ইউক্রেন-পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তবে হামলার মাত্র কিছুক্ষণ আগেই একই রেলপথ দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করেছিল বরিস জনসন ও সাবেক সিআইএ প্রধান ডেভিড পেট্রিয়াসসহ ইউরোপীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি বিশেষ ট্রেন।সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।ইউক্রেনীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে কূটনৈতিক দল বহনকারী ট্রেনটি সীমান্ত অতিক্রম করার পরপরই হামলার ঘটনা ঘটে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় বিশেষ ট্রেনটির সময়সূচিতে আগেই পরিবর্তন আনা হয়েছিল।রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা কূটনৈতিক দলকে বহনকারী ট্রেনটি হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান সীমান্তের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর ট্রেনের যাত্রীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরই কয়েক শ মিটার দূরে বিকট শব্দে ড্রোন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।তবে হামলায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি।
আড়ও পড়ুন,হরমুজ প্রণালীতে ৭৭ নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজের তালিকা ইরানের
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি ইউক্রেনের বেসামরিক যোগাযোগ অবকাঠামোর ওপর রাশিয়ার হামলার নিন্দা জানান।এদিকে জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস এই হামলাকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পরিকল্পিত উসকানি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি ইউরোপজুড়ে আতঙ্ক তৈরি করতেই এ ধরনের বিপজ্জনক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।তিনি একই সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক ও শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।কূটনৈতিক দল সীমান্ত পার হওয়ার পরপরই একই রেলপথে হামলার ঘটনায় তাই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি কেবল ইউক্রেনের রেল অবকাঠামোর ওপর হামলা ছিল নাকি বিশেষ ট্রেনটিই ছিল সম্ভাব্য লক্ষ্য?তবে তদন্ত ও আরও তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত এ প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর মিলছে না।
মতামত