটির বিভিন্ন জেলার জন্য নির্ধারিত হাতি শিকারের কোটার অংশ হিসেবে এসব শিকারের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, শিকার করা হাতির মাংস দুস্থ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণ করা হবে। একই উদ্যোগের আওতায় কয়েক প্রজাতির হরিণসহ আরও কিছু বন্যপ্রাণী শিকারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। আফ্রিকান সাভানা হাতি আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘের তালিকায় বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে রয়েছে। তবে বোতসোয়ানায় আনুমানিক ১ লাখ ৩০ হাজার হাতি রয়েছে, যা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি। দেশটির সরকার দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রিত শিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি, হাতির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষ ও হাতির সংঘাত কমাতে নির্দিষ্ট কোটায় শিকার প্রয়োজন। ২০১৯ সালে বোতসোয়ানা হাতি শিকারের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। আরও পড়ুন,যন্তর মন্তরে নারী সাংবাদিকদের যৌন হয়রানির অভিযোগএরপর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিবছর ২০০ থেকে ৪০০টির বেশি হাতি শিকারের অনুমতি দিয়েছে দেশটি। স্থানীয় কৃষিজমি ও অবকাঠামোর ক্ষতি এবং মানুষ হতাহতের মতো ঘটনা নিয়ন্ত্রণেও শিকারের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়। তবে বোতসোয়ানা এলিফ্যান্ট প্রটেকশন সোসাইটি এই সিদ্ধান্তকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে সমালোচনা করেছে। সংগঠনটির আশঙ্কা, একটি হাতিকে হত্যা করা হলে পুরো পাল প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। এতে হাতির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্যও ঝুঁকি বাড়তে পারে। এদিকে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বোতসোয়ানার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা ইয়ান খামাও সিদ্ধান্তটির বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, জাতীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে হাতি হত্যার এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে দেশটির বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যান বিভাগের উপপরিচালক ডিমাকাতসো এনতশেবে সরকারের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ থেকে পাওয়া সুবিধা অবশ্যই সেই সব জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো উচিত, যারা বন্যপ্রাণীর সঙ্গে বসবাস করে এবং তাদের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে তদন্তের পর

গাজী নজরুল ইসলামকে গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে দলটির পক্ষ থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়।এর মধ্যেই গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় মরিয়মের বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় গ্রেপুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নিজে দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংস্তারের পর গাজী নজরুল বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে তাঁর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয় না। আড়ও পড়ুন,বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ঠেকাতে কঠোর নজরদারিবাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নিজে দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তাঁর আসন শূন্য হয়।অন্যদিকে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো সংসদ সদস্য নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর না পেরোলে তিনি সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হন।স্পিকার জানিয়েছেন, গাজী নজরুলের ক্ষেত্রে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয় তা দেখার পর নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হবে। এরপর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কোনো বিরোধ দেখা দিলে সংবিধান অনুযায়ী সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিষ্পত্তির জন্য যেতে পারে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।অর্থাৎ বর্তমানে শুধু দল থেকে বহিষ্কারের কারণে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে চলমান মামলার তদন্ত এবং পরবর্তী আইনগত ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার ওপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে তদন্তের পর

এএফএমসির ১৯তম কাউন্সিল সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ বা এএফএমসির ১৯তম কাউন্সিল অব দ্য কলেজ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সেনাবাহিনী প্রধান এবং কাউন্সিল অব দ্য কলেজের চেয়ারম্যান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর বা আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সভার বিষয়টি জানিয়েছে।আইএসপিআর জানায়, ১৯৯৯ সালের ২০ জুন ৫৬ জন মেডিক্যাল ক্যাডেট নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির মাধ্যমে এএফএমসির একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চিকিৎসা শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসা এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার বিষয়ে এবারের কাউন্সিল সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।সভায় একাডেমিক উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,অনিয়ম হলে বন্ধ হবে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারএ ছাড়া এএফএমসির বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ২৯তম ব্যাচের ক্যাডেট ভর্তি কার্যক্রম নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে একাডেমিক ভবন এবং নারী ডরমেটরির বাড়তি অংশ নির্মাণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে নিজস্ব ট্রেনিং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ। ভবিষ্যতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্যাডেট সংখ্যা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা শিক্ষা প্রশিক্ষণ গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়েও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সভা শেষে সেনাবাহিনী প্রধান এএফএমসির বিদ্যমান ক্লিনিক্যাল স্কিলস অ্যান্ড সিমুলেশন ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। পরে ল্যাবরেটরিটিকে আরও আধুনিক ও বড় পরিসরে স্থানান্তরের লক্ষ্যে নির্ধারিত নতুন স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।সভায় সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও প্রতিরক্ষা অর্থ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং সেনাবাহিনী নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এএফএমসির ১৯তম কাউন্সিল সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ সেপ্টেম্বর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সম্ভাব্য সূচি নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে তা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আগামী বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সচিবদের অংশগ্রহণে আন্তমন্ত্রণালয় সভার মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনি এখতিয়ার অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এ কারণে সম্ভাব্য নির্বাচনী সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।এর আগে নির্বাচন কমিশন থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনার কথা জানা যায়। সম্ভাব্য সূচি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহলে আলোচনার মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হলো।আড়ও পড়ুন,জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহএদিকে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ঢাকার যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজের কারণে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে যাতে জনদুর্ভোগ না বাড়ে সে জন্য একই এলাকায় ইউটিলিটি স্থানান্তরসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণকাজ সমন্বিতভাবে করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ তদারকিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় প্রতি ১৫ দিন পরপর উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।প্রয়োজনে কর্মকর্তা পর্যায়ের সাব-কমিটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ সেপ্টেম্বর