রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিত

প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিত

নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রস্তুত নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। কিন্তু প্রতিপক্ষ চীন? মাঠেই এল না! এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই এমন অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। চীনের অনুরোধে আয়োজন করা হয়েছিল একটি প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে দেখা গেল না চীনের নারী ক্রিকেট দলকে।শনিবার সকাল ৯টায় ম্যাচ। তাই নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই মাঠে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ দল।সকাল সাড়ে ৭টায় মাঠে গিয়ে অবশ্য শুরুতেই আসে অনিশ্চয়তার খবর। কিউরেটরের কাছ থেকে বাংলাদেশ জানতে পারে, ম্যাচটি নাও হতে পারে।কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হওয়া যায়—চীন দল মাঠে আসছে না।বাংলাদেশ নারী দলের ম্যানেজার ফাইয়াজ আহমেদ জানান, ম্যাচ না হওয়ায় পরদিনের সেমিফাইনালের প্রস্তুতিতেই মনোযোগ দিয়েছে দল।মূলত চীনের আগ্রহেই আয়োজন করা হয়েছিল এই প্রীতি ম্যাচ। বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ জানান, অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া—OCA বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে ম্যাচ খেলার অনুরোধ করেছিল।বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশও তাতে সম্মতি দেয়। সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও চীন মাঠে না আসায় বিষয়টি OCA-কে জানানো হয়েছে।চীনের পক্ষ থেকে ম্যাচে অনুপস্থিত থাকার কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আড়ও পড়ুন,দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারল বাংলাদেশতবে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ধারণা করছেন, আনুষ্ঠানিক ম্যাচ আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের যোগাযোগে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে। অবশ্য এটি এখনো নিশ্চিত নয়।এর আগে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ ও চীনের নারী ক্রিকেট দলের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়নি। মাঠ খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় এবং আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশ সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।এরপর চীনের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু দ্বিতীয়বারও মুখোমুখি হওয়া হলো না দুই দলের।ফলে এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতায় যোগ হলো আরেকটি অদ্ভুত অধ্যায়।প্রতিপক্ষ না এলেও থেমে নেই বাংলাদেশ। সামনে সেমিফাইনাল—সেখানেই এখন পুরো মনোযোগ নিগার সুলতানা জ্যোতিদের।

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদনপাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।বৈঠকে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলমও বৈঠকে অংশ নেন।চীনা দূতাবাসের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় রিজভী ও ইয়াও ওয়েনের এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো।

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে রিজভী-ইয়াও ওয়েন বৈঠক

বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আলোচনা হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতে।মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ বৈঠক।রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।সাক্ষাতের শুরুতেই রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।পরে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।বিশেষ করে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের প্রার্থী নিয়ে যা বললেন গোলাম পরওয়ারবৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক এটাচে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম ও এপিএস জাহেদুল আলমও বৈঠকে অংশ নেন।বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক যোগাযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা উঠে এসেছে এ সৌজন্য সাক্ষাতে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও নতুন মাত্রা পেতে পারে।

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে রিজভী-ইয়াও ওয়েন বৈঠক

চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার আলোচনা চলছে জানালেন বিমানমন্ত্রী

চীন থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানিয়েছেন, এসব ট্রেন ঘণ্টায় সাড়ে ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে চলতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গতি কিছুটা কম হলেও তাতে সমস্যা নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিমানমন্ত্রী।বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বিমানমন্ত্রী বলেন, গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া কোনো সরকার আবার ফিরে এসেছে—সারা পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই। সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রী এমপি ও নেতাদের একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকেও তিনি নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেন।আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফিরে আসা নিয়ে যারা চিন্তা করছেন সেটি দুরাশা। আড়ও পড়ুন,বাব আল–মানদেবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইয়েমেনে তীব্র সংঘাতবরং দলটির নিজেদের শুদ্ধিকরণের প্রক্রিয়া করা প্রয়োজন।দেশের বিমানবন্দর নিয়েও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে আটটি বিমানবন্দর চালু রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। সামনে আরও বেশ কিছু উড়োজাহাজ আসছে। তাই আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশে নতুন একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি।শেরপুরের পর্যটন উন্নয়ন নিয়েও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। ঝিনাইগাতীতে একটি মোটেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে জেলার মানুষকে রক্ষায় মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীতে বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান।সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনসহ সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সার্কিট হাউজে পৌঁছালে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী বিমানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার আলোচনা চলছে জানালেন বিমানমন্ত্রী