নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন।প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর কয়েকটি ধাপে সারা দেশে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ পরিকল্পনার কথা জানান জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে কয়েকটি ধাপে সারা দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করবে কমিশন।নির্বাচন কমিশনার জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন, আগামীকাল রাত থেকেই শিল্পে আগের মতো গ্যাস বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করা হবে।এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় আইনি কাঠামো নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কোনো আইন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বর্তমান আইন অনুসরণ করেই নির্বাচন আয়োজন করবে কমিশন। এতে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।ইসি জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ নভেম্বর থেকেই ধাপে ধাপে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।
মতামত