রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর সুযোগ রেখে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তার দাবি, নতুন এই সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলোকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও স্পর্শকাতর বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।বিশাল বরফে ঢাকা গ্রিনল্যান্ড। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর মেরু অঞ্চলের এই দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।এই গ্রিনল্যান্ড নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, তার নির্দেশনায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র।ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত হয়েছে।চুক্তিটির নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ থাকবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।গ্রিনল্যান্ডের বরফে ঢাকা বিস্তীর্ণ অঞ্চল,আড়ও পড়ুন,রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ গ্রিনল্যান্ডের মানচিত্র, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য, ডেনমার্কের পতাকা, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের দৃশ্য।তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।নতুন করে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সমঝোতায় ন্যাটোর বাইরের দেশগুলোর গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা থাকবে।পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সংবেদনশীল বিনিয়োগের সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়েছে।সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রবেশাধিকার, সামরিক ঘাঁটি ব্যব

গবেষণা প্রতিষ্ঠান আছে, নেই স্থায়ী পরিচালক-জনবল

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ। তবে প্রতিষ্ঠার এক যুগ পেরিয়ে গেলেও নানা সংকটে ধুঁকছে গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো পরিচালক পায়নি ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ। ২৩টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র তিনজন। প্রয়োজনীয় জনবল ও স্থায়ী নেতৃত্বের অভাবে গবেষণা, প্রকাশনা, তথ্য সংরক্ষণ এবং নজরুলের স্মৃতি ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক কার্যক্রম প্রত্যাশিত গতি পাচ্ছে না।বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন একই সঙ্গে ইনস্টিটিউটটির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করা তার জন্যও কঠিন হয়ে পড়ছে। আড়ও পড়ুন,শিক্ষার মানের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদফলে পূর্ণকালীন পরিচালক না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির অনেক কার্যক্রমই সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে।ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদুল আনাম জানান, সীমিত জনবল নিয়েই নিয়মিত গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী পরিচালক না থাকা এবং জনবল সংকটের কারণ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই বিস্তারিত বলতে পারবে বলে জানান তিনি।তবে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কিছু কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ইনস্টিটিউটটি। গবেষণা অনুদান প্রদান, বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশ এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারতের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে ‘নজরুল জার্নাল’ প্রকাশও প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর একটি।কিন্তু সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, দর্শন ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে পরিসরে কাজ করার কথা ছিল, বাস্তবে তার তুলনায় কার্যক্রম এখনো অনেক সীমিত।এরই মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভবনটি হস্তান্তরের কথা রয়েছে। নতুন ভবনে ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজসহ আরও চারটি ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান আছে, নেই স্থায়ী পরিচালক-জনবল