রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
পুরস্কার না পেলেও মেসিই সেরা, ইয়ামালের মুখে প্রশংসা

পুরস্কার না পেলেও মেসিই সেরা, ইয়ামালের মুখে প্রশংসা

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও আলো ছড়িয়েছেন লিওনেল মেসি।গ্রুপ পর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত আট ম্যাচে মেসির গোল আটটি। সঙ্গে রয়েছে চারটি গোল করানোর অবদান।টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকেরও দেখা পেয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও দলের দুটি গোলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।মেসির ম্যাচের দৃশ্য, গোল উদ্‌যাপন, সতীর্থদের সঙ্গে মুহূর্ত এবং ফাইনালের দৃশ্য।শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা।ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ শেষ করতে হয় মেসিদের।ব্যক্তিগত পুরস্কারের তালিকাতেও মেসির নাম ছিল না। গোল্ডেন বুট জিতেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল উঠেছে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে।তবে মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে ভিন্ন মূল্যায়ন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের।ইয়ামালের মতে, মেসি এমন একটি পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, যা অনেকের প্রত্যাশারও বাইরে ছিল।আড়ও পড়ুন,প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিততিনি মনে করেন, আর্জেন্টিনায় অনেক ভালো খেলোয়াড় থাকলেও মেসি সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন।ইয়ামালের ভাষায়, মেসি ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়—আর তাঁর কাছে এবারের বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ও মেসিই।বিশ্বকাপের শিরোপা ও ব্যক্তিগত পুরস্কার—দুটিই এবার মেসির হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে আবারও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।আর তাঁর সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি মিলেছে প্রতিপক্ষ শিবিরের অন্যতম বড় তারকা লামিন ইয়ামালের প্রশংসায়।

ব্যালন ডি’অর নিয়ে ইয়ামাল এমবাপ্পের লড়াই

ব্যালন ডি’অর ট্রফি নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে দুই তারকার লড়াই। মেসি-রোনালদোর স্বর্ণযুগের পর এবার ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার হিসেবে সামনে এসেছেন লামিনে ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।২০০৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ব্যালন ডি’অরে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এবার তাঁদের জায়গায় নতুন প্রজন্মের দুই তারকাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একই ধরনের উত্তেজনা।গত সপ্তাহে ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয়েছে কে এই পুরস্কার জিতবেন তা নিয়ে আলোচনা। তালিকায় ইয়ামাল ও এমবাপ্পের পাশাপাশি রয়েছেন হ্যারি কেইনসহ আরও কয়েকজন তারকা।নিজের দাবির কথা সবার আগে জানিয়েছেন এমবাপ্পে। তাঁর মতে ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য এটি তাঁর দারুণ একটি বছর। বিশ্বকাপে নিজের পারফরম্যান্স ও অর্জনের কথাও সামনে এনেছেন ফরাসি তারকা।তবে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনার স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামালও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন বিশ্বের সেরা দুই খেলোয়াড়ের একজন তিনি এবং এমবাপ্পে। আড়ও পড়ুন,সেঞ্চুরি নেই তবু ২ হাজার ৪৬০ রান নতুন বিশ্বরেকর্ডনিজের অর্জনের ভিত্তিতে এবারের ব্যালন ডি’অর তাঁরই প্রাপ্য বলেও মনে করেন ইয়ামাল।ইয়ামালের দাবির পেছনেও রয়েছে শক্ত যুক্তি। বার্সেলোনার হয়ে গত মৌসুমে ৪৫ ম্যাচে ২৪ গোল করার পাশাপাশি ১৮টি গোলে সহায়তা করেছেন এই তরুণ উইঙ্গার। দলকে লা লিগা জিততেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।অন্যদিকে এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে মৌসুমে করেছেন ৪২ গোল। বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ২২ গোল নিয়ে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন তিনি। তবে রিয়াল মাদ্রিদ বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেনি।এর বাইরে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে আছেন গতবারের বিজয়ী উসমান দেম্বেলে এবং বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন। বুন্দেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল এবং সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৬৪ গোল করেছেন কেইন।আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে ঘোষণা করা হবে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর নাম। আন্তর্জাতিক নির্বাচিত সাংবাদিকদের ভোটে নির্ধারিত হবে বিজয়ী।এখন প্রশ্ন একটাই—মেসি-রোনালদোর পর ব্যালন ডি’অরের রাজত্বে নতুন যুগের শুরুটা করবেন কে? ইয়ামাল নাকি এমবাপ্পে?

ব্যালন ডি’অর নিয়ে ইয়ামাল এমবাপ্পের লড়াই