লা লিগায় এলচের বিপক্ষে শুরুতে দুই গোলের লিড নিয়েও ম্যাচ কঠিন করে ফেলেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে সমতায় ফিরেছিল স্বাগতিকরা। তবে শেষ মুহূর্তে কার্লোস এসপির গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।এলচের মাঠ এস্তাদিও মার্তিনেজ ভালেরোতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল রিয়াল। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ২৫ মিনিট পর্যন্ত।ফেদেরিকো ভালভার্দেকে ফাউল করা হলে ফ্রি-কিক নেন আর্দা গুলার। তাঁর নেওয়া বল পোস্টে লেগে এলচের গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর গায়ে প্রতিফলিত হয়ে জালে জড়ায়। আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল।এর আট মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ডান দিক থেকে ইয়ান দিয়োমান্দের বাড়ানো বল দিতুরোর বাঁ পাশ দিয়ে জালে পাঠান ফরাসি তারকা।দুই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় রিয়াল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।আক্রমণের গতি বাড়িয়ে রিয়ালের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে থাকে এলচে। বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন থিবো কোর্তোয়া।তবে ৭১ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি।
আড়ও পড়ুন,ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন বাবর
লুকাস কেপেদার বাড়ানো বলে আবিয়েল ওসোরিও হেডে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে ব্যবধান কমান।গোল পাওয়ার পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এলচে। ৮৩ মিনিটে ওসোরিওর পাস থেকে ফার্নান্দো নিনোর নিচু কোনাকুনি শটে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখন অতিরিক্ত সময়ে রিয়ালকে স্বস্তি এনে দেন কার্লোস এসপি।জুড বেলিংহামের তৈরি করা আক্রমণ থেকে বল পান এমবাপ্পে। তাঁর বাড়ানো বলে খুব কাছ থেকে জালে পাঠিয়ে রিয়ালকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বদলি হিসেবে নামা এসপি।শেষ পর্যন্ত ওই গোলেই জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের।এ নিয়ে লা লিগায় ছয় ম্যাচে রিয়ালের জয় হলো পাঁচটি। ছয় ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে বার্সেলোনার সঙ্গে সমান পয়েন্টে রয়েছে মাদ্রিদ। তবে বার্সেলোনার হাতে রয়েছে একটি ম্যাচ।বেতিসের কাছে হারের পর টানা তিন ম্যাচে জয় পেল রিয়াল। ইন্টার মিলান ও রায়ো ভায়েকানোর পর এবার এলচের মাঠ থেকেও তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরল মাদ্রিদ।
মতামত