আদা, মরিচ, টমেটো ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার আশাবাদ জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।তিনি বলেছেন, কৃষি এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে আর কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে। কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসব পণ্য রফতানির ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কার্যক্রম, অর্জন, কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।এ সময় কৃষিজমি ও ফসলে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রাসায়নিক সারের পাশাপাশি জৈব সারের ব্যবহার বাড়িয়ে মাটির গুণগত মান ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।কৃষিমন্ত্রী বলেন, টেকসই কৃষি উৎপাদনের জন্য মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বৈঠকে জানানো হয়, আগের বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছরে কৃষক পর্যায়ে বেশি সার সরবরাহ করা হয়েছে।
আড়ও পড়ুন,মাদক-জুয়াই অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালাও জারি করা হয়েছে।এ ছাড়া যশোরের গদখালীতে ফুল ও মৃত্তিকা গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন, পাহাড় ও সমতলের পরিত্যক্ত জায়গায় তুলা চাষ এবং চরাঞ্চলে ভুট্টা, মিষ্টি আলু ও বাদাম উৎপাদনের বিষয়েও আলোচনা হয়।কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো, কৃষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ, পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর সরকারের অনেক সফলতা নির্ভর করছে। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
মতামত