রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

আর্কাইভ দেখুন

নদীর বুকে ভাসে হাট, নৌকায় নৌকায় বেচাকেনা

নদীর বুকে ভাসে হাট, নৌকায় নৌকায় বেচাকেনা

জালের মতো ছড়িয়ে থাকা নদী-নালা আর খাল। ভোরের আলো ফুটতেই বেলুয়া নদীর বুকে শুরু হয় অন্যরকম কর্মচাঞ্চল্য। একে একে জড়ো হতে থাকে কাঠের নৌকা। কোনো নৌকায় টাটকা সবজি, কোনো নৌকায় দেশি ফল, আবার কোনো নৌকায় নদীর তাজা মাছ। নৌকায় নৌকায় জমে ওঠে কেনাবেচা। এটি পিরোজপুরের নাজিরপুরের বৈঠাকাটা ভাসমান হাট—শুধু বাজার নয়, দক্ষিণ বাংলার শত বছরের লোকঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।পুবের আকাশে সূর্যের আভা ফুটতেই বেলুয়া নদীর বুকে বাড়তে থাকে নৌকার সংখ্যা। কৃষকরা ক্ষেত থেকে সদ্য তোলা ফসল নিয়ে ছুটে আসেন হাটে।লাউ, মিষ্টি কুমড়া, শসা, বেগুন, চালকুমড়া, কচু, শাপলা, পেয়ারা, আমড়া—কী নেই এই জলের হাটে! সঙ্গে থাকে দেশি মাছ ও নানা ধরনের চারা।নৌকার বৈঠার শব্দ, ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাক, নদীর ঢেউ।প্রায় শত বছরের পুরোনো এই ভাসমান হাটের জন্মও নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা থেকেই। স্থলপথে যোগাযোগের সুযোগ কম থাকায় আশপাশের গ্রামের কৃষকরা নৌকায় করে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বেলুয়া নদীর সংযোগস্থলে নিয়ে আসতেন। সময়ের সঙ্গে সেই নৌকার সমাগমই রূপ নেয় স্থায়ী হাটে।আজ সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে শত শত নৌকার মিলনমেলায় নদীর বুক যেন পরিণত হয় এক ভাসমান শহরে।স্থানীয় কৃষকদের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের পাইকাররাও আসেন এখানে। ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা বড় নৌকা, ট্রলার কিংবা সড়কপথে পণ্য নিয়ে যান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।মধ্যস্বত্বভোগী কম থাকায় কৃষকরা সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারেন। ফলে ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগও বাড়ে। আড়ও পড়ুন,দীর্ঘদিনের হতাশার পর এক জালেই ১০০ মণ ইলিশপ্রতিটি হাটবারে এখানে কোটি টাকার মতো কেনাবেচা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।ব্যবসার পাশাপাশি বৈঠাকাটা এখন পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণের জায়গা। ডিঙ্গি নৌকা বা ট্রলারে চড়ে নদীর সবুজ প্রকৃতি আর নৌকায় নৌকায় জমে ওঠা হাট দেখার সুযোগ পান ভ্রমণপিয়াসীরা।ভাসমান হাটটির কৃষি ও পর্যটন সম্ভাবনা এবং অ্যাগ্রো-ইকো ট্যুরিজম হিসেবে উন্নয়নের উদ্যোগের কথা।তবে পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ। পর্যটকদের জন্য উন্নত শৌচাগার, বিশ্রামাগার, সুপেয় পানি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি স্থানীয়দের।নদীর বুকে নৌকার মেলা, নৌকাতেই বাজার, নৌকাতেই বেচাকেনা—বৈঠাকাটা যেন দক্ষিণ বাংলার নদীকেন্দ্রিক জীবনের এক জীবন্ত ছবি। ঐতিহ্য আর অর্থনীতির পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনা পেলে এই ভাসমান হাট হয়ে উঠতে পারে দেশের অনন্য অ্যাগ্রো-ইকো ট্যুরিজম গন্তব্য।


কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি

কৃষকের হাতে স্মার্টফোন, ব্যাংকিংয়ে বাড়বে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি

চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই স্মার্টফোন পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল ও আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।স্মার্টফোনের দাম নামছে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে। আর এর সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পিপিআরসি আয়োজিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক গ্রুপ ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি একে অপরের পরিপূরক। ডিজিটাল অর্থনীতির গতি বাড়াতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল আর্থিক সেবার সুফল পুরোপুরি পাওয়া সম্ভব নয়।আমির খসরু বলেন, দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হয়েছে। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই এসব ফোন পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। আড়ও পড়ুন,ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকটতাঁর মতে, এতে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ হবে।স্মার্টফোনের মাধ্যমে কৃষকরা আবহাওয়ার তথ্য, প্রয়োজনীয় সারের মাত্রা এবং কৃষিপণ্যের বাজারদর জানতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।এদিকে ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাঁদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগকেও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অংশ হিসেবে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তবে প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবনের ধারাকে এগিয়ে নিতে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, শক্তিশালী ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাই উঠে এসেছে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে।


আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরান

আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরান

ম্যাকলমোরকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই গাজা ও ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান। ফিলাডেলফিয়ায় নিজের কনসার্টে শিরান বলেন, গাজায় যা ঘটছে তা ‘বিপর্যয়কর, অযৌক্তিক ও অসমানুপাতিক’। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলাকে তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন। ম্যাকলমোরকে তাঁর ‘লুপ ট্যুর’ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় দুঃখও প্রকাশ করেন শিরান।ফিলাডেলফিয়ার মঞ্চে এবার আর শুধু গান নয়—ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়েও কথা বললেন এড শিরান।তিনি বলেন, ক্যারিয়ারে নিজেকে কোনো রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে দেখতে চাননি। তাঁর কনসার্ট হওয়া উচিত ঐক্য ও মানবতার জায়গা। কিন্তু গাজার পরিস্থিতিকে তিনি একটি মানবিক সংকট হিসেবে দেখছেন এবং এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি আর গোপন রাখতে পারছেন না।আড়ও পড়ুন,তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনীএড শিরান: ‘গাজায় যা ঘটছে, তা বিপর্যয়কর ও অসমানুপাতিক’শিরান বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলা ছিল ভয়াবহ এবং তা ইহুদি জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের যন্ত্রণাকে আরও গভীর করেছে। একই সঙ্গে গাজায় বেসামরিক মানুষ ও শিশুদের প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলে জানান তিনি। পশ্চিম তীরে পদ্ধতিগত অবিচারের অভিযোগও উপেক্ষা করা যায় না বলে মন্তব্য করেন শিরান।


হোয়াইটওয়াশ ঠেকানোর ম্যাচে ৪০ বছরের ক্রেমার

হোয়াইটওয়াশ ঠেকানোর ম্যাচে ৪০ বছরের ক্রেমার

বয়স ৪০। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার। ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডে খেলতে নেমেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে একাদশে জায়গা পেয়েছেন এই অভিজ্ঞ স্পিনার। আর তাঁর অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে জিম্বাবুয়ে দলে একাদশে জায়গা পাওয়া চল্লিশোর্ধ্ব ক্রিকেটারের সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে।দীর্ঘ সাত বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন গ্রায়েম ক্রেমারের।৪০ বছরে পা দেওয়া এই লেগ স্পিনার ২০১৮ সালের পর প্রথমবার জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডে খেলতে নেমেছেন। ব্রেন্ডন টেলর, ক্রেইগ আরভিন ও সিকান্দার রাজার পর জিম্বাবুয়ে দলের চতুর্থ চল্লিশোর্ধ্ব ক্রিকেটার হিসেবে একাদশে জায়গা পেয়েছেন তিনি।চোটের কারণে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা এবং বিশ্রামে থাকা নিউম্যান নিয়ামহুরির জায়গায় একাদশে এসেছেন আর্নেস্ট মাসুকু ও গ্রায়েম ক্রেমার।গ্রায়েম ক্রেমার | ব্রেন্ডন টেলর | ক্রেইগ আরভিন | সিকান্দার রাজাতবে ম্যাচটির গুরুত্ব জিম্বাবুয়ের জন্য অন্য জায়গায়। আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেসিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে শেষ ম্যাচটি জিম্বাবুয়ের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই।দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ফিরে ক্রেমার দলকে কতটা ভরসা দিতে পারেন, সেটিও থাকবে নজরে, একদিকে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। আর সেই ম্যাচেই সাত বছর পর ওয়ানডেতে ফিরলেন ৪০ বছরের গ্রায়েম ক্রেমার। অভিজ্ঞ এই লেগ স্পিনারের প্রত্যাবর্তন কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার।


সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতিরা। শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি দেখা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর হামলার দায় স্বীকার করে তারা। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।রিয়াদের আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি। বিমানবন্দরের মহাসড়কের কাছ থেকে দেখা যায় আগুনের শিখাও।রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করে হুতিরা।হুতিদের দাবি, রিয়াদের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তেলকেন্দ্র ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।তবে রিয়াদের ঠিক কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি হুতিরা।তাদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার জবাব হিসেবেই এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানায়, শনিবার ভোররাতে রিয়াদের দিকে ছোড়া হুতিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।একই সঙ্গে সৌদির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ ও ফারাসান,আড়ও পড়ুন,ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রেরপশ্চিমাঞ্চলের তায়িফ এবং ইয়ানবুতেও হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করেছে তারা।রিয়াদে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার সতর্কতা জারি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানান। তবে এসব শব্দ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ থেকেও হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।জুলাই থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করে আসছে হুতিরা। তবে চলমান সংঘাত শুরুর পর রিয়াদে হামলার দাবি এবারই প্রথম।হামলার আশঙ্কায় শনিবার ভোররাতে রিয়াদ ও আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।এখন পর্যন্ত হামলায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।অ্যাঙ্কর আউট:রিয়াদে হামলার এই দাবির পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



দীর্ঘদিনের হতাশার পর এক জালেই ১০০ মণ ইলিশ

দীর্ঘদিনের হতাশার পর এক জালেই ১০০ মণ ইলিশ

মাত্র দুই ঘণ্টা জাল ফেলতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ! জাল তুলতে গিয়ে দেখা গেল পুরো জালজুড়েই রুপালি ইলিশ। এত মাছ যে, জাল থেকে ইলিশ ছাড়াতেই হিমশিম খেতে হয় জেলেদের। পরে প্রায় ১০০ মণ ইলিশ নিয়ে বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে ফেরে এফবি নাজমা। মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ টাকায়। দীর্ঘদিনের হতাশার পর একসঙ্গে এত মাছ পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে জেলে ও ট্রলার মালিকদের মাঝে।গভীর সাগর থেকে ঘাটে ফিরেছে মাছভর্তি এফবি নাজমা। রোববার সকালে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে ট্রলারটি ভিড়তেই শুরু হয় মাছ নামানোর ব্যস্ততা।ট্রলারের মাঝি বাপ্পি মিয়ার ভাষ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে পাথরঘাটা থেকে যাত্রা করেন তাঁরা। শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাগরে জাল ফেলেন। মাত্র দুই ঘণ্টা পর জাল তুলতেই দেখা যায়—জালজুড়ে রুপালি ইলিশ।বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জাল থেকে ইলিশ ছাড়াতেই বেগ পেতে হয় জেলেদের। পরে প্রায় ১০০ মণ ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফেরে ট্রলারটি।“দুই ঘণ্টার মতো জাল ফেলার পর যখন জাল তুলেছি, তখন দেখি পুরো জাল ইলিশে ভরা। এত মাছ হয়েছে যে জাল থেকে মাছ ছাড়াতেই কষ্ট হয়েছে।আড়ও পড়ুন,অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশট্রলার মালিক এনামুল হোসাইন জানান, মাছগুলো প্রতি মণ ২৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে প্রায় ২৫ লাখ টাকা পেয়েছেন তাঁরা। তবে মাছের আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় দাম কিছুটা কম হয়েছে। আকার বড় হলে একই পরিমাণ মাছ আরও বেশি দামে বিক্রি হতে পারত বলে জানান তিনি।“এবার মাছ না পাওয়ায় সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছিল। একসঙ্গে এত মাছ পাওয়ায় আমরা অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি।”পাথরঘাটা বিএফডিসি আড়তদার সমিতির সভাপতি সগীর আলম বলছেন, চলতি ইলিশ মৌসুমে এ এলাকায় এক ট্রলারে ১০০ মণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।দীর্ঘদিন মাছের দেখা না পেয়ে লোকসানে থাকা ট্রলার মালিক ও জেলেদের মাঝেও ফিরেছে নতুন আশা। এফবি নাজমার জালে বিপুল ইলিশ ধরা পড়ার পর ঘাটে থাকা অন্য জেলে ও ট্রলার মালিকরাও গভীর সাগরে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্ক পর্বে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিশ্ব শান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। ফলে বিশ্ববাসীর সামনে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পাবে।পাশাপাশি যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে।সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থাকবে রোহিঙ্গা সংকট।২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।আড়ও পড়ুন,রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক সেখানে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ।এর পরদিন, ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।সেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে বাংলাদেশের দাবি তুলে ধরার কথা রয়েছে।জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক অর্থনৈতিক কূটনীতি।ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামো, উৎপাদন ও প্রযুক্তি খাত, দক্ষ মানবসম্পদ এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয় তুলে ধরার কথা রয়েছে।নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর। আর ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।


অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিয়াম নামে ১৯ বছর বয়সী আরও একজনকে আটক করে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সাইফুল ইসলাম তুহিন অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে যায়।পরে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর ফুটেজে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে ওই এলাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ আরও জানায়, তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুলকেও হেফাজতে নেয় পুলিশ।তুহিনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।আড়ও পড়ুন,সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবিপ্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ভাষ্য, বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নির্জন বনে অপ্রতীমের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।এতে অপ্রতীম বাধা দিলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতীমের মাথায় আঘাত করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন মোবাইল ফোন নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলের সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।তবে ফাহাদ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগত কারণে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।পাশাপাশি সিয়ামের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই চলছে।ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবি

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবি

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক ‘বাবা আদম শহীদ মসজিদ’।সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত ছয় গম্বুজের এই মসজিদে আজও নিয়মিত ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। হয় নামাজ আদায়।ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি প্রাচীন স্থাপত্য, ইতিহাস আর লোককথার কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে এখনো আকর্ষণের কেন্দ্র এই মসজিদ।মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দরগাহবাড়ি এলাকায় অবস্থিত মসজিদটি নির্মিত হয় ১৪৮৩ খ্রিষ্টাব্দে, সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামলে।ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, তৎকালীন বিক্রমপুরের শাসক মালিক কাফুর শাহ এটি নির্মাণ করেন। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত আছে, প্রখ্যাত মুসলিম প্রচারক ও সাধক বাবা আদম শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর মাজারের পাশে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।প্রায় ৪৩ ফুট দীর্ঘ ও ৩৬ ফুট প্রস্থের মসজিদটির দেয়াল প্রায় চার ফুট পুরু। লাল পোড়ামাটির ইট, সুরকি ও চুনের গাঁথুনিতে তৈরি এ স্থাপনায় রয়েছে তিনটি খিলানাকৃতির প্রবেশপথ, তিনটি মেহরাব, গ্রানাইট পাথরের স্তম্ভ এবং পোড়ামাটির নান্দনিক অলংকরণ।প্রায় ৫৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে নামাজের ধারা বন্ধ হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা।আড়ও পড়ুন,রাজাপুরে প্রথমবার মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিতবর্তমানে মসজিদের ভেতরে একসঙ্গে দুই শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। আর প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ভেতরে-বাইরে মিলিয়ে সমাগম হয় প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ মুসল্লির।তবে সময়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিতে দেখা দিয়েছে ক্ষয়ের চিহ্ন।দেয়ালের বিভিন্ন অংশে শ্যাওলা, কোথাও ফাটল। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি মসজিদের ভেতরে ঢুকে পড়ার অভিযোগও রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর আগে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে সংস্কার ও রং করা হয়েছিল। এরপর বড় ধরনের সংস্কার হয়নি।১৯৪৮ সাল থেকে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। ফলে মসজিদ কমিটিও নিজেদের উদ্যোগে বড় ধরনের সংস্কার করতে পারছে না।স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংরক্ষণ করা না হলে কালের সাক্ষী এই স্থাপনার ঐতিহাসিক স্থাপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তাই দাবি একটাই—ধর্মীয় ঐতিহ্য ও প্রাচীন স্থাপত্যের এই নিদর্শনটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ।


ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকট

ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকট

ঋণের সুদের হার কমেছে। কমেছে নীতিসুদও। কিন্তু তাতেও গতি ফিরছে না বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণ ও বিনিয়োগে।ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগস্টে নীতিসুদ ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্যাংকঋণের ভারিত গড় সুদ ১২ দশমিক ১৬ শতাংশে উঠেছিল—যা অন্তত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছরের জুলাইয়ে তা কমে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৮১ শতাংশে।তারপরও বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা বাড়েনি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুনে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে—৩৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জুলাইয়ে সামান্য বেড়ে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ হলেও ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ দশমিক ৮ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তা এখনও অনেক কম।ব্যবসায়ীদের মতে, বিনিয়োগের পথে এখন শুধু সুদের হার বাধা নয়। বরং বড় সমস্যা আস্থা।ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলছেন, পর্যাপ্ত চাহিদা, স্থিতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ ও যুক্তিসংগত মুনাফার নিশ্চয়তা না থাকলে কম সুদেও উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন না।গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, উচ্চ পরিচালন ব্যয়, দুর্বল ভোক্তা চাহিদা, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা এবং খেলাপি ঋণের উচ্চ হারও ব্যবসায়িক আস্থায় প্রভাব ফেলছে।আড়ও পড়ুন,নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাবঅন্যদিকে ব্যাংকগুলোও খেলাপি ঋণ ও আর্থিক খাতের দুর্বলতার কারণে নতুন ঋণ বিতরণে সতর্ক।অর্থনীতিবিদদের মতে, সুদের হার কমা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের একমাত্র সূচক নয়। বিনিয়োগ দুর্বল থাকলে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতার ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরাতে তাই শুধু ঋণের খরচ কমানো নয়—নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি, স্থিতিশীল নীতিমালা, বাজারে চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের বিষয়ে পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।অর্থাৎ, ঋণ এখন তুলনামূলক সস্তা হলেও ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করলে সেই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ?এই আস্থার প্রশ্নের উত্তর মিললেই বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হবে।


রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্ট বিক্রি এবং রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।এ ছাড়া সেবা দিতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও রোগী হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।রোববার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।দুদক জানিয়েছে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নির্ধারিত নতুন মূল্য কার্যকর না করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে হার্টের রিং বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।এর সঙ্গে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সেবা প্রদানে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগও ছিল।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে সম্প্রতি হার্টের রিং পরানো হয়েছে—এমন কয়েকজন রোগীর ক্ষেত্রে নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী লেনদেন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।এ জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে রোগীদের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে এনফোর্সমেন্ট টিম।আড়ও পড়ুন,অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় চার গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাসপাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি থাকা হার্টের রিং পরানো রোগীদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হয়।তাদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা হয়রানির ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করেছে দুদক।তবে অভিযানেই অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন।অভিযানে সংগৃহীত তথ্য, রোগীদের বক্তব্য এবং রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করা হবে।এরপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের কাছে দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হার্টের রিংয়ের মূল্য ও রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি তাই এখন দুদকের যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে রয়েছে।


ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।পেন্টাগনের হিসাবে, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ খরচ হয়েছে আরও ১৫০ কোটি ডলার।সব মিলিয়ে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ।তবে এটিই ইরান যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ব্যয়ের হিসাব নয়।কারণ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও ভবন মেরামতের ব্যয় এখনো এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।পেন্টাগনের হিসাবে যুদ্ধের বড় একটি অংশের অর্থ ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদে। ইরান অভিযানে ব্যবহৃত বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন, বিমান পরিচালনা, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্রনৌবাহিনী ও সেনাদের মোতায়েনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার।এর আগে মার্কিন কংগ্রেসের বাজেট কার্যালয়ও জানিয়েছিল, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দ্রুত বাড়তে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুদ্ধ পরিচালনার খরচ নয়—যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে।ফলে পেন্টাগনের বর্তমান ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের হিসাবকে ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত ব্যয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয়ের চাপ।এখন বড় প্রশ্ন—ইরান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা দীর্ঘ এবং কতটা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।


নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাব

নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাব

১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।‘চাকরি—বেতন ও ভাতাদি আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী বহাল থাকছে ২০টি গ্রেড। নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আর প্রথম গ্রেডে মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।তবে নতুন বেতন কাঠামোর পুরো সুবিধা একসঙ্গে পাওয়া যাবে না। মূল বেতন তিন ধাপে কার্যকর হবে।প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে।দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা আরও বাড়বে। আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।তবে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ সংশোধিত ভাতার পূর্ণ সুবিধা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের একজন চাকরিজীবীর মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা যোগ হয়ে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মোট বেতন দাঁড়াবে ৩৩ হাজার ২৫০ টাকা।আড়ও পড়ুন,ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ল সোনার দাম ঢাকায় বাড়িভাড়া বেশি হওয়ায় মোট বেতন হবে ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা।অন্যদিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবদের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা। বিভিন্ন ভাতা যোগ হলে ঢাকায় তাদের মোট বেতন দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা। এর বাইরে রয়েছে গাড়িসহ অন্যান্য সুবিধা।নতুন কাঠামোয় বিসিএসসহ ৯ম গ্রেডে যোগ দেওয়া কর্মকর্তাদের মূল বেতন হবে ৪৪ হাজার টাকা। ভাতাসহ তাদের মোট বেতন হবে ৬০ হাজার টাকার বেশি।প্রায় ১১ বছর পর নতুন বেতন কাঠামো পেল সরকারি চাকরিজীবীরা। এখন ধাপে ধাপে এর বাস্তবায়নের অপেক্ষা।


তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনী

তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনী

দুই থেকে তিন হলেন টলিউডের তারকা দম্পতি সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায়।রোববার সকালে প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে জন্ম নেয় তাদের পুত্রসন্তান।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মা ও সদ্যোজাত—দুজনেই ভালো আছেন।সন্তান জন্মের সুখবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে যৌথভাবে জানিয়েছেন সোহিনী ও শোভন।সেখানে তারা লিখেছেন—‘আমাদের বীরপুরুষ, আমাদের নতুন সদস্য এসেছে। তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো।’ছোট্ট এই বার্তার মধ্যেই নতুন অতিথিকে ঘিরে তাদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছেন তারকা দম্পতি।অভিনেত্রী সোহিনী সরকার টলিউডের পরিচিত মুখ। আড়ও পড়ুন,অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত শোবিজ তারকারাঅভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে। এবার জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন তিনি—মা হওয়ার মধ্য দিয়ে।আর শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাদের সংসারে এলো প্রথম সন্তান।সন্তান জন্মের খবর প্রকাশ্যে আসার পর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন তারকা দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানাচ্ছেন অভিনন্দন।দীর্ঘ অভিনয়জীবনের নানা ব্যস্ততার পর এবার সোহিনী-শোভনের জীবনের সবচেয়ে বড় নতুন চরিত্র—বাবা ও মা।নতুন অতিথিকে ঘিরে তাদের সংসারে এখন আনন্দের আবহ।সোহিনী ও শোভনের জীবনের এই নতুন অধ্যায় আরও আনন্দময় হয়ে উঠুক—শুভকামনা রইল নবজাতক ও তার মা-বাবার জন্য।


আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

দশ দিনের ব্যবধান। ভেন্যু আলাদা, টুর্নামেন্টও আলাদা। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই ভারত—আর ফলও একই।দুবাইয়ের পর এবার জাপান। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের পর এশিয়ান গেমসের শেষ চারের লড়াইয়েও ভারতের কাছে হেরে সোনার পদকের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ।কারোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় নায়ক শেফালি বর্মা। মাত্র ৪৯ বলে শতরান পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।জবাবে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটাররা ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি নিগার সুলতানার দল।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।ফলে ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।দশ দিন আগে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে ১০৯ রান করেছিল নিগাররা। এবার স্কোর আরও কমে ঠেকেছে ৮১-তে।এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের ১৭৭ রান ১৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।ফলে ২২ সেপ্টেম্বর সোনার পদকের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা।আর একই দিনে ব্রোঞ্জের পদকের জন্য মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।সোনার লড়াইয়ে জায়গা না হলেও ব্রোঞ্জ জিতে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট অভিযান শেষ করার সুযোগ এখনো রয়েছে নিগার সুলতানাদের সামনে।