শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মায়ের গর্ভেই শিশুর টিউমার ধ্বংস করলেন চীনের চিকিৎসকেরা

মায়ের গর্ভেই শিশুর টিউমার ধ্বংস করলেন চীনের চিকিৎসকেরা

মায়ের গর্ভে থাকা শিশুর বুকের মারাত্মক টিউমার অস্ত্রোপচার ছাড়াই সংকুচিত করে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন চীনের একদল চিকিৎসক। আধুনিক মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁরা গর্ভস্থ শিশুর ফুসফুসের জন্মগত ত্রুটিজনিত টিউমার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছেন। চিকিৎসকদের এ সাফল্য ভবিষ্যতে জটিল রোগে আক্রান্ত গর্ভস্থ শিশুদের চিকিৎসায় নতুন আশা জাগিয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ রোগের নাম কনজেনিটাল পালমোনারি এয়ারওয়ে ম্যালফরমেশন বা সিপিএএম। এটি ফুসফুসের একটি জন্মগত ত্রুটি। চিকিৎসকদের মতে, প্রতি ২৫ থেকে ৩৫ হাজার গর্ভধারণের মধ্যে প্রায় একটিতে এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ত্রুটি গুরুতর হয়ে ওঠে না। তবে কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে টিউমার বা অস্বাভাবিক টিস্যু দ্রুত বড় হতে পারে। এতে গর্ভস্থ শিশুর হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এমনকি শিশুর শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে গর্ভেই মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সাধারণত এ রোগের চিকিৎসায় পরিস্থিতি অনুযায়ী স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিউমারের সিস্টে জমে থাকা তরল বের করে দিতে বিশেষ নল ব্যবহার করা হয়।আরও পড়ুন,পাকিস্তান সৌদি তুরস্কের দীর্ঘ সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা চুক্তিগুরুতর পরিস্থিতিতে ‘ফিটাল লোবেক্টমি’ নামের জটিল অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এসব পদ্ধতির সঙ্গে বিভিন্ন ঝুঁকি জড়িত। সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী আলট্রাসাউন্ড ইন অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গাইনোকোলজিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে চীনের চিকিৎসকদের অভিনব চিকিৎসাপদ্ধতির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪০ বছর বয়সী এক নারীর গর্ভে থাকা শিশুর ২২ সপ্তাহের মাথায় টিউমারটি প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটার বড় হয়ে যায়। টিউমারটি শিশুর হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি করছিল। পাশাপাশি শিশুর পেটে বিপজ্জনক মাত্রায় তরল জমার লক্ষণও দেখা যায়। এ অবস্থায় চিকিৎসকেরা মায়ের পেটের ওপর দিয়ে একটি সরু সুই গর্ভস্থ শিশুর ফুসফুসের টিউমারে প্রবেশ করান। এরপর সুইয়ের মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভ শক্তি প্রয়োগ করে টিউমারের অস্বাভাবিক কোষগুলো উত্তপ্ত ও ধ্বংস করা হয়। এ প্রযুক্তিতে টিউমারের ভেতরে তাপ তৈরি করে অস্বাভাবিক টিস্যু নষ্ট করা হয়। চিকিৎসার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই টিউমারটি উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট হয়ে আসে। একই সঙ্গে শিশুর পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত তরলও পুরোপুরি দূর হয়ে যায়। ফলে গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। পরবর্তী সময়ে গর্ভধারণের ৩৭তম সপ্তাহে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের সময় তার ওজন ছিল প্রায় দুই দশমিক নয় কেজি। চিকিৎসকেরা এ পদ্ধতিকে গর্ভস্থ শিশুর সিপিএএম চিকিৎসায় মাইক্রোওয়েভ অ্যাবলেশনের প্রথম সফল প্রয়োগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রচলিত বড় অস্ত্রোপচারের তুলনায় এটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি হওয়ায় ভবিষ্যতে এর ব্যবহার নিয়ে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, একটি মাত্র ঘটনার ফলাফলের ভিত্তিতে এ চিকিৎসাপদ্ধতির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। আরও গবেষণা ও একাধিক রোগীর ক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে এর ফলাফল যাচাই করতে হবে। ভবিষ্যতে এ পদ্ধতি নিরাপদ, কার্যকর ও পুনরায় প্রয়োগযোগ্য প্রমাণিত হলে গর্ভস্থ শিশুর জটিল টিউমার চিকিৎসায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি কমিয়ে আরও অনেক শিশুর জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

পাকিস্তানের আকাশ এড়িয়ে চীনের হোটান আকাশপথ ব্যবহারের আলোচনা, ইউরোপগামী ফ্লাইটে নতুন সম্ভাবনা

পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ইউরোপগামী ভারতীয় উড়োজাহাজগুলোকে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপথে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে ফ্লাইটের সময় ও জ্বালানি ব্যয় দুটোই বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পথ হিসেবে চীনের সিনকিয়াং অঞ্চলের হোটান এলাকার আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে ভারত।  ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী রাম মোহন নাইডু জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার পর ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক দিন পর ভারতও পাকিস্তানের উড়োজাহাজের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকেই ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোকে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বিকল্প দীর্ঘপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি থেকে ইস্তাম্বুল যেতে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করা না গেলে প্রায় ৭ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট সময় লাগতে পারে। অথচ পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করা গেলে একই যাত্রায় সময় প্রায় ৬ ঘণ্টা ৭ মিনিটে নেমে আসত। ফলে বিকল্প হিসেবে হোটানের আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়টি ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। আড়ও পড়ুন,নাশকতায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহঅতিরিক্ত জ্বালানি ও পরিচালন ব্যয়ের কারণে সংস্থাটির ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী কয়েকটি ফ্লাইটে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। হোটান হয়ে উড়োজাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়া গেলে সময় ও পরিচালন ব্যয় কমতে পারে বলে মনে করছে ভারতীয় বিমান খাত। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। হোটান চীনের সিনকিয়াং অঞ্চলে অবস্থিত, যা ভৌগোলিক ও নিরাপত্তাগত দিক থেকে চীনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত রুটে ভারতীয় বিমানকে লাদাখের দিক দিয়ে চীনা আকাশসীমায় প্রবেশ করে হোটান অতিক্রম করে মধ্য এশিয়ার দিকে যেতে হবে। এ ছাড়া অঞ্চলটির দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বিমানবন্দরের সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় নিতে হবে। ফলে বাণিজ্যিক সুবিধার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও আকাশসীমা ব্যবস্থাপনার বিষয়ও চীনের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মধ্যেই ভারত-চীন সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগও ধীরে ধীরে পুনরায় চালু হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতি হোটান আকাশপথ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছে। তবে এখন পর্যন্ত হোটান আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা কোন পর্যায়ে যায় এবং চীন ভারতীয় বিমানকে এই রুট ব্যবহারের অনুমতি দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

পাকিস্তানের আকাশ এড়িয়ে চীনের হোটান আকাশপথ ব্যবহারের আলোচনা, ইউরোপগামী ফ্লাইটে নতুন সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের দুই জায়ান্ট পান্ডা

চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার একটি চিড়িয়াখানার উদ্দেশে যাত্রা করেছে দুটি জায়ান্ট পান্ডা। দেশ দুটির সম্পর্ক জোরদারে বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের ‘পান্ডা কূটনীতি’র ধারাবাহিকতায় তাদের পাঠানো হচ্ছে।চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ২টা ৫৫ মিনিটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চেংদু থেকে আটলান্টার উদ্দেশে উড়াল দেয় পান্ডা দুটি। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফর শেষ হওয়ার এক দিন পর তাদের যাত্রা শুরু হয়।সফরে শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি আরও বাড়ানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে একটি হটলাইন চালুর বিষয়ে একমত হন। এর পরপরই নতুন দুই পান্ডার যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে।পান্ডা দুটির নাম পিং পিং ও ফু শুয়াং। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জন্ম নেওয়া পুরুষ পান্ডা পিং পিংয়ের নামের অর্থ ‘শান্তি’। গাছে ওঠায় সে বিশেষ দক্ষ। আর একই বছরের ১৮ অক্টোবর জন্ম নেওয়া স্ত্রী পান্ডা ফু শুয়াংয়ের নামের অর্থ ‘দ্বৈত আশীর্বাদ’। খাবার খুঁজে পেতে সে বেশ দক্ষ।চেংদুর জায়ান্ট পান্ডা ব্রিডিং রিসার্চ বেসের কর্মকর্তারা বয়স, স্বাস্থ্য, জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও স্বভাব বিবেচনা করে পান্ডা দুটিকে নির্বাচন করেছেন। তাদের শান্ত স্বভাব এবং একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে চলার সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,উত্তরপ্রদেশে টানা বৃষ্টিতে ৫৬ জনের মৃত্যুপ্রায় ১৫ ঘণ্টার বিমানযাত্রা শেষে আটলান্টায় পৌঁছানোর পর পান্ডা দুটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। তাদের দেখভালের জন্য চীন থেকে পশুচিকিৎসক ও প্রজনন বিশেষজ্ঞরাও যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন।দীর্ঘদিন ধরেই পান্ডা বিনিময়কে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের একটি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে চীন। শি জিনপিংও বলেছেন, জায়ান্ট পান্ডা চীনা ও মার্কিন জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের দূত।আটলান্টা চিড়িয়াখানায় এর আগেও পান্ডা ছিল। লুন লুন ও ইয়াং ইয়াং নামের এক জোড়া পান্ডা সেখানে ২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সাতটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল। পরে তাদের চেংদুতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।নতুন পান্ডা দুটির যাত্রার আগে এক মাস কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় এবং দীর্ঘ বিমানযাত্রার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। খাঁচায় অভ্যস্ত করার পাশাপাশি উড়োজাহাজের উচ্চ শব্দের সঙ্গেও তাদের পরিচিত করা হয়েছে।পান্ডা দুটির পরিচর্যাকারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন যত্ন করে বড় করার পর তাদের বিদায় দেওয়া আবেগের। জন্মের সময় মাত্র ১০০ গ্রামের কিছু বেশি ওজনের এই দুই পান্ডা এখন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঠিকানার পথে।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের দুই জায়ান্ট পান্ডা

প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিত

নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রস্তুত নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। কিন্তু প্রতিপক্ষ চীন? মাঠেই এল না! এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই এমন অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। চীনের অনুরোধে আয়োজন করা হয়েছিল একটি প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে দেখা গেল না চীনের নারী ক্রিকেট দলকে।শনিবার সকাল ৯টায় ম্যাচ। তাই নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই মাঠে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ দল।সকাল সাড়ে ৭টায় মাঠে গিয়ে অবশ্য শুরুতেই আসে অনিশ্চয়তার খবর। কিউরেটরের কাছ থেকে বাংলাদেশ জানতে পারে, ম্যাচটি নাও হতে পারে।কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হওয়া যায়—চীন দল মাঠে আসছে না।বাংলাদেশ নারী দলের ম্যানেজার ফাইয়াজ আহমেদ জানান, ম্যাচ না হওয়ায় পরদিনের সেমিফাইনালের প্রস্তুতিতেই মনোযোগ দিয়েছে দল।মূলত চীনের আগ্রহেই আয়োজন করা হয়েছিল এই প্রীতি ম্যাচ। বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ জানান, অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া—OCA বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে ম্যাচ খেলার অনুরোধ করেছিল।বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশও তাতে সম্মতি দেয়। সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও চীন মাঠে না আসায় বিষয়টি OCA-কে জানানো হয়েছে।চীনের পক্ষ থেকে ম্যাচে অনুপস্থিত থাকার কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আড়ও পড়ুন,দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারল বাংলাদেশতবে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ধারণা করছেন, আনুষ্ঠানিক ম্যাচ আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের যোগাযোগে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে। অবশ্য এটি এখনো নিশ্চিত নয়।এর আগে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ ও চীনের নারী ক্রিকেট দলের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়নি। মাঠ খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় এবং আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশ সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।এরপর চীনের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু দ্বিতীয়বারও মুখোমুখি হওয়া হলো না দুই দলের।ফলে এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতায় যোগ হলো আরেকটি অদ্ভুত অধ্যায়।প্রতিপক্ষ না এলেও থেমে নেই বাংলাদেশ। সামনে সেমিফাইনাল—সেখানেই এখন পুরো মনোযোগ নিগার সুলতানা জ্যোতিদের।

প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিত

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদনপাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।বৈঠকে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলমও বৈঠকে অংশ নেন।চীনা দূতাবাসের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় রিজভী ও ইয়াও ওয়েনের এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো।

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে রিজভী-ইয়াও ওয়েন বৈঠক

বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আলোচনা হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতে।মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ বৈঠক।রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।সাক্ষাতের শুরুতেই রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।পরে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।বিশেষ করে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের প্রার্থী নিয়ে যা বললেন গোলাম পরওয়ারবৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক এটাচে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম ও এপিএস জাহেদুল আলমও বৈঠকে অংশ নেন।বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক যোগাযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা উঠে এসেছে এ সৌজন্য সাক্ষাতে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও নতুন মাত্রা পেতে পারে।

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে রিজভী-ইয়াও ওয়েন বৈঠক

চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার আলোচনা চলছে জানালেন বিমানমন্ত্রী

চীন থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানিয়েছেন, এসব ট্রেন ঘণ্টায় সাড়ে ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে চলতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গতি কিছুটা কম হলেও তাতে সমস্যা নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিমানমন্ত্রী।বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বিমানমন্ত্রী বলেন, গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া কোনো সরকার আবার ফিরে এসেছে—সারা পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই। সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রী এমপি ও নেতাদের একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকেও তিনি নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেন।আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফিরে আসা নিয়ে যারা চিন্তা করছেন সেটি দুরাশা। আড়ও পড়ুন,বাব আল–মানদেবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইয়েমেনে তীব্র সংঘাতবরং দলটির নিজেদের শুদ্ধিকরণের প্রক্রিয়া করা প্রয়োজন।দেশের বিমানবন্দর নিয়েও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে আটটি বিমানবন্দর চালু রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। সামনে আরও বেশ কিছু উড়োজাহাজ আসছে। তাই আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশে নতুন একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি।শেরপুরের পর্যটন উন্নয়ন নিয়েও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। ঝিনাইগাতীতে একটি মোটেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে জেলার মানুষকে রক্ষায় মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীতে বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান।সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনসহ সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সার্কিট হাউজে পৌঁছালে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী বিমানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার আলোচনা চলছে জানালেন বিমানমন্ত্রী