শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা

যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে কানাডা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদী বাণিজ্যনীতির প্রেক্ষাপটে নিজেদের বাণিজ্য বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে দেশটি। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে অটোয়ার। নয়াদিল্লিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিতা আনন্দ বলেন, ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বাণিজ্য বহুমুখীকরণ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় ভারত ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করতে চায় কানাডা। তবে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে দেশটি। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। আরোও পড়ুন,সার পরিবহনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘের আহ্বানসম্প্রতি ভারতের বাণিজ্য আলোচকেরা কানাডা সফর করেছেন। অন্যদিকে, কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দর সিধু একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিয়ে বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও নরেন্দ্র মোদিও এ চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন। আগামী ডিসেম্বরে মোদির কানাডা সফরের কথা রয়েছে। কানাডার হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের পণ্য ও সেবাবাণিজ্য বছরে সাত হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৫ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪০ কোটি ডলার। দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে কানাডার প্রতিষ্ঠান কামেকো ও ভারতের মধ্যে ২৬০ কোটি কানাডীয় ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন অনিতা আনন্দ। পাশাপাশি ভারতের আইডিবিআই ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা অধিগ্রহণে কানাডার ফেয়ারফ্যাক্স ফাইন্যানশিয়াল হোল্ডিংসের চুক্তিও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কানাডা ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বর্তমানে সেই সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হলে কানাডার বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও নতুন গতি আসতে পারে।

পানি সংকটে ভারত-বাংলাদেশকে সমান দায় নেওয়ার দাবি

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে শুধু নবায়ন নয় নতুন করে চুক্তি করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার রাজধানীর পলাশী চত্বরে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকীর স্মরণসভায় তিনি এ দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। তাই পুরোনো চুক্তি শুধু নবায়ন না করে বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনায় নতুন চুক্তি করতে হবে। তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু পানিবণ্টনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন ও যৌথ নদী ব্যবস্থাপনাতেও বাংলাদেশের সমান অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে। আরও পড়ুন,আবরার হত্যার দ্রুত বিচার দাবি বাবারপানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ রাখার দাবি জানান নাহিদ ইসলাম। শুষ্ক মৌসুমে ন্যূনতম প্রবাহ বজায় রাখা এবং কোনো ঘাটতি হলে ভারত ও বাংলাদেশকে সমানভাবে সেই ঘাটতির প্রভাব বহনের ব্যবস্থাও চেয়েছেন তিনি। ভারতের সঙ্গে শত্রুতা নয় বরং সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষিত হচ্ছে কি না সেটিই মূল বিষয়। আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো সংসদে আলোচনা এবং জনগণের স্বার্থ বিবেচনার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু বিদেশ সফর ও বৈঠক নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ কী অর্জন করছে তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করতে হবে। আবরার ফাহাদের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ নিয়ে তার লেখালেখি ছিল। আবরার হত্যা মামলায় দেওয়া ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরেরও দাবি জানান তিনি।

পানি সংকটে ভারত-বাংলাদেশকে সমান দায় নেওয়ার দাবি

চার ওভার পিছিয়ে ভারত জরিমানা ২০ শতাংশ

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানার মুখে পড়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। নিউ চন্ডিগড়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারায় ভারতের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ভারত চার ওভার কম বল করেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পিছিয়ে ছিল দুই ওভার। অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে দুই দলের জন্য ভিন্ন অঙ্কের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে জরিমানার এই ঘটনা ম্যাচের উত্তেজনাকে ছাপিয়ে যায়নি। সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।আরও পড়ুন,মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেট শেষ ম্যাচে অবশ্য দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় ক্যারিবীয় দল।ভারতের দেওয়া ৩৫১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শাই হোপের ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে পাঁচ উইকেটের জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর মধ্য দিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচটি নিজেদের করে নেয় তারা।তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভারত সিরিজ নিশ্চিত করেছিল। শেষ ম্যাচে জয় পেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।আগামী ৬ অক্টোবর লখনউতে শুরু হবে দুই দলের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডেতে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অন্যদিকে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবে ভারত।

 চার ওভার পিছিয়ে ভারত জরিমানা ২০ শতাংশ

দেশভাগের পর প্রথমবার ব্রহ্মপুত্র নৌপথে ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আসছে

দেশভাগের পর প্রথমবারের মতো ব্রহ্মপুত্রের অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার করে ভারত থেকে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন হতে যাচ্ছে। আসামের ডিব্রুগড়ের বগীবিল থেকে ব্রহ্মপুত্র নদপথে বাংলাদেশে পাঠানো হবে নামরূপের আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের (এপিএল) উৎপাদিত মিথানল।১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর ডিব্রুগড় থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ ব্যবহার করে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কার্গো পরিবহন। ব্রিটিশ আমলে ব্রহ্মপুত্রকে কেন্দ্র করে ডিব্রুগড় গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জাহাজ এই নৌপথ ব্যবহার করে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশের সঙ্গেও বাণিজ্য পরিচালনা করত। স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে সেই নদীপথভিত্তিক বাণিজ্য কমে যায়।কয়েক দশক পর নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্রকেন্দ্রিক পুরোনো বাণিজ্যিক যোগাযোগ আবারও সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।বাণিজ্যিক কার্গো পরিবহনের জন্য বগীবিল ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল প্রায় প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুবিধার্থে সেখানে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা, আধুনিক জেটি ও গুদামঘর তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নজরদারি ও কারিগরি সহায়তার জন্য একটি লাইটহাউস এবং ‘রিজিওনাল সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ তৈরির কাজও চলছে।এপিএলের মিথানল পরিবহনের জন্য দুটি বিশেষ জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিটি জাহাজে থাকবে ২৭টি কনটেইনার। প্রতিটি কনটেইনারে ২০ টন করে মিথানল বহন করা হবে। ফলে একটি জাহাজে ৫৪০ টন এবং দুটি জাহাজে মোট ১ হাজার ৮০ টন মিথানল পরিবহন করা সম্ভব হবে।বগীবিল থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৭৮৩ কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে জাহাজগুলোর আনুমানিক সাত দিন সময় লাগবে।আড়ও পড়ুন,ভারতে বাংলাদেশি পাটপণ্যে সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার শুল্কএপিএলের চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন বিভাগের মালিকানাধীন দুটি জাহাজ প্রায় ৩০ বছর ধরে অচল অবস্থায় পড়ে ছিল। এপিএল জাহাজ দুটি লিজ নিয়ে গুয়াহাটির পান্ডু ঘাটে এনে সম্পূর্ণ সংস্কার ও মেরামত করে বাণিজ্যিক চলাচলের উপযোগী করে তোলে। এখন সংস্কার করা এই দুই জাহাজই বগীবিল থেকে ঢাকা পর্যন্ত মিথানল পরিবহনে ব্যবহার করা হবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়ক ও রেলপথের তুলনায় নদীপথে পণ্য পরিবহন তুলনামূলক সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব। বগীবিল টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলে মিথানলের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও বিভিন্ন শিল্পপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।সম্ভাব্য পণ্যের তালিকায় রয়েছে ব্রহ্মপুত্র ক্র্যাকার অ্যান্ড পলিমার লিমিটেডের (বিসিপিএল) উৎপাদিত সামগ্রী, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, কয়লা ও চা। পাশাপাশি আসামের কাজী লেবু বা অসমীয়া লেবু, ভূত জলোকিয়া ও গোলমরিচের মতো জিআই-ট্যাগপ্রাপ্ত কৃষিপণ্যও আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি রপ্তানির নতুন সুযোগ পেতে পারে।

দেশভাগের পর প্রথমবার ব্রহ্মপুত্র নৌপথে ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আসছে

সম্পদ কমলেও ভারতের ধনী অভিনেতাদের শীর্ষে শাহরুখ

এক বছরে আনুমানিক ২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি সম্পদ কমলেও ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতার অবস্থান ধরে রেখেছেন শাহরুখ খান। হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট ২০২৬ অনুযায়ী, শাহরুখ ও তাঁর পরিবারের আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ এখন ১০ হাজার কোটি রুপি। গত বছরের তালিকায় এই অঙ্ক ছিল ১২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। অর্থাৎ এক বছরে হিসাবের অঙ্কে প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে সম্পদ।শাহরুখের সম্পদের বড় অংশ অভিনয়ের পারিশ্রমিকের বাইরে বিভিন্ন ব্যবসা থেকে আসে। স্ত্রী গৌরী খানের সঙ্গে পরিচালিত রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট চলচ্চিত্র প্রযোজনার পাশাপাশি ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ক্রীড়া ব্যবসাতেও শাহরুখের বড় উপস্থিতি রয়েছে। নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে, যার অধীনে কলকাতা নাইট রাইডার্সসহ বিভিন্ন ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়েছে।আড়ও পড়ুন,সমুদ্রসৈকতে বিদেশি নারীকে হয়রানির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভতবে হুরুনের প্রকাশিত সম্পদের হিসাবকে সরাসরি নগদ অর্থ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগ, সম্পত্তি ও অন্যান্য সম্পদের আনুমানিক মূল্য বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের হিসাব করা হয়। তাই বিভিন্ন সময় প্রকাশিত তালিকায় একই ব্যক্তির সম্পদের অঙ্কে পার্থক্য দেখা যেতে পারে।

সম্পদ কমলেও ভারতের ধনী অভিনেতাদের শীর্ষে শাহরুখ

অনাপত্তি সনদ বাতিলের পর ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ

মৎস্য অধিদফতরের ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বা এনওসি বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর ১০৩টি ইলিশ আমদানির অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের একটি চিঠি তাদের কাছে এসেছে। ওই চিঠিতে একাধিক অনাপত্তি সনদ বাতিলের কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে ইলিশ আমদানি বন্ধ রয়েছে এবং এ সিদ্ধান্তে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে বিপাকে পড়েছেন।আড়ও পড়ুন,ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে টাকা আমদানি রপ্তানি নিষ্পত্তির সুযোগ ইলিশ আমদানিকারক সৈয়্যদ মহিদুল হক রুবাই বলেন হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আমদানির উদ্দেশ্যে ভারতের অংশে ইতোমধ্যে যেসব ইলিশ কেনা হয়েছিল সেগুলো এখন কম দামে ফেরত দিতে হতে পারে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা এতে শুধু কেনাবেচার ক্ষেত্রেই নয় আমদানি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য খরচেও লোকসান গুনতে হবে। কারণ সীমান্তের ওপারে ইলিশ কেনার পাশাপাশি পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। ফলে মৎস্য অধিদফতরের ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের সিদ্ধান্তের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আনার পুরো প্রক্রিয়াই আপাতত বন্ধ রয়েছে। এতে আমদানিকারকদের পাশাপাশি ইলিশের আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যও নতুন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

অনাপত্তি সনদ বাতিলের পর ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ

শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে বড় জয় পেল ভারত

শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দাপুটে জয় পেয়েছে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক হারমনপ্রীত কৌর।ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে থাকে ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় দলটি।ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন স্মৃতি মান্ধানা। ৪৫ বলে ৭৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তার সঙ্গে রানের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন রিচা ঘোষ ও শেফালি ভর্মা। রিচা করেন ৪৯ রান এবং শেফালির ব্যাট থেকে আসে ৪৮ রান।ফলে শ্রীলঙ্কার সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১৭ রান।বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। দলীয় ৩০ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। ইমিশা দুলানি মাত্র ৩ রান করে ফিরে যান। এরপর হাসিনি পেরেরাও কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন।দুই উইকেটের পর লঙ্কান ব্যাটিংয়ে আরও বড় ধস নামে।আড়ও পড়ুন,চোটের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অবসর নিলেন মার্ক উড মাত্র ২২ রানের ব্যবধানে আরও পাঁচটি উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা। একের পর এক ব্যাটার দ্রুত ফিরে যাওয়ায় ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় দলটি।শেষ পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন। কাভিশা দিলহারি করেন ১১ রান এবং কৌশিনির ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান। এই তিনজন ছাড়া শ্রীলঙ্কার আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।ভারতের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন দীপ্তি শর্মা। দুর্দান্ত বোলিং করে তিনি তুলে নেন ৩টি উইকেট। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে পুরো ইনিংসজুড়েই অসহায় দেখিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে।শেষ পর্যন্ত ১৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় ভারত।

শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে বড় জয় পেল ভারত

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

দশ দিনের ব্যবধান। ভেন্যু আলাদা, টুর্নামেন্টও আলাদা। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই ভারত—আর ফলও একই।দুবাইয়ের পর এবার জাপান। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের পর এশিয়ান গেমসের শেষ চারের লড়াইয়েও ভারতের কাছে হেরে সোনার পদকের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ।কারোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় নায়ক শেফালি বর্মা। মাত্র ৪৯ বলে শতরান পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।জবাবে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটাররা ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি নিগার সুলতানার দল।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।ফলে ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।দশ দিন আগে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে ১০৯ রান করেছিল নিগাররা। এবার স্কোর আরও কমে ঠেকেছে ৮১-তে।এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের ১৭৭ রান ১৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।ফলে ২২ সেপ্টেম্বর সোনার পদকের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা।আর একই দিনে ব্রোঞ্জের পদকের জন্য মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।সোনার লড়াইয়ে জায়গা না হলেও ব্রোঞ্জ জিতে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট অভিযান শেষ করার সুযোগ এখনো রয়েছে নিগার সুলতানাদের সামনে।

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

এশিয়ান গেমসে নকভির হাত থেকে পদক নিতে হবে ভারতকে

এশিয়া কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মহসিন নকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারত। ২০২৫ সালের পুরুষদের এশিয়া কাপের পর চলতি বছরের নারী এশিয়া কাপেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। তবে জাপানে চলমান এশিয়ান গেমসে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ভারতের সামনে নিয়মগতভাবে ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি হতে পারে।এশিয়া কাপ আয়োজন করে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল বা এসিসি। অন্যদিকে এশিয়ান গেমস হচ্ছে অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার অধীনে আয়োজিত বহুজাতিক ক্রীড়া আসর। ওসিএর নিয়ম অনুযায়ী পদক বিতরণের দায়িত্ব সাধারণত ওসিএ সভাপতি পালন করেন। তিনি চাইলে কাউন্সিলের অন্য কোনো সদস্য বা প্রতিনিধিকে এ দায়িত্ব দিতে পারেন।ভারতের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন বা আইওএ সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নকভিকে পদক বিতরণের দায়িত্ব না দেওয়ার জন্য ভারত আগাম ওসিএর কাছে অনুরোধ করতে পারবে না। নকভিকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হলে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সেই পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হবে—এমনটাই জানানো হয়েছে।নকভি বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেপাশাপাশি তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান। এশিয়া কাপে তাঁর হাত থেকে ট্রফি নিতে ভারতীয় দলের অস্বীকৃতির পেছনে এই পরিচয়গুলোই আলোচনায় এসেছে। চলতি নারী এশিয়া কাপের ফাইনালেও নকভির উপস্থিতি ঘিরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।এবারের এশিয়ান গেমসে ভারতের নারী ও পুরুষ ক্রিকেট দল অংশ নিচ্ছে। ২০২২ সালের এশিয়ান গেমসে দুই বিভাগেই সোনা জিতেছিল ভারত। ফলে এবারও ক্রিকেটে ভারতের পদকজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে নকভি পদক বিতরণে থাকবেন কি না সে সিদ্ধান্ত ওসিএর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বণ্টনের ওপর নির্ভর করবে।এদিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন আপাতত দলের মনোযোগ ম্যাচের দিকে। পদক বিতরণের পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন সেটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এশিয়ান গেমসে নকভির হাত থেকে পদক নিতে হবে ভারতকে

জাপানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারত

এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে স্বাগতিক জাপানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান সোনাজয়ী ভারত।শুক্রবার চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে আগে ব্যাট করে জাপান ১৯ দশমিক ৫ ওভারে মাত্র ৫৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। জবাবে মাত্র পাঁচ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেয় ভারত। বাউন্সি পিচের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুরু থেকেই জাপানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন ভারতীয় বোলাররা। বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শ্রী চারানি। চার ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে চার উইকেট নেন তিনি।সপ্তম ওভারে টানা দুই বলে হারুনা ইওয়াসাকি ও অধিনায়ক মাই ইয়ানাগিদাকে সাজঘরে ফেরান চারানি। এর আগে ইওয়াসাকি ও আয়াকা কাতো-স্ট্যাফোর্ডের উদ্বোধনী জুটিতে ২৪ রান আসে। কাতো-স্ট্যাফোর্ড ৪৭ বলে ২৫ রান করে জাপানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। শেষ আট উইকেট মাত্র ৩৩ রানে হারায় স্বাগতিকরা।ভারতের হয়ে শেফালি ভার্মা নেন দুই উইকেট। আড়ও পড়ুন,ফোন জব্দের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, হাইকোর্টের পর আইসিসিতে রিজওয়ানদীপ্তি শর্মা নেন একটি। চোট কাটিয়ে প্রায় তিন মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে শ্রেয়াঙ্কা পাতিলও ৩ দশমিক ৫ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। তার বলেই নোনোহা ইয়াসুমোতো শূন্য রানে বোল্ড হলে জাপানের ইনিংস শেষ হয়।৫৮ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই ঝড় তোলেন শেফালি ভার্মা। প্রথম ওভারেই চারটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জাপানের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন তিনি।জি কামালিনি ও ভারতী ফুলমালি দ্রুত ফিরে গেলেও শেফালির ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাব পড়েনি। মাত্র ১৫ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ২৬৬ দশমিক ৬৬।লং-অনের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে মাত্র পাঁচ ওভারেই ভারতের জয় নিশ্চিত করেন শেফালি। ফলে ১৫ ওভার হাতে রেখেই ৮ উইকেটের জয় নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে ভারত।

জাপানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারত