হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৭৭টি জাহাজের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে ইরান।সোমবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ইরানের পারস্য উপসাগরীয় প্রণালী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে এসব জাহাজকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।ভবিষ্যতে এসব জাহাজের হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে জরিমানা, আটক অথবা জব্দের মতো ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে সহযোগিতা করা বাণিজ্যিক জাহাজও ভবিষ্যতে এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইরান।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা চলছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীর ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।তবে ওয়াশিংটনের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
আড়ও পড়ুন,সাফারি পার্কে থেকেও মুক্তি নেই দুই লেপার্ডের
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন এবং ক্ষতিপূরণসহ তাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না।ফলে নতুন করে ৭৭টি জাহাজের তালিকা প্রকাশ এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জাহাজের বিরুদ্ধে জরিমানা আটক বা জব্দের হুঁশিয়ারিতে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৭৭টি জাহাজের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের পারস্য উপসাগরীয় প্রণালী কর্তৃপক্ষ।ইরানের অভিযোগ, এসব জাহাজ দেশটির প্রটোকল লঙ্ঘন করেছে। তাই ভবিষ্যতে তাদের হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।তালিকাভুক্ত জাহাজের বিরুদ্ধে জরিমানা, আটক কিংবা জব্দের মতো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে সহযোগিতা করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকেও তালিকায় যুক্ত করার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।হরমুজ প্রণালী বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি। এ পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান দীর্ঘদিনের।যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। তেহরানের অবস্থান হলো তাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন এবং ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না।
মতামত