শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ইশরাকের পিস্তল উঁচানোর ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

ইশরাকের পিস্তল উঁচানোর ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

মাদকবিরোধী অভিযানের নামে পিস্তল উঁচিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ তুলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তাঁর দাবি, গেন্ডারিয়া এলাকায় প্রতিমন্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ড ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দেয়। রোববার ১৮ অক্টোবর দেওয়া এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি জুবায়ের। বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশে মাদকের বিস্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সরকারের স্বল্প সময়ের মধ্যে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর চেষ্টা করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জুবায়েরের দাবি, এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ অক্টোবর শনিবার বিকেলে গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পিস্তল উঁচিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, তা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।আরও পড়ুন,সরকারকে নয় ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করবে জামায়াত জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, দেশের প্রচলিত অস্ত্র আইন অনুযায়ী নিজের নিরাপত্তা ছাড়া বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র উঁচিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং তাঁর দেহরক্ষীদের আগ্রাসী ভূমিকা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ইশরাক হোসেন নিজের কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করে জনমনে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দায়িত্বশীল ব্যক্তির আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং তা সন্ত্রাসীদের আরও উৎসাহিত করতে পারে। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এ ঘটনার প্রতিকার চেয়েছেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় করা, আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মাদক নির্মূলসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে মার্জিত ও জনবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণেরও আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।

চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে উন্নয়নকাজ না করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনির বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার, ১৭ অক্টোবর দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ১৫ অক্টোবর বামনা আসমাতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির এক কর্মীসভায় নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, দলীয় মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে কোনো উন্নয়নকাজ করা হবে না। জামায়াতের এই নেতা বক্তব্যটিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন উল্লেখ করে বলেন, এটি জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও অভিযোগ করেন, চিফ হুইপ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, দলীয় প্রার্থী জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মানুষ উন্নয়নকাজের জন্য তাঁর কাছে আসতে পারবেন না। আরও পড়ুন,অধিকার সুরক্ষিত থাকলে সমর্থন জানাবেন হিন্দুরা: সালাহউদ্দিনঅন্য প্রার্থী নির্বাচিত হলে ওই ইউনিয়নের ভাগ্য পুড়বে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।জামায়াতের এই নেতা বলেন, এ ধরনের বক্তব্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের হুমকি এবং নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি জনগণের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা। বিবৃতিতে বর্তমান সরকারের কয়েকজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তাঁর অভিযোগ, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার মতো বক্তব্য গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে কেউ কেউ নব্য ফ্যাসিবাদের পরিচয় দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের এই নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এমন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি। তবে এ ঘটনায় নূরুল ইসলাম মনির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা সরবরাহ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত

নীতিনির্ধারণে পরামর্শ নিতে উপদেষ্টা পরিষদ গড়ছে জামায়াত

দলের নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ নিতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সরাসরি দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, তবে বিভিন্নভাবে জামায়াতকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছেন—এমন ব্যক্তিদের এই পরিষদে যুক্ত করার চিন্তা করছে দলটি। বিশেষ করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও তুলনামূলক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের পরিষদে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের আলোচনা শুরু হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা আরও গতি পায়। গত জুনে দলের সর্বশেষ মজলিশে শুরার বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম জানিয়েছেন, উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আগামী মজলিশে শুরার বৈঠকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামো, সদস্য নির্বাচন, আরোও পড়ুন,পাচার করা অর্থ দিয়ে নাশকতার ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভীদায়িত্ব এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা এসব বিষয় বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে চায় জামায়াত। এ জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও মজলিশে শুরার পরবর্তী বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পরবর্তী শুরার বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব তোলা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার দলের আমির শফিকুর রহমানের। প্রস্তাবটি আলোচনায় এলে শুরার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পরিষদ গঠনের অনুমোদন পাওয়া গেলে দলের গঠনতন্ত্রে আলাদা ধারা বা উপধারা যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদের সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করা হবে। জামায়াত নেতাদের ভাষ্য, দলের প্রতি সমর্থন থাকলেও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নন—এমন অনেক ব্যক্তির অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান নীতিনির্ধারণে কাজে লাগাতেই এই উদ্যোগ। তবে পরিষদের সদস্যসংখ্যা, সদস্য বাছাইয়ের প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

নীতিনির্ধারণে পরামর্শ নিতে উপদেষ্টা পরিষদ গড়ছে জামায়াত

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও মো. আবু সাদিককে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির। অন্যদিকে মো. আবু সাদিক কায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের সহসভাপতি বা ভিপি। অনুষ্ঠানে সেলিম উদ্দিনকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সম্প্রতি তাঁর খাল ও আবর্জনা পরিষ্কারসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন শফিকুর রহমান। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করে জামায়াতের আমির বলেন, ডাকসুকে যেভাবে সাজানো হয়েছে, একইভাবে সাদিক কায়েম ঢাকা দক্ষিণ সিটিকেও সাজাবেন বলে তিনি আশা করেন। আরও পড়ুন,যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরঅনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকারের কাজ ঘুমানো নয়। জনগণ শান্তিতে ঘুমাবে আর সরকার তাদের নিরাপত্তা দেবে—এটাই সরকারের দায়িত্ব। এ সময় রাজধানীর মিরপুরের মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে জামায়াতের পক্ষ থেকে অনুদান দেওয়ার ঘোষণার কথাও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, অনুদানের অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিলম্ব করা হচ্ছে। রাড্ডা সেন্টারে হামলা ও সম্পদ লুটের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন জামায়াতের আমির। এ ছাড়া ডেঙ্গুর পাশাপাশি হাম প্রতিরোধে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিমানবন্দরের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ করায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারেরও সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিমসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের

হেফাজতের কাছ থেকে ইসলামী মূল্যবোধ শেখার পরামর্শ জামায়াতকে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার কীভাবে করতে হয়, তা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামীকে শেখা উচিত। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর এলাকায় আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খাঁন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে হেফাজতে ইসলামের আমির ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। বিশেষ করে ইসলামকে পুঁজি করে এবং ইসলামী লেবাস ধারণ করে যারা ইসলামের ক্ষতি করছেন, তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি মানুষকে সচেতন করেছেন বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। নির্বাচনের আগে ‘জান্নাতের টিকিট’ বিতরণের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করার যে অভিযোগ উঠেছিল, সে বিষয়ে হেফাজত আমিরের বক্তব্য মানুষকে সচেতন করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইসলামের প্রচার ও প্রসারে হেফাজতে ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও দাবি করেন রাশেদ খাঁন। জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ইসলামী রাজনীতির কথা যারা বলছেন,আড়ও পড়ুন,চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণ হলে রাজনীতি ছাড়বেন রাকসুর জিএসতাদের উচিত ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার কীভাবে করতে হয় তা হেফাজতে ইসলামের কাছ থেকে শেখা। একই সঙ্গে জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের বৈসাদৃশ্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রাশেদ খাঁন আরও বলেন, যারা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, তাদের দায়িত্ব ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলোর ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখা। বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত—হেফাজতে ইসলামের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতে এমন বক্তব্যও এসেছে বলে জানান তিনি। সৌজন্য সাক্ষাতের সময় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।রাশেদ খাঁনের বক্তব্যগুলো তার নিজস্ব রাজনৈতিক মন্তব্য। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই বক্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

হেফাজতের কাছ থেকে ইসলামী মূল্যবোধ শেখার পরামর্শ জামায়াতকে

জামায়াতকে অকৃতজ্ঞ দল বললেনজামায়াতকে অকৃতজ্ঞ দল বললেন মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে দলটিকে ‘অকৃতজ্ঞ’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী এর মাধ্যমে জামায়াতের নেতাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু জামায়াত এখন সেই বিষয়গুলো ভুলে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।মীর শাহে আলম আরও বলেন বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। তার দাবি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই জামায়াত লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে।আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও তিনি জানান। এ জন্য দলের নেতাকর্মীদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার এবং জনগণের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন করবে এবং দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।আড়ও পড়ুন,আওয়ামী লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের ফাঁসির মুখে পড়ার দাবিএনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি করেন মীর শাহে আলম। তাদের সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের যোগাযোগ থাকতে পারে এবং পুরোনো সম্পর্ক আবারও জোড়া লাগতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।এনসিপির নেতাদের রাজনৈতিক বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তার অভিযোগ ১১ দলীয় জোটের নেতারা সংসদের ভেতরে এক ধরনের বক্তব্য দিলেও বাইরে ভিন্ন বক্তব্য দেন। বিএনপিকে কোনো পক্ষের হুমকিকে গুরুত্ব না দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন তাদের মূল্যায়ন করা হবে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন যারা গত নির্বাচনে

জামায়াতকে অকৃতজ্ঞ দল বললেনজামায়াতকে অকৃতজ্ঞ দল বললেন মীর শাহে আলম

এমপি মন্ত্রীদের সুবিধা বাড়ালে বিরোধিতা করবে জামায়াত

দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন পুরো সমাজ যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। সরকারকে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে জামায়াত স্পষ্টভাবে বিরোধিতা করবে বলেও জানান।শফিকুর রহমান বলেন সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রয়োজনে দায়িত্ব নিয়েছেন বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য নয়। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে সুযোগ-সুবিধা ভাগ করে নিতে তাদের আপত্তি থাকবে না।তিনি জানান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্লট না নেওয়া এবং শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তীতে সংসদেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।আড়ও পড়ুন,জামায়াতের ৩৪ এমপি ১৭ দিনের শিক্ষা সফরেএ সময় সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে নোটিশ দেওয়ার পরও সেগুলো আলোচনায় না আসার অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। জ্বালানি সংকট সার বিদ্যুৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিশু ধর্ষণ ও হত্যা এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে তারা নোটিশ দিয়েছেন বলেও জানান।সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন এক লিটার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়লে এর প্রভাব শুধু যানবাহনের চালকের ওপর পড়ে না। পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে।সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরতে হবে। কোনো বক্তব্যের অংশবিশেষ প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা উচিত নয় বলেও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন রাষ্ট্রের সংসদ নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ সাংবিধানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি স্তম্ভ। তবে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত শক্তিশালী। গণমাধ্যম সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হয় বলেও মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

এমপি মন্ত্রীদের সুবিধা বাড়ালে বিরোধিতা করবে জামায়াত

গাজী নজরুলের আসনে বিকল্প মুখ খুঁজছে জামায়াত

সাতক্ষীরা-৪, শ্যামনগর সংসদীয় আসন।গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর এবার বিকল্প নেতৃত্বের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।দলীয় সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য উপনির্বাচনে মাওলানা আবদুর রহমানকে সামনে রাখা হয়েছে। পেশায় শিক্ষক আবদুর রহমান বর্তমানে জামায়াতের শ্যামনগর উপজেলা শাখার আমির।দলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁকে প্রস্তুতি নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এরপর এলাকায় গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমও বাড়িয়েছেন তিনি।তবে শুধু আবদুর রহমান নন, এই আসনে জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানির নামও দলীয় পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইজ্জত উল্লাহ জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদএদিকে গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে গত জুলাইয়ে দলীয় তদন্ত শুরু করে জামায়াতে ইসলামী। পরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠিও দেয় দলটি।এর মধ্যে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।তবে এখনো সাতক্ষীরা-৪ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়নি।সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসনে গাজী নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছিলেন ৮৫ হাজার ৪২৬ ভোট।এখন আসনটি শূন্য হলে জামায়াত কাকে প্রার্থী করে, সেদিকেই নজর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের।

গাজী নজরুলের আসনে বিকল্প মুখ খুঁজছে জামায়াত

সাত দফা দাবি নিয়ে রংপুরমুখী লংমার্চের প্রচারে মাঠে জামায়াত

আড়ও পড়ুন,গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ধোঁয়াশাবিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ। পাশাপাশি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিও রয়েছে।প্রচারপত্র বিতরণকালে ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যুৎ ও গ্যাস সহজলভ্য করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির কথা জানিয়েছিল। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ কোনো দলের একক কর্মসূচি নয়। এটি জনগণের গণরায় বাস্তবায়

সাত দফা দাবি নিয়ে রংপুরমুখী লংমার্চের প্রচারে মাঠে জামায়াত

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জামায়াতের

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো গাফিলতি বা ত্রুটি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।মঙ্গলবার সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ শোক জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন।বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।এ সময় সিঁড়ি দিয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অন্তত দুইজনের মৃত্যু এবং আরও ২০ জন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে রিজভী-ইয়াও ওয়েন বৈঠকনিহতদের জন্য দোয়া এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জামায়াতের এই নেতা। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর স্থানে অগ্নিকাণ্ডের পেছনে কোনো গাফিলতি বা ত্রুটি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।নিহত ও আহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জামায়াতের