বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

পোশাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

পোশাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ
পোশাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ

পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলন দমনে সরকার মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল না হয়ে সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বুধবার (৪ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এসব কথা বলেন জি এম কাদের। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। জি এম কাদের বলেন, দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে পোশাকশিল্প খাত থেকে। অথচ উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে বর্তমান বেতন কাঠামোতে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, চিকিৎসা ব্যয় ও রান্নার জ্বালানির খরচ মেটানোও তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে উঠছে। 

আরও পড়ুন,আইজিপিকে অপসারণের দাবি এনসিপির

তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতে কর্মরত লাখ লাখ শ্রমিক জীবনধারণের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করতে পারছেন না। এ পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলন করছেন। আন্দোলন বন্ধ করতে শ্রমিকসহ আশপাশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে শারীরিক নির্যাতন ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। গণমাধ্যমের খবরের বরাত দিয়ে জি এম কাদের দাবি করেন, গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আহত তৌফিক নামে এক পোশাকশ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারটিকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। কারখানার উৎপাদন পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট, ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং বন্দরগুলোর অব্যবস্থাপনার কারণে পোশাকশিল্পের মালিকেরাও চাপে রয়েছেন।


শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের দাবিকে ন্যায্য উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, সংকট সমাধানে সরকারকে শ্রমিকদের মজুরি বাস্তবায়নে ভর্তুকি দিতে হবে।


এ জন্য নগদ অর্থসহায়তা অথবা রেশনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে চাল, ডাল, আটা, ভোজ্যতেল, চিনি, লবণ ও এলপিজি গ্যাসের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভর্তুকি মূল্যে শ্রমিকদের সরবরাহের প্রস্তাব দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

বিষয় : সহানুভূতিশীল আন্দোলন

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


পোশাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলন দমনে সরকার মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল না হয়ে সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বুধবার (৪ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এসব কথা বলেন জি এম কাদের। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। জি এম কাদের বলেন, দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে পোশাকশিল্প খাত থেকে। অথচ উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে বর্তমান বেতন কাঠামোতে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, চিকিৎসা ব্যয় ও রান্নার জ্বালানির খরচ মেটানোও তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে উঠছে। 

আরও পড়ুন,আইজিপিকে অপসারণের দাবি এনসিপির

তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতে কর্মরত লাখ লাখ শ্রমিক জীবনধারণের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করতে পারছেন না। এ পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলন করছেন। আন্দোলন বন্ধ করতে শ্রমিকসহ আশপাশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে শারীরিক নির্যাতন ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। গণমাধ্যমের খবরের বরাত দিয়ে জি এম কাদের দাবি করেন, গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আহত তৌফিক নামে এক পোশাকশ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারটিকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। কারখানার উৎপাদন পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট, ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং বন্দরগুলোর অব্যবস্থাপনার কারণে পোশাকশিল্পের মালিকেরাও চাপে রয়েছেন।


শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের দাবিকে ন্যায্য উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, সংকট সমাধানে সরকারকে শ্রমিকদের মজুরি বাস্তবায়নে ভর্তুকি দিতে হবে।


এ জন্য নগদ অর্থসহায়তা অথবা রেশনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে চাল, ডাল, আটা, ভোজ্যতেল, চিনি, লবণ ও এলপিজি গ্যাসের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভর্তুকি মূল্যে শ্রমিকদের সরবরাহের প্রস্তাব দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পোশাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ
0:00 0:00
1.0x